ঢাকা ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করলো ভারত

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৪:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪ ১৬২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

লোকসভা ভোটের তফসিল ঘোষণার আগেই সোমবার সন্ধ্যায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে সিএএ চালুর কথা জানালো ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

আইন পাস হওয়ার চার বছর পর সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) চালু হলো ভারতে।

২০১৯ সালে মোদির সরকারের পাস করা এই আইনে বলা হয়, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মতো মুসলিম ধর্মাবলম্বী দেশ থেকে যদি সে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা (হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন ও পার্সি) ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে এ দেশে আশ্রয় চান, তা হলে নাগরিকত্ব দেবে ভারত।

সংসদের দু’কক্ষে পাশ হওয়ার পরে দেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অনুমোদন দিয়েছিলেন সিএএ বিলে। কিন্তু এত দিন ধরে সিএএ কার্যকর করা নিয়ে কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি ভারত সরকার।

আইনের আওতায় ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে যেসব হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন ও পার্সিধর্মীয় সংখ্যালঘু সাম্প্রদায়িক নির্যাতন ও নিপীড়নের কারণে ভারতে এসেছে, তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তি জারি করার ফলে মঙ্গলবার (১২ মার্চ) থেকেই তিন দেশ থেকে ভারতে আসা বাসিন্দারা নাগরিকত্ব পেতে অনলাইনে আবেদন জানাতে পারবে।

পশ্চিমবঙ্গে এই আইনের ব্যাপক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদিও বলেছেন, রাজ্যে কিছুতেই সিএএ চালু হতে দেওয়া হবে না।

২০১৯-এ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) পাসের পর থেকেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছিল বিক্ষোভ। এমনকি দাঙ্গাও বাঁধে দিল্লিতে। ২০২০ সালেও সিএএ বিরোধী ঝড় অব্যাহত থাকে।
পাস হওয়ার চার বছর পর সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) চালু হলো ভারতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করলো ভারত

আপডেট সময় : ০৪:৫৪:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪

 

লোকসভা ভোটের তফসিল ঘোষণার আগেই সোমবার সন্ধ্যায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে সিএএ চালুর কথা জানালো ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

আইন পাস হওয়ার চার বছর পর সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) চালু হলো ভারতে।

২০১৯ সালে মোদির সরকারের পাস করা এই আইনে বলা হয়, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মতো মুসলিম ধর্মাবলম্বী দেশ থেকে যদি সে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা (হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন ও পার্সি) ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে এ দেশে আশ্রয় চান, তা হলে নাগরিকত্ব দেবে ভারত।

সংসদের দু’কক্ষে পাশ হওয়ার পরে দেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অনুমোদন দিয়েছিলেন সিএএ বিলে। কিন্তু এত দিন ধরে সিএএ কার্যকর করা নিয়ে কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি ভারত সরকার।

আইনের আওতায় ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে যেসব হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন ও পার্সিধর্মীয় সংখ্যালঘু সাম্প্রদায়িক নির্যাতন ও নিপীড়নের কারণে ভারতে এসেছে, তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তি জারি করার ফলে মঙ্গলবার (১২ মার্চ) থেকেই তিন দেশ থেকে ভারতে আসা বাসিন্দারা নাগরিকত্ব পেতে অনলাইনে আবেদন জানাতে পারবে।

পশ্চিমবঙ্গে এই আইনের ব্যাপক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদিও বলেছেন, রাজ্যে কিছুতেই সিএএ চালু হতে দেওয়া হবে না।

২০১৯-এ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) পাসের পর থেকেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছিল বিক্ষোভ। এমনকি দাঙ্গাও বাঁধে দিল্লিতে। ২০২০ সালেও সিএএ বিরোধী ঝড় অব্যাহত থাকে।
পাস হওয়ার চার বছর পর সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) চালু হলো ভারতে।