লালপুরে তিন কোটি টাকার ১৭৯ প্রকল্প বাস্তবায়ন
- আপডেট সময় : ২৯ বার পড়া হয়েছে
নাটোরের লালপুর উপজেলায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা), কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ও টিআর কর্মসূচির মাধ্যমে গৃহিত উন্নয়ন প্রকল্প এবং এডিপিতে উন্নয়ন সহায়তা থোক বরাদ্দ হতে গৃহীত প্রকল্পে অনিয়ম দুর্নীতি রোধে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুল বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তিনি নিজ নিজ এলাকার কাজ বুঝে নেওয়ার জন্য প্রকল্পের শুরু থেকেই জনসাধারণকে আহবান জানান। পাশাপাশি বিশেষ প্রকল্প মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশনা প্রদান করেন। পরে সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ছাড়াও বেসরকারী ব্যক্তিদের নিয়ে বিশেষ প্রকল্প মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়।
জানাগেছে এ অর্থ বছরে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দ থেকে ১৭৯ টি প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্টান, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান, কাঁচা রাস্তা সংস্কার ও রাস্তা এইচবিবি (হেরিংবোন বন্ড) করা হয়েছে এর মধ্যে ১৬৩ টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় এবং ১৬ টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়। প্রকল্প সমুহ বাস্তবায়নে নগদ ২ কোটি ৮৮ লক্ষ, ৮৬ হাজার ৫৩ টাকা এবং ৬৯.৩৫০ মে.টন চাল ও ৭০.৩৫০ মে.টন গম ব্যায় হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমুহ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহ জানান, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ছাড়াও বেসরকারী ব্যক্তিদের নিয়ে বিশেষ প্রকল্প মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১০ টি ইউনিয়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির, গোরস্থান, স্মশানঘাট, কাঁচা রাস্তা সংস্কার ও কাঁচা রাস্তা এইচবিবি করণ প্রকল্প পরিদর্শন কাজের মানের সঠিকতা যাচাই করেন এবং নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার হয়ে থাকলে তা পরিবর্তনে ঠিকাদারদের বাধ্য করেন।
স্থানীয়রা জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজে কঠোর নজরদারী থাকায় ঠিকাদাররা কাজে অনিয়ম করার সাহস পাননি। বিশেষ প্রকল্প মনিটরিং কমিটি এইচবিবি রাস্তার ইট তুলে বালু ও নিচের স্তরে ঠিকমত ইট দেওয়া হয়েছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করেছেন। প্রতিমন্ত্রীর এধরনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান তারা।
বিশেষ প্রকল্প মনিটরিং কমিটির সদস্য শাহিনুর রহমান জানান, আমরা বিভিন্ন প্রকল্প প্ররিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী মহোদয়কে প্রতিদিনের আপডেট জানিয়েছি।
ঠিকাদার কাওছার হোসেন জানান, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশ মেনে আমরা সাধ্যমত ভালো কাজ করার চেষ্টা করেছি।
উপজেলা প্রকৌশলী আওলাদ হোসেন জানান, প্রকল্প সমুহের কাজ নিয়মানুযায়ী শতভাগ নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান জানান, প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশ মত সঠিকভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নে নিয়মিত তদারকি করেছি।
সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল বলেন, এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ডে কোন প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি মেনে নেওয়া হবে না। যে কোন প্রকার অনিয়ম দুর্নীতি প্রমানিত হলে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনগণের হক কাউকে আত্মসাৎ করতে দেওয়া হবে না।

















