ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ প্রতিরক্ষা সামগ্রী উৎপাদনে যেতে চায় ভারত Logo প্রতি বছর ভারত থেকে ১ বিলিয়ন ডলারের বিদ্যুৎ আমদানি করবে বাংলাদেশ Logo ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা Logo ক্ষমতার ক্ষমতালোভ আ’লীগকে হিংস্র করে তুলেছে: মির্জা ফখরুল Logo বিজয়ী জাতি হিসেবে সারাবিশ্বে আমরা মাথা উঁচু করে চলতে চাই : প্রধানমন্ত্রী Logo আকাশে বাংলাদেশি অসুস্থ, নামতে দেয়নি মুম্বাই, নামলো করাচিতে Logo পর্যটনখাতে মালদ্বীপের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ Logo বাণিজ্য মেলাকে বহুমুখী করা হবে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী Logo দই বিক্রেতা সেই জিয়াউল হক পেলেন একুশে পদক Logo ঢাকায় সফরে আসছেন মার্কিন উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরিন

বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ ১১৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজসহ শীতকালীন সবজির বাজার চড়া রয়েছে। পেঁয়াজ ও শীতকালীন প্রতিটি সবজি কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। একই সঙ্গে ব্রয়লারসহ সব ধরনের মুরগি আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর তালতলা ও শেওড়াপাড়া বাজার ঘুরে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এতথ্য জানা গেছে। এসব বাজার ঘুরে দেখা যায়, নতুন পেঁয়াজ কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ দেশিটা (পুরাতন) ১২০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহে নতুন পেঁয়াজ ৭০ টাকা, দেশি (পুরাতন) ১০০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। আমদানি থাকলেও পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার কারণে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন পেঁয়াজ বিক্রেতারা। এসব বাজারে শীতকালীন সব সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। তবে নতুন আলুর ৫০ টাকা করে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

 

বাজারগুলোতে প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, শিম ৬০ থেকে ৮০ টাকা, ফুলকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বাঁধা কপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পাকা টমেটো প্রকারভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৫০ টাকা, কচুরমুখী ১০০ টাকা এবং গাজর ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার এসব বাজারে বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ১০০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকায়, খিরাই ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৭০ টাকা, প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৪০ টাকা, লেবুর হালি ২০ থেকে ৪০ টাকা, ধনে পাতা কেজি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়, জালি কুমড়া ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পেঁয়াজের ফুলকলি ৬০ টাকা ও কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারগুলোতে লাল শাক ১০ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৪০ টাকা, মূলা শাক ১০ থেকে ১৫ টাকা, পালং শাক ১৫ টাকা, কলমি শাক ১০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। চলতি সপ্তাহে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি। যা গত সপ্তাহে একই দামে বিক্রি হয়েছে। এসব বাজারে সোনালি, সোনালি হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগিও আগের দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজারগুলোতে সোনালি ৩০০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড ২৯০ টাকা, দেশি মুরগি ৫০০ থেকে ৫২০ টাকা কেজি, লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে গরুর মাংস কেজি প্রতি ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১০৫০-১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২০০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ৮০ টাকায়। গতকাল শুক্রবার এসব বাজারে মাছের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারগুলোতে ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকা, এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায়, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, মাগুর মাছ ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা, মৃগেল ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, পাঙ্গাস ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায়, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৯০০ টাকায়, কাতল ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায়, পোয়া মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২২০ টাকায়, কৈ মাছ ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৬০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, কাচকি মাছ ৬০০ টাকায়, পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকায়, রুপচাঁদা ১২০০ টাকা, বাইম মাছ ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, দেশি কই ১০০০ টাকা, মেনি মাছ ৭০০ টাকা, সোল মাছ ৬০০ থেকে ১০০০টাকা, আইড় মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং কাইকলা মাছ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ছুটির দিনে বাজার করতে এসেছেন উজ্জ্বল হাসান। তিনি বলেন, এখন কোনো কারণ ছাড়াই বাজারে সব কিছুর দাম বেশি। বাজারে নতুন পেঁয়াজ, সবজি মাছেরও কমতি নেই এরপরও কোনো কিছুর দাম কমে না। নিয়মিত বাজার মনিটরিং-এর ব্যবস্থা না করা গেলে মনে হয় না, কোনো কিছুর দামই মানুষের নাগালের মধ্যে থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪

সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজসহ শীতকালীন সবজির বাজার চড়া রয়েছে। পেঁয়াজ ও শীতকালীন প্রতিটি সবজি কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। একই সঙ্গে ব্রয়লারসহ সব ধরনের মুরগি আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর তালতলা ও শেওড়াপাড়া বাজার ঘুরে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এতথ্য জানা গেছে। এসব বাজার ঘুরে দেখা যায়, নতুন পেঁয়াজ কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ দেশিটা (পুরাতন) ১২০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহে নতুন পেঁয়াজ ৭০ টাকা, দেশি (পুরাতন) ১০০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। আমদানি থাকলেও পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার কারণে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন পেঁয়াজ বিক্রেতারা। এসব বাজারে শীতকালীন সব সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। তবে নতুন আলুর ৫০ টাকা করে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

 

বাজারগুলোতে প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, শিম ৬০ থেকে ৮০ টাকা, ফুলকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বাঁধা কপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পাকা টমেটো প্রকারভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৫০ টাকা, কচুরমুখী ১০০ টাকা এবং গাজর ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার এসব বাজারে বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ১০০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকায়, খিরাই ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৭০ টাকা, প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৪০ টাকা, লেবুর হালি ২০ থেকে ৪০ টাকা, ধনে পাতা কেজি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়, জালি কুমড়া ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পেঁয়াজের ফুলকলি ৬০ টাকা ও কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারগুলোতে লাল শাক ১০ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৪০ টাকা, মূলা শাক ১০ থেকে ১৫ টাকা, পালং শাক ১৫ টাকা, কলমি শাক ১০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। চলতি সপ্তাহে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি। যা গত সপ্তাহে একই দামে বিক্রি হয়েছে। এসব বাজারে সোনালি, সোনালি হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগিও আগের দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজারগুলোতে সোনালি ৩০০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড ২৯০ টাকা, দেশি মুরগি ৫০০ থেকে ৫২০ টাকা কেজি, লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে গরুর মাংস কেজি প্রতি ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১০৫০-১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়, হাঁসের ডিম ২০০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ৮০ টাকায়। গতকাল শুক্রবার এসব বাজারে মাছের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারগুলোতে ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকা, এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায়, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, মাগুর মাছ ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা, মৃগেল ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, পাঙ্গাস ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায়, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৯০০ টাকায়, কাতল ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায়, পোয়া মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২২০ টাকায়, কৈ মাছ ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৬০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, কাচকি মাছ ৬০০ টাকায়, পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকায়, রুপচাঁদা ১২০০ টাকা, বাইম মাছ ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা, দেশি কই ১০০০ টাকা, মেনি মাছ ৭০০ টাকা, সোল মাছ ৬০০ থেকে ১০০০টাকা, আইড় মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং কাইকলা মাছ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ছুটির দিনে বাজার করতে এসেছেন উজ্জ্বল হাসান। তিনি বলেন, এখন কোনো কারণ ছাড়াই বাজারে সব কিছুর দাম বেশি। বাজারে নতুন পেঁয়াজ, সবজি মাছেরও কমতি নেই এরপরও কোনো কিছুর দাম কমে না। নিয়মিত বাজার মনিটরিং-এর ব্যবস্থা না করা গেলে মনে হয় না, কোনো কিছুর দামই মানুষের নাগালের মধ্যে থাকবে।