ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

চৈত্র সংক্রান্তি: পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে নববর্ষকে বরণের প্রস্তুতির দিন

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪ ৭৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বর্ষবরণ অসাম্প্রদায়িক উৎসব

চৈত্র সংক্রান্তি বাঙালি জাতির জীবনে গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। এদিন পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে বরণের প্রস্তুতির দিন। হিন্দু ধর্মাবলম্বিরা দিনটি নানা আচার আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালন করে থাকে।

আজ শনিবার (১৩ এপ্রিল) চৈত্র মাসের শেষ দিনটি। চৈত্র মাস শেষে রোববার (১৪ এপ্রিল) পালিত হবে পহেলা বৈশাখ, বাংলা নতুন বছর ১৪৩১।

ইতিহাস বলছে, চৈত্র সংক্রান্তি আবহমান বাংলার চিরায়ত নানা ঐতিহ্যকে ধারণ করে যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। বছরের শেষ দিন হিসেবে পুরাতনকে বিদায় এবং নতুন বছরকে বরণ করতে প্রতিবছরই চৈত্র সংক্রান্তি পালন হয়ে থাকে। চৈত্র সংক্রান্তিকে বিদায় জানিয়ে বাংলা নববর্ষ তথা পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের আয়োজন করা হয়ে থাকে।

বাংলা নববর্ষের ইতিহাস বলছে, গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে বাংলাদেশের প্রতি বছর ১৪ এপ্রিল বর্ষবরণ উৎসব পালিত হয়। বাংলা একাডেমি নির্ধারিত আধুনিক বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে দিন নির্দিষ্ট করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে চান্দ্রসৌর বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে ১৫ই এপ্রিল পহেলা বৈশাখ পালিত হয়।

বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সরকারি ছুটির দিন। বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা দিনটি নতুনভাবে ব্যবসা শুরু করার আয়োজন সম্পন্ন করে থাকেন।

পহেলা বৈশাখ বাংলাদেশে জাতীয় উৎসব হিসেবে পালিত হয়ে থাকে। সে হিসেবে বাঙালিদের একটি সর্বজনীন লোকউৎসব হিসাবে বিবেচিত। পহেলা বৈশাখ উদযাপনের শুরু হয়েছিল পুরান ঢাকার মুসলিম মাহিফরাস সম্প্রদায়ের হাতে।

ঢাকায় বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের অন্যতম হচ্ছে, মঙ্গল শোভাযাত্রা। চারুকলা থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়ে শিশু পার্ক, শাহবাগ মোড়, টিএসসি হয়ে ফের চারুকলা এসে শেষ হবে। বর্ষবরণের দিনে দেশের আনাচে-কানাচে নানা লোকজ উৎসবের আয়োজ করা হয়ে থাকে। এই দিনে বাঙালি মিশে যায় তার ঐতিহ্যের সঙ্গে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চৈত্র সংক্রান্তি: পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে নববর্ষকে বরণের প্রস্তুতির দিন

আপডেট সময় : ০৬:৩১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪

 

বর্ষবরণ অসাম্প্রদায়িক উৎসব

চৈত্র সংক্রান্তি বাঙালি জাতির জীবনে গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। এদিন পুরাতনকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরকে বরণের প্রস্তুতির দিন। হিন্দু ধর্মাবলম্বিরা দিনটি নানা আচার আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালন করে থাকে।

আজ শনিবার (১৩ এপ্রিল) চৈত্র মাসের শেষ দিনটি। চৈত্র মাস শেষে রোববার (১৪ এপ্রিল) পালিত হবে পহেলা বৈশাখ, বাংলা নতুন বছর ১৪৩১।

ইতিহাস বলছে, চৈত্র সংক্রান্তি আবহমান বাংলার চিরায়ত নানা ঐতিহ্যকে ধারণ করে যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। বছরের শেষ দিন হিসেবে পুরাতনকে বিদায় এবং নতুন বছরকে বরণ করতে প্রতিবছরই চৈত্র সংক্রান্তি পালন হয়ে থাকে। চৈত্র সংক্রান্তিকে বিদায় জানিয়ে বাংলা নববর্ষ তথা পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের আয়োজন করা হয়ে থাকে।

বাংলা নববর্ষের ইতিহাস বলছে, গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে বাংলাদেশের প্রতি বছর ১৪ এপ্রিল বর্ষবরণ উৎসব পালিত হয়। বাংলা একাডেমি নির্ধারিত আধুনিক বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে দিন নির্দিষ্ট করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে চান্দ্রসৌর বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে ১৫ই এপ্রিল পহেলা বৈশাখ পালিত হয়।

বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সরকারি ছুটির দিন। বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা দিনটি নতুনভাবে ব্যবসা শুরু করার আয়োজন সম্পন্ন করে থাকেন।

পহেলা বৈশাখ বাংলাদেশে জাতীয় উৎসব হিসেবে পালিত হয়ে থাকে। সে হিসেবে বাঙালিদের একটি সর্বজনীন লোকউৎসব হিসাবে বিবেচিত। পহেলা বৈশাখ উদযাপনের শুরু হয়েছিল পুরান ঢাকার মুসলিম মাহিফরাস সম্প্রদায়ের হাতে।

ঢাকায় বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের অন্যতম হচ্ছে, মঙ্গল শোভাযাত্রা। চারুকলা থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়ে শিশু পার্ক, শাহবাগ মোড়, টিএসসি হয়ে ফের চারুকলা এসে শেষ হবে। বর্ষবরণের দিনে দেশের আনাচে-কানাচে নানা লোকজ উৎসবের আয়োজ করা হয়ে থাকে। এই দিনে বাঙালি মিশে যায় তার ঐতিহ্যের সঙ্গে।