ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে পৃথক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৫ জনের

নুরে আলম শাহ, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন স্থানে শনিবার থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত পৃথক দুর্ঘটনায় শিশু ও নারীসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পানিতে ডুবে তিনজন এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই নারীর মৃত্যু হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নের দক্ষিণ নওপাড়া গ্রামে শনিবার বিকেলে বাড়ির উঠানে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় আড়াই বছরের শিশু মারুফ হোসেন। পরে বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয়। মারুফ ওই গ্রামের মোজাহারুল ইসলামের ছেলে।

একই দিন রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় এলাকায় পুকুরে গোসল করতে নেমে সোনিয়া খাতুন (১০) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু হয়। খাদিজাতুল কোবরা মহিলা মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে গোসল করতে গিয়ে সে গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সোনিয়া হরিপুর উপজেলার দামোল গ্রামের সোহেল রানার মেয়ে।

সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের কিসমত তেওয়ারীগাঁও গ্রামে ক্ষেতের কাজ শেষে ঢেপা নদী পার হওয়ার সময় স্রোতে তলিয়ে যান কৃষক কলেস চন্দ্র রায় (৪১)। রোববার ভোরে নদীর ঘাটে তার মরদেহ ভেসে ওঠে। তিনি ওই গ্রামের বুধারু বর্মনের ছেলে।

এ ছাড়া রুহিয়া উপজেলার মাধবপুর গ্রামে ঘরের টিনের বেড়া সরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রঞ্জনা রানী (৩৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি ইন্দ্রনাথ রায়ের স্ত্রী।

অন্যদিকে সদর উপজেলার রায়পুর আশ্রমপাড়া গ্রামে নির্মাণাধীন রান্নাঘরে কাজ করার সময় বৈদ্যুতিক পানির পাম্পের লিকেজ তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রীমতি বালা (৪২) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়। তিনি সুরেন বর্মনের স্ত্রী।

সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) ঘটনাগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, প্রতিটি ঘটনায় পৃথক অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঠাকুরগাঁওয়ে পৃথক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৫ জনের

আপডেট সময় :

ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন স্থানে শনিবার থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত পৃথক দুর্ঘটনায় শিশু ও নারীসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পানিতে ডুবে তিনজন এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই নারীর মৃত্যু হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নের দক্ষিণ নওপাড়া গ্রামে শনিবার বিকেলে বাড়ির উঠানে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় আড়াই বছরের শিশু মারুফ হোসেন। পরে বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয়। মারুফ ওই গ্রামের মোজাহারুল ইসলামের ছেলে।

একই দিন রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় এলাকায় পুকুরে গোসল করতে নেমে সোনিয়া খাতুন (১০) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু হয়। খাদিজাতুল কোবরা মহিলা মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে গোসল করতে গিয়ে সে গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সোনিয়া হরিপুর উপজেলার দামোল গ্রামের সোহেল রানার মেয়ে।

সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের কিসমত তেওয়ারীগাঁও গ্রামে ক্ষেতের কাজ শেষে ঢেপা নদী পার হওয়ার সময় স্রোতে তলিয়ে যান কৃষক কলেস চন্দ্র রায় (৪১)। রোববার ভোরে নদীর ঘাটে তার মরদেহ ভেসে ওঠে। তিনি ওই গ্রামের বুধারু বর্মনের ছেলে।

এ ছাড়া রুহিয়া উপজেলার মাধবপুর গ্রামে ঘরের টিনের বেড়া সরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রঞ্জনা রানী (৩৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি ইন্দ্রনাথ রায়ের স্ত্রী।

অন্যদিকে সদর উপজেলার রায়পুর আশ্রমপাড়া গ্রামে নির্মাণাধীন রান্নাঘরে কাজ করার সময় বৈদ্যুতিক পানির পাম্পের লিকেজ তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রীমতি বালা (৪২) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়। তিনি সুরেন বর্মনের স্ত্রী।

সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) ঘটনাগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, প্রতিটি ঘটনায় পৃথক অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।