ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

শাক দিয়ে মাছ ঢাকা?

হালিম মোহাম্মদ
  • আপডেট সময় : ২৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এবার নিরাপত্তা ঝুঁকির অজুহাত তৈরি করে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় নাগরিকদের সড়িয়ে নিচ্ছে দেশটি। গত শনিবার সকালে বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের (বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড বিআইএফপিসিএল) ভারতীয় ৯ কর্মকর্তা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই দেশ ত্যাগ করেছেন। পূর্বানুমতি ছাড়া এভাবে চলে যাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি তাৎক্ষণিক বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।
এছাড়া নিরাপত্তায় ঘাটতি থাকায় সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে ভারত। ক্রমান্বয়ে এ পকিয়া চলমান থাকছে বলেও জানা গেছে। নিরাপত্তা বিবেচনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত নিজ দেশের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেবে ভারত। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে ঢাকার হাইকমিশন এবং চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটের চারটি মিশন খোলা থাকবে। কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবে চলবে। হিন্দুটাইমস গনমাধ্যম জানিয়েছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত বাগের হাটের রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভারতীয় ৯ কর্মকর্তার দেশত্যাগ করেছেন। তারা ইতোমধ্যে তাদের মাতৃভুমি বা নিজস্ব সেফহোমে অবস্থান করার তথ্য পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের (বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড বিআইএফপিসিএল) ভারতীয় ৯ কর্মকর্তা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই দেশ ত্যাগ করেছেন। পূর্বানুমতি ছাড়া এভাবে চলে যাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি তাৎক্ষণিক বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।
প্ল্যান্ট সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সকালে খাবারের টেবিলে ওই কর্মকর্তাদের না পেয়ে কর্তৃপক্ষ খোঁজখবর নিতে শুরু করে। একপর্যায়ে জানেন তারা কাউকে না জানিয়েই প্ল্যান্ট থেকে বের হয়ে গেছেন। এদিন দুপুরের দিকে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে তাদের ভারতে ঢোকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। এরপর প্রকল্প পরিচালক রামানাথ পুজারীকে বিষয়টি জানানো হলে তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান নিরাপত্তাহীনতায় তারা বাংলাদেশ ছেড়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট এলাকায় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসারসহ চার স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এভাবে চলে যাওয়াটি রহস্যজনক। চলে যাওয়ার আগে তারা কখনোই নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো অভিযোগ বা উদ্বেগের কথা কর্তৃপক্ষকে জানাননি। এমন ঠুনকো অজুহাতে হুট করে দেশ ত্যাগ করায় কর্তৃপক্ষ বিস্মিত।
চলে যাওয়া ৯ কর্মকর্তা হলেন, ন্যাশনালথারর্মার পাওয়ার কোম্পানির ( এনটিপিসি) ভারত থেকে পেশনে পাওয়ার প্লান্ট মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট এর কর্মরত, জি এম সিউজ প্রতিম বর্মন, জিএম বিশ্বজিৎ ম-ল, জিএম এন-সুরায়া প্রকসা রায়, এজি এম কেসাবা পলাকী ডিজিএম সুরেয়া কান্ত মন্দেকার, ডিজি এম সুরেন্দ্র লম্বা এ জি এম পাপ্পু লাল মিনা, ডিজি এম অর্নিবান সাহা সিএফ ও ইমানুয়েল পনরাজ দেবরাজ।
এবিষয়ে বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) আনোয়ারুল আজিম বলেন, ‘সকালে ডাইনিংয়ে তাদের না পাওয়ায় খোঁজ নিয়ে জানতে পারি তারা অনুমতি ছাড়াই ভারতে চলে গেছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কী কারণে তারা এভাবে চলে গেলেন, তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অপরদিকে একই কারণে বাংলাদেশে নিযুক্ত কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেয়া শুরু করেছে ভারত। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, নিরাপত্তা বিবেচনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত নিজ দেশের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে ঢাকার হাইকমিশন এবং চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটের চারটি মিশন খোলা থাকবে। কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবে চলবে।
সূত্রের তথ্য মতে, নিরাপত্তা বিবেচনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত নিজ দেশের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেবে ভারত। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে ঢাকার হাইকমিশন এবং চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটের চারটি মিশন খোলা থাকবে। কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবে চলবে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, সব কূটনীতিকই বাংলাদেশে অবস্থান করছেন, শুধু তাদের পরিবারের সদস্যরা ফিরে যাচ্ছেন। এছাড়া কিছু কর্মকর্তা তাদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ফিরে যাচ্ছেন আর কিছু কর্মকর্তা পরিবারকে দেশে পাঠাচ্ছেন।
এবিষয়ে ভারতের গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় হাইকমিশন, সহকারী হাইকমিশন ও সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর খোলা থাকবে এবং স্বাভাবিক কাজকর্ম চলবে। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সব ভারতীয় কূটনীতিক ও কর্মকর্তার পরিবারের সদস্যদের ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে ভারতের প্রধান দূতাবাস বা হাইকমিশন রাজধানী ঢাকায়। এছাড়া খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে সহকারী হাইকমিশন রয়েছে। সব জায়গা থেকেই পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এই ফিওে নিয়ে যাওয়ার ধারাবাহিকতা চলমান থাকছে। বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয় ব্যবসায়ী, ভিআইপি এবং সিআইপিদের নিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে, এমন কারণ দেখিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের স্বদেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয় শীর্ষ নাগরিকদের ভারতে ফিরিয়ে নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শাক দিয়ে মাছ ঢাকা?

আপডেট সময় :

এবার নিরাপত্তা ঝুঁকির অজুহাত তৈরি করে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় নাগরিকদের সড়িয়ে নিচ্ছে দেশটি। গত শনিবার সকালে বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের (বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড বিআইএফপিসিএল) ভারতীয় ৯ কর্মকর্তা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই দেশ ত্যাগ করেছেন। পূর্বানুমতি ছাড়া এভাবে চলে যাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি তাৎক্ষণিক বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।
এছাড়া নিরাপত্তায় ঘাটতি থাকায় সম্প্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে ভারত। ক্রমান্বয়ে এ পকিয়া চলমান থাকছে বলেও জানা গেছে। নিরাপত্তা বিবেচনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত নিজ দেশের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেবে ভারত। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে ঢাকার হাইকমিশন এবং চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটের চারটি মিশন খোলা থাকবে। কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবে চলবে। হিন্দুটাইমস গনমাধ্যম জানিয়েছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত বাগের হাটের রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভারতীয় ৯ কর্মকর্তার দেশত্যাগ করেছেন। তারা ইতোমধ্যে তাদের মাতৃভুমি বা নিজস্ব সেফহোমে অবস্থান করার তথ্য পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের (বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড বিআইএফপিসিএল) ভারতীয় ৯ কর্মকর্তা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই দেশ ত্যাগ করেছেন। পূর্বানুমতি ছাড়া এভাবে চলে যাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি তাৎক্ষণিক বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।
প্ল্যান্ট সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সকালে খাবারের টেবিলে ওই কর্মকর্তাদের না পেয়ে কর্তৃপক্ষ খোঁজখবর নিতে শুরু করে। একপর্যায়ে জানেন তারা কাউকে না জানিয়েই প্ল্যান্ট থেকে বের হয়ে গেছেন। এদিন দুপুরের দিকে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে তাদের ভারতে ঢোকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। এরপর প্রকল্প পরিচালক রামানাথ পুজারীকে বিষয়টি জানানো হলে তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানান নিরাপত্তাহীনতায় তারা বাংলাদেশ ছেড়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট এলাকায় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসারসহ চার স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এভাবে চলে যাওয়াটি রহস্যজনক। চলে যাওয়ার আগে তারা কখনোই নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো অভিযোগ বা উদ্বেগের কথা কর্তৃপক্ষকে জানাননি। এমন ঠুনকো অজুহাতে হুট করে দেশ ত্যাগ করায় কর্তৃপক্ষ বিস্মিত।
চলে যাওয়া ৯ কর্মকর্তা হলেন, ন্যাশনালথারর্মার পাওয়ার কোম্পানির ( এনটিপিসি) ভারত থেকে পেশনে পাওয়ার প্লান্ট মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট এর কর্মরত, জি এম সিউজ প্রতিম বর্মন, জিএম বিশ্বজিৎ ম-ল, জিএম এন-সুরায়া প্রকসা রায়, এজি এম কেসাবা পলাকী ডিজিএম সুরেয়া কান্ত মন্দেকার, ডিজি এম সুরেন্দ্র লম্বা এ জি এম পাপ্পু লাল মিনা, ডিজি এম অর্নিবান সাহা সিএফ ও ইমানুয়েল পনরাজ দেবরাজ।
এবিষয়ে বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) আনোয়ারুল আজিম বলেন, ‘সকালে ডাইনিংয়ে তাদের না পাওয়ায় খোঁজ নিয়ে জানতে পারি তারা অনুমতি ছাড়াই ভারতে চলে গেছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কী কারণে তারা এভাবে চলে গেলেন, তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অপরদিকে একই কারণে বাংলাদেশে নিযুক্ত কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেয়া শুরু করেছে ভারত। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, নিরাপত্তা বিবেচনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত নিজ দেশের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে ঢাকার হাইকমিশন এবং চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটের চারটি মিশন খোলা থাকবে। কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবে চলবে।
সূত্রের তথ্য মতে, নিরাপত্তা বিবেচনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত নিজ দেশের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেবে ভারত। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে ঢাকার হাইকমিশন এবং চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটের চারটি মিশন খোলা থাকবে। কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবে চলবে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, সব কূটনীতিকই বাংলাদেশে অবস্থান করছেন, শুধু তাদের পরিবারের সদস্যরা ফিরে যাচ্ছেন। এছাড়া কিছু কর্মকর্তা তাদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ফিরে যাচ্ছেন আর কিছু কর্মকর্তা পরিবারকে দেশে পাঠাচ্ছেন।
এবিষয়ে ভারতের গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় হাইকমিশন, সহকারী হাইকমিশন ও সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর খোলা থাকবে এবং স্বাভাবিক কাজকর্ম চলবে। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সব ভারতীয় কূটনীতিক ও কর্মকর্তার পরিবারের সদস্যদের ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে ভারতের প্রধান দূতাবাস বা হাইকমিশন রাজধানী ঢাকায়। এছাড়া খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে সহকারী হাইকমিশন রয়েছে। সব জায়গা থেকেই পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এই ফিওে নিয়ে যাওয়ার ধারাবাহিকতা চলমান থাকছে। বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয় ব্যবসায়ী, ভিআইপি এবং সিআইপিদের নিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে, এমন কারণ দেখিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের স্বদেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয় শীর্ষ নাগরিকদের ভারতে ফিরিয়ে নেয়া হবে।