ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশ করল চীনের ইনসুলিন

ফয়সল আবদুল্লাহ
  • আপডেট সময় : ৯১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চীনের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সানশাইন লেক ফার্মা প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের কাছ থেকে দীর্ঘমেয়াদি ইনসুলিনের অনুমোদন পেয়েছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ইনসুলিন বাজারে প্রবেশ করল চীনা কোম্পানি। চীনের বায়োফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটি সোমবার জানায়, তাদের তৈরি ইনসুলিন গ্লারজিন ইনজেকশন লাংলারা এফডিএ অনুমোদন পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এটি চতুর্থ ইনসুলিন গ্লারজিন পণ্য। এখন এই বাজারে ওষুধ সরবরাহ করছে নভো নরডিস্ক, সানোফি এবং এলি লিলি অ্যান্ড কোম্পানি।
ওষুধটি ‘ইন্টারচেঞ্জেবল’ বায়োসিমিলার হিসেবে অনুমোদন পেয়েছে। অর্থাৎ, চিকিৎসকের নতুন প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ফার্মাসিস্টরা এটি ব্র্যান্ডেড ইনসুলিনের বিকল্প হিসেবে দিতে পারবেন। মার্কিন অংশীদার ল্যানেট কোম্পানি ইতোমধ্যে অন্তত ১ কোটি ৮০ লাখ ভায়ালের প্রাথমিক অর্ডার দিয়েছে, যা ১৮ মাসে সরবরাহ করা হবে।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইনসুলিন বাজার যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে প্রতিবছর এ খাতে কয়েকশ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়। দীর্ঘদিন ধরে এই বাজার বহুজাতিক তিন কোম্পানির দখলে ছিল।
২০০৮ সালে ইনসুলিন গবেষণা শুরু করা সানশাইন লেক ফার্মা এ খাতে ইতোমধ্যে ২০০ কোটি ইউয়ানের বেশি বিনিয়োগ করেছে। তাদের ইনসুলিন পণ্য সংযুক্ত আরব আমিরাত, আলজেরিয়া ও মালিসহ বিভিন্ন দেশে অনুমোদন পেয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্য, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাজার বিস্তার করেছে।

সিএমজি

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশ করল চীনের ইনসুলিন

আপডেট সময় :

চীনের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সানশাইন লেক ফার্মা প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের কাছ থেকে দীর্ঘমেয়াদি ইনসুলিনের অনুমোদন পেয়েছে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ইনসুলিন বাজারে প্রবেশ করল চীনা কোম্পানি। চীনের বায়োফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটি সোমবার জানায়, তাদের তৈরি ইনসুলিন গ্লারজিন ইনজেকশন লাংলারা এফডিএ অনুমোদন পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এটি চতুর্থ ইনসুলিন গ্লারজিন পণ্য। এখন এই বাজারে ওষুধ সরবরাহ করছে নভো নরডিস্ক, সানোফি এবং এলি লিলি অ্যান্ড কোম্পানি।
ওষুধটি ‘ইন্টারচেঞ্জেবল’ বায়োসিমিলার হিসেবে অনুমোদন পেয়েছে। অর্থাৎ, চিকিৎসকের নতুন প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ফার্মাসিস্টরা এটি ব্র্যান্ডেড ইনসুলিনের বিকল্প হিসেবে দিতে পারবেন। মার্কিন অংশীদার ল্যানেট কোম্পানি ইতোমধ্যে অন্তত ১ কোটি ৮০ লাখ ভায়ালের প্রাথমিক অর্ডার দিয়েছে, যা ১৮ মাসে সরবরাহ করা হবে।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইনসুলিন বাজার যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে প্রতিবছর এ খাতে কয়েকশ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়। দীর্ঘদিন ধরে এই বাজার বহুজাতিক তিন কোম্পানির দখলে ছিল।
২০০৮ সালে ইনসুলিন গবেষণা শুরু করা সানশাইন লেক ফার্মা এ খাতে ইতোমধ্যে ২০০ কোটি ইউয়ানের বেশি বিনিয়োগ করেছে। তাদের ইনসুলিন পণ্য সংযুক্ত আরব আমিরাত, আলজেরিয়া ও মালিসহ বিভিন্ন দেশে অনুমোদন পেয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্য, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাজার বিস্তার করেছে।

সিএমজি