ঢাকা ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

শ্রমিক অধিকার নিশ্চিতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ বাড়ছে: বাণিজ্য সচিব

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪ ৫১ বার পড়া হয়েছে

বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ। ফাইল ছবি

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বাংলাদেশের শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ফের বাড়ছে। বাংলাদেশের শ্রম আইনের আরও সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে ট্রেড ইউনিয়ন করতে শ্রমিকদের মতামতকে গ্রাহ্য করা জরুরি বলেও মতামত তাদের।

রোববার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়ক দপ্তর ইউনাইটেড স্টেটস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভের (ইউএসটিআর) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ।

পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা চায় বাংলাদেশ জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ পোশাক শিল্পের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রে অন্য পণ্য রপ্তানি করতে চায়। এ ব্যাপারে ইউএসটিআর প্রতিনিধিরা বলেছেন, এগুলো তাদের দেশের সরকারের সিদ্ধান্তের ব্যাপার।

বাণিজ্য সচিব বলেন, সামনে নির্বাচন হওয়ায় এখন জিএসপি সুবিধার বিষয়ে কতটা কাজ করা যাবে, তা এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না বলেও জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শ্রমিক অধিকার নিশ্চিতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ বাড়ছে: বাণিজ্য সচিব

আপডেট সময় : ০৮:৩৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

 

বাংলাদেশের শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ফের বাড়ছে। বাংলাদেশের শ্রম আইনের আরও সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে ট্রেড ইউনিয়ন করতে শ্রমিকদের মতামতকে গ্রাহ্য করা জরুরি বলেও মতামত তাদের।

রোববার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়ক দপ্তর ইউনাইটেড স্টেটস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভের (ইউএসটিআর) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ।

পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা চায় বাংলাদেশ জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ পোশাক শিল্পের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রে অন্য পণ্য রপ্তানি করতে চায়। এ ব্যাপারে ইউএসটিআর প্রতিনিধিরা বলেছেন, এগুলো তাদের দেশের সরকারের সিদ্ধান্তের ব্যাপার।

বাণিজ্য সচিব বলেন, সামনে নির্বাচন হওয়ায় এখন জিএসপি সুবিধার বিষয়ে কতটা কাজ করা যাবে, তা এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না বলেও জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা।