ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

হাফিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে

রাশেদা বেগমকে পুনর্বহালের কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মহামান্য হাইকোর্ট হাফিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগমকে পুনর্বহালের কোনো নির্দেশনা দেননি। মহামান্য হাইকোর্ট এর আদেশকপি (১৯/১০/২৫),রাশেদা বেগমের নিযুক্ত এডভোকেট কর্তৃক প্রেরিত উকিল নোটিশ (২৬/১১/২৫) ও সংশ্লিষ্ট জবাব বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে কোথাও তার পুনর্বহালের কথা বলা হয়নি। এ বিষয়ে কিছু প্রচারকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে- বিগত ১৭ জুলাই-২৫ইং, হাবিবুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি একের পর ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির আইন সংগত নির্দেশ অমান্য করায় এবং বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকায় এবং বিদ্যালয়ের অডিট কার্যক্রমে সহযোগিতা না করায় সাবেক প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগমকে একই তারিখে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়। তাছাড়া সাবেক প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগমের বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় (২৬৬ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) তাকে বিগত ২৫/০৯/২৫ইং তারিখে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয় এবং বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব প্রদান করে। মাউশির প্রেরিত পত্র এবং ম্যানেজিং কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্বান্ত মোতাবেক মৌলভীবাজার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এর নির্দেশে এবং আন্তরিকতায়, আন্দোলনকারী শিক্ষক ও অভিভাবকদের সক্রিয় অংশ গ্রহণ ও প্রচেষ্টার কারণে স্কুলের সার্বিক অবস্থা আগের চেয়ে কিছুটা উন্নতির দিকে। অন লাইনে বেতন আদায়ে শুভংকরের ফাকি রয়েছে এমন বিষয় অভিভাবকরা এবং সহকারী শিক্ষকরা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)- কে জানানোর পর বন্ধ হয় বলে এ বছর প্রথম বারের মতো আয়-ব্যায় পরে ও অনেক বড় অংকের টাকা স্কুলের ফান্ডে জমা হয়েছে। অথচ বিতর্কিত প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগমের দায়িত্বপালন কালীন সময়ে অতিরিক্ত ফান্ড জমা থাকার হিসাব নেই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে- আন্দোলনকারী শিক্ষক ও অভিবাবকরা জানান- বর্তমানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন হাবিবুর রহমান। দীর্ঘদিন ধরে যেখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর কোনো শৃঙ্খলা বা নিয়ম-কানুন ছিল না, সেখানে ধাপে ধাপে নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা চালু করা হয়েছে। সম্প্রতি মৌলভীবাজার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এর নির্দেশে এবং আন্তরিকতায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক ও নির্বাচনী পরীক্ষাগুলো ছিল পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় অধিক সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাফিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগম এর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

হাফিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে

রাশেদা বেগমকে পুনর্বহালের কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি

আপডেট সময় :

মহামান্য হাইকোর্ট হাফিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগমকে পুনর্বহালের কোনো নির্দেশনা দেননি। মহামান্য হাইকোর্ট এর আদেশকপি (১৯/১০/২৫),রাশেদা বেগমের নিযুক্ত এডভোকেট কর্তৃক প্রেরিত উকিল নোটিশ (২৬/১১/২৫) ও সংশ্লিষ্ট জবাব বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে কোথাও তার পুনর্বহালের কথা বলা হয়নি। এ বিষয়ে কিছু প্রচারকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে- বিগত ১৭ জুলাই-২৫ইং, হাবিবুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি একের পর ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির আইন সংগত নির্দেশ অমান্য করায় এবং বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকায় এবং বিদ্যালয়ের অডিট কার্যক্রমে সহযোগিতা না করায় সাবেক প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগমকে একই তারিখে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়। তাছাড়া সাবেক প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগমের বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় (২৬৬ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) তাকে বিগত ২৫/০৯/২৫ইং তারিখে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয় এবং বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব প্রদান করে। মাউশির প্রেরিত পত্র এবং ম্যানেজিং কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্বান্ত মোতাবেক মৌলভীবাজার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এর নির্দেশে এবং আন্তরিকতায়, আন্দোলনকারী শিক্ষক ও অভিভাবকদের সক্রিয় অংশ গ্রহণ ও প্রচেষ্টার কারণে স্কুলের সার্বিক অবস্থা আগের চেয়ে কিছুটা উন্নতির দিকে। অন লাইনে বেতন আদায়ে শুভংকরের ফাকি রয়েছে এমন বিষয় অভিভাবকরা এবং সহকারী শিক্ষকরা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)- কে জানানোর পর বন্ধ হয় বলে এ বছর প্রথম বারের মতো আয়-ব্যায় পরে ও অনেক বড় অংকের টাকা স্কুলের ফান্ডে জমা হয়েছে। অথচ বিতর্কিত প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগমের দায়িত্বপালন কালীন সময়ে অতিরিক্ত ফান্ড জমা থাকার হিসাব নেই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে- আন্দোলনকারী শিক্ষক ও অভিবাবকরা জানান- বর্তমানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন হাবিবুর রহমান। দীর্ঘদিন ধরে যেখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর কোনো শৃঙ্খলা বা নিয়ম-কানুন ছিল না, সেখানে ধাপে ধাপে নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা চালু করা হয়েছে। সম্প্রতি মৌলভীবাজার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এর নির্দেশে এবং আন্তরিকতায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক ও নির্বাচনী পরীক্ষাগুলো ছিল পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় অধিক সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাফিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক রাশেদা বেগম এর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।