ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

আশুলিয়ায় ভুয়া ডাক্তারের আধিপত্য

সাঈম সরকার
  • আপডেট সময় : ৩৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সকল রোগের চিকিৎসক সেজে সুদৃশ্যমান চেম্বার আর সাইনবোর্ডে হরেক রকম ডিগ্রি উলেখ্য করে আশুলিয়া ও তার আশপাশে ব্যাঙের ছাতার মত আধিপত্য বিস্তার ভুয়া ডাক্তারদের। চিকিৎসক হিসেবে এদের নেই কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা। অনেকে আবার মাধ্যমিক পাসও করেন নাই।অথচ,সাইবোর্ডে লিখে রেখেছেন ডাক্তার ও প্রভাষক।কান,গলা,চর্মরোগ,শ্বাসকষ্টোসহ যৌন রোগ হতে শুরু করে যে সব নারী মা হতে পারছেন না তাদেরকে ১০০%গ্যারান্টির সহিত চিকিৎসা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতারণা করে আসছেন দীর্ঘ দিন যাবৎ।বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) ও ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারি (বিডিএস) ডিগ্রির সনদ না থাকলেও অনিবন্ধিত এ চিকিৎসকরা রোগীর চিকিৎসার নামে তারা শুধু রোগীর সঙ্গে প্রতারণাই করছেন না একইসঙ্গে রোগীদের জীবন ঝুঁকির মধ্যেও ফেলছেন।
এমন সুনির্দিষ্ট উপাত্ত এর ভিত্তিতে সরজমিনে আশুলিয়ার শিমুলিয়ায়,বি.কে.এসপির পাশে মাজার রোডে বাদশা মিয়া সরদার এবং বাড়ইপাড়া স্ট্যান্ড এলাকায় মুহাঃহায়দার আলী নামে দুই অসৎ ব্যাক্তির সন্ধান পাওয়া যায়।
এসময় চটকধারী ব্যানারে বড় বড় অক্ষরে সাইনবোর্ডে দেখতে পাওয়া যায় বিভিন্ন রোগের ডাক্তার ও প্রভাষক হিসেবে সকল জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন তারা।লালমনি হোমিও হল চেম্বারের ভিতরে প্রবেশ করতেই ক্যামেরায় উঠে আসে মুহাঃ হায়দার আলী রোগী দেখে রোগীর প্রতিবেদন তৈরী করছেন এবং রোগীকে ২৪শত টাকার ঔষুধ হাতে ধরিয়ে দেওয়ার চিত্র।
মুহাঃ হায়দার আলী জানাযায়, ১৭ বছর ধরে ১০০% গ্যারান্টির সহিত তিনি চিকিৎসা দিয়ে আসছেন।অথচ, মুহাঃ হায়দার আলী/ভুয়া ডাক্তার তার কোন শিক্ষাগতসনদ দেখাতে না পারলেও তিনি, সাংবাদিকদের ঢাকা হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এর প্রভাষক হিসেবে পরিচয় দেয়।
এবিষয়ে ঢাকা হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের (শ্রীপুর,আশুলিয়ার) চেয়ারম্যান নামধারী লালন মিয়া মুঠো ফোনে গণমুক্তি”র সাংবাদিক-কে জানায় যে,,হায়দার আলী নামে অফিসিয়াল ভাবে কোন প্রভাষক নেই।
এদিকে বি.কেএসপির পাশে মাজার রোড এলাকায় ভুয়া চিকিৎসক বাদশা মিয়া সরদারের একই হাল।,তিনি আবার, নিজেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ঢাকা জেলার যুগ্ন আহ্বায়ক হিসাবে দাবী করেন।
এলাকার সাধারণ মানুষ ও সুশীল সমাজ এসব ভুয়া ডাক্তার থেকে পরিত্রান চায় এবং সঠিক তদন্ত করে ওদের মত ডাক্তারদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আশুলিয়ায় ভুয়া ডাক্তারের আধিপত্য

আপডেট সময় :

সকল রোগের চিকিৎসক সেজে সুদৃশ্যমান চেম্বার আর সাইনবোর্ডে হরেক রকম ডিগ্রি উলেখ্য করে আশুলিয়া ও তার আশপাশে ব্যাঙের ছাতার মত আধিপত্য বিস্তার ভুয়া ডাক্তারদের। চিকিৎসক হিসেবে এদের নেই কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা। অনেকে আবার মাধ্যমিক পাসও করেন নাই।অথচ,সাইবোর্ডে লিখে রেখেছেন ডাক্তার ও প্রভাষক।কান,গলা,চর্মরোগ,শ্বাসকষ্টোসহ যৌন রোগ হতে শুরু করে যে সব নারী মা হতে পারছেন না তাদেরকে ১০০%গ্যারান্টির সহিত চিকিৎসা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতারণা করে আসছেন দীর্ঘ দিন যাবৎ।বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) ও ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারি (বিডিএস) ডিগ্রির সনদ না থাকলেও অনিবন্ধিত এ চিকিৎসকরা রোগীর চিকিৎসার নামে তারা শুধু রোগীর সঙ্গে প্রতারণাই করছেন না একইসঙ্গে রোগীদের জীবন ঝুঁকির মধ্যেও ফেলছেন।
এমন সুনির্দিষ্ট উপাত্ত এর ভিত্তিতে সরজমিনে আশুলিয়ার শিমুলিয়ায়,বি.কে.এসপির পাশে মাজার রোডে বাদশা মিয়া সরদার এবং বাড়ইপাড়া স্ট্যান্ড এলাকায় মুহাঃহায়দার আলী নামে দুই অসৎ ব্যাক্তির সন্ধান পাওয়া যায়।
এসময় চটকধারী ব্যানারে বড় বড় অক্ষরে সাইনবোর্ডে দেখতে পাওয়া যায় বিভিন্ন রোগের ডাক্তার ও প্রভাষক হিসেবে সকল জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন তারা।লালমনি হোমিও হল চেম্বারের ভিতরে প্রবেশ করতেই ক্যামেরায় উঠে আসে মুহাঃ হায়দার আলী রোগী দেখে রোগীর প্রতিবেদন তৈরী করছেন এবং রোগীকে ২৪শত টাকার ঔষুধ হাতে ধরিয়ে দেওয়ার চিত্র।
মুহাঃ হায়দার আলী জানাযায়, ১৭ বছর ধরে ১০০% গ্যারান্টির সহিত তিনি চিকিৎসা দিয়ে আসছেন।অথচ, মুহাঃ হায়দার আলী/ভুয়া ডাক্তার তার কোন শিক্ষাগতসনদ দেখাতে না পারলেও তিনি, সাংবাদিকদের ঢাকা হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এর প্রভাষক হিসেবে পরিচয় দেয়।
এবিষয়ে ঢাকা হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের (শ্রীপুর,আশুলিয়ার) চেয়ারম্যান নামধারী লালন মিয়া মুঠো ফোনে গণমুক্তি”র সাংবাদিক-কে জানায় যে,,হায়দার আলী নামে অফিসিয়াল ভাবে কোন প্রভাষক নেই।
এদিকে বি.কেএসপির পাশে মাজার রোড এলাকায় ভুয়া চিকিৎসক বাদশা মিয়া সরদারের একই হাল।,তিনি আবার, নিজেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ঢাকা জেলার যুগ্ন আহ্বায়ক হিসাবে দাবী করেন।
এলাকার সাধারণ মানুষ ও সুশীল সমাজ এসব ভুয়া ডাক্তার থেকে পরিত্রান চায় এবং সঠিক তদন্ত করে ওদের মত ডাক্তারদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা কামনা করেন।