ঢাকা ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

ধামরাইয়ে ভাঙা রাস্তা মেরামত করলেন সুজন মাহমুদ

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়া সড়ক ব্যক্তিগত উদ্যোগে মেরামত করেছেন ধামরাই থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও কুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সুজন মাহমুদ।
গতকাল শনিবার কুল্লা ইউনিয়নের আড়ালিয়া–সাভার সড়কের কয়েকটি ভাঙা অংশে ইটের খোয়া (ছাক) ও বালু-মাটি ফেলে তিনি রাস্তা সংস্কারের কাজ করেন।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। বিশেষ করে বিপরীত দিক থেকে দুইটি গাড়ি আসলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হতো। বর্ষা ও শীত মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠত।
এলাকাবাসী আরও বলেন, বারবার জনপ্রতিনিধিদের জানানো হলেও রাস্তা সংস্কারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এমন অবস্থায় সুজন মাহমুদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে সড়ক মেরামত করায় তারা সন্তোষ ও স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
এ বিষয়ে সুজন মাহমুদ বলেন, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। মানুষের যাতায়াতের কষ্ট লাঘব করাই আমার মূল লক্ষ্য। জনগণের প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কাজে পাশে থাকবো।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ধামরাইয়ে ভাঙা রাস্তা মেরামত করলেন সুজন মাহমুদ

আপডেট সময় :

ঢাকার ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়া সড়ক ব্যক্তিগত উদ্যোগে মেরামত করেছেন ধামরাই থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও কুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সুজন মাহমুদ।
গতকাল শনিবার কুল্লা ইউনিয়নের আড়ালিয়া–সাভার সড়কের কয়েকটি ভাঙা অংশে ইটের খোয়া (ছাক) ও বালু-মাটি ফেলে তিনি রাস্তা সংস্কারের কাজ করেন।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। বিশেষ করে বিপরীত দিক থেকে দুইটি গাড়ি আসলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হতো। বর্ষা ও শীত মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠত।
এলাকাবাসী আরও বলেন, বারবার জনপ্রতিনিধিদের জানানো হলেও রাস্তা সংস্কারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এমন অবস্থায় সুজন মাহমুদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে সড়ক মেরামত করায় তারা সন্তোষ ও স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
এ বিষয়ে সুজন মাহমুদ বলেন, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। মানুষের যাতায়াতের কষ্ট লাঘব করাই আমার মূল লক্ষ্য। জনগণের প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কাজে পাশে থাকবো।”