কয়লা ভিত্তিক রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র সুন্দরবনকে ধ্বংস করছে
- আপডেট সময় : ৩৭ বার পড়া হয়েছে
জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বিশ্বকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। জীবাশ্ম জ্বালানিমুক্ত ভবিষ্যৎ গড়া এবং ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর সময়ের দাবি। বর্তমানে যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। এর প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনে সরাসরি পড়ছে। বানিজ্য নয়, বাস্তব সমাধান করতে হবে। জ্বালানি ব্যবস্থা হতে হবে জনগণকেন্দ্রিক ও গণতান্ত্রিক। রোববার মোংলার নারিকেলতলা ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), পশুর রিভার ওয়াটারকিপার এবং ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ এর আয়োজনে মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা একথা বলেন। ২৮-২৯ এপ্রিল কলম্বিয়ার সান্তা মার্তায় গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলনকে লক্ষ্য করে “যুদ্ধ থামাও, পৃথিবী বাঁচাও” শীর্ষক নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তরের দাবিতে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় মানববন্ধন ও সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) এর কেন্দ্রীয় নেতা পশুর রিভার ওয়াটারকিপার পরিবেশযোদ্ধা মোঃ নূর আলম শেখ।
সমাবেশে বক্তৃতা করেন নারীনেত্রী ও নারী উদ্যোক্তা উম্মে রাফিয়া জাহান মিশু, ধরা’র নেতা ছবি হাজরা, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ’র এ্যাডলিনা পায়েল, সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’র মেহেদী হাসান প্রমূখ। প্রধান অতিথি ও সভাপতির বক্তব্যে মোঃ নূর আলম শেখ বলেন আমদানি নির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানি পরিহার করে ন্যায্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তর ঘটাতে হবে। জ্বালানি নিরাপত্তা ও জ্বালানি সার্বভৌম প্রতিষ্ঠায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প নেই। জীবাশ্ম জ্বালানিকে কেন্দ্র করে সারা বিশ্বে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। এর প্রভাবে খাদ্যের দাম বাড়ছে, কৃষি ও শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, শ্রমিকদের আয় কমে যাচ্ছে। মানুষের জীবন-জীবিকার উপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। সমাবেশে বক্তারা বলেন কয়লা ভিত্তিক রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনকে ধ্বংস করছে। বক্তারা রামপালে সরকারের ৪৪২ মেগাওয়াট সোলার বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানের উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। বক্তারা বলেন কেবলমাত্র পরিবেশ নয়; অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও মানুষের জীবন রক্ষায় জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে এসে ন্যায্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তর ঘটাতে হবে।


















