রাত পোহালেই শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন, কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে সরঞ্জামাদি
- আপডেট সময় : ২১ বার পড়া হয়েছে
রাত পোহালেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের বহুল প্রতীক্ষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ইতোমধ্যে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণের সকল সরঞ্জামাদি। নির্বাচনকে ঘিরে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি।
উল্লেখ্য, জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি এ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে নতুন তফসিল ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতের প্রার্থী মরহুম নুরুজ্জামান বাদলের সহোদর ছোট ভাই আলহাজ্ব মাসুদুর রহমান এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মাকসবাদী) মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান। শেষ মুহূর্তে প্রার্থী ও সমর্থকদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া র্যাবের ১০টি টিম মাঠে কাজ করবে এবং ৪টি টিম রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত থাকবে। পুলিশের ২৬টি মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে।
নির্বাচনী মাঠে শৃঙ্খলা রক্ষায় ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ১৮ জন পর্যবেক্ষক থাকবেন। দুই উপজেলায় দায়িত্ব পালন করবেন দুইজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ইলেকশন ইনকোয়ারি কমিটির তিনজন যুগ্ম জেলা জজ। এছাড়াও সেনাবাহিনীর কয়েকটি টিম মাঠে নিয়োজিত থাকবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদারে ৫ থেকে ৬ জন পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি ১২ জন করে আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন থাকবে।
দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে ২৮টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন আরো জানিয়েছেন, তফসিল অনুযায়ী ভোটগ্রহণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্নের পথে। আচরণবিধি লঙ্ঘন বা কোনো ধরনের অনিয়ম দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


















