ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

নবাবগঞ্জে রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগ

দিনাজপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ৯ নম্বর কুশদহ ইউনিয়নে রহিমাপুর -হেয়াতপুর থেকে বাঘাডুবি ও ভবানীপুর পর্যন্ত এক কিমি রাস্তা গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন কাজে রাবিশের পরিবর্তে কাদা মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটির ভিত্তি নির্মাণে যেখানে প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী রাবিশ বা নির্ধারিত মানের উপকরণ ব্যবহার করার কথা, সেখানে কাদা মাটি দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এতে রাস্তার নির্মাণমান ও স্থায়িত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী
স্থানীয়দের দাবি, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করা হলে বর্ষা মৌসুমে সড়কটি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ বাড়বে। তাই দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে নির্মাণকাজে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী হোসেন আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে কাদা মাটি অপসারণের নির্দেশ দিয়েছি। নির্মাণকাজে প্রকল্পের নির্ধারিত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।
এদিকে, স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে তদারকি করে প্রকল্পের নির্ধারিত মান অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন নিশ্চিত করবে, যাতে ভবিষ্যতে সড়কটি টেকসই হয় এবং জনভোগান্তি সৃষ্টি না হয়।

 

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নবাবগঞ্জে রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় :

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ৯ নম্বর কুশদহ ইউনিয়নে রহিমাপুর -হেয়াতপুর থেকে বাঘাডুবি ও ভবানীপুর পর্যন্ত এক কিমি রাস্তা গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন কাজে রাবিশের পরিবর্তে কাদা মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটির ভিত্তি নির্মাণে যেখানে প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী রাবিশ বা নির্ধারিত মানের উপকরণ ব্যবহার করার কথা, সেখানে কাদা মাটি দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এতে রাস্তার নির্মাণমান ও স্থায়িত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী
স্থানীয়দের দাবি, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করা হলে বর্ষা মৌসুমে সড়কটি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ বাড়বে। তাই দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে নির্মাণকাজে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী হোসেন আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে কাদা মাটি অপসারণের নির্দেশ দিয়েছি। নির্মাণকাজে প্রকল্পের নির্ধারিত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।
এদিকে, স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে তদারকি করে প্রকল্পের নির্ধারিত মান অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন নিশ্চিত করবে, যাতে ভবিষ্যতে সড়কটি টেকসই হয় এবং জনভোগান্তি সৃষ্টি না হয়।