ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪
সংবাদ শিরোনাম ::

সভ্য দেশে নাগরিককে পশুর মতো খাঁচায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়: মন্তব্য ইউনূসের

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪ ৫৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নোবেলজয়ী অর্থনীবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস মন্তব্য করেছেন, সভ্য দেশের নাগরিককে কেন পশুর মতো খাঁচায় দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।

ড. ইউনূস বলেন, আজকে সারাক্ষণ খাঁচার ভেতর ছিলাম। আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত খাঁচার ভেতরে রাখা ন্যায্য হলো কি না? এটা আমার কাছে গর্হিত কাজ মনে হয়। এ বিষয়ে সবাই আওয়াজ তুলুন। আমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না বিষয়টা তা নয়। একটি সভ্য দেশের নাগরিককে কেন পশুর মতো দাঁড়িয়ে থাকতে হবে? যেখানে বিচার শুরু হয়নি।

বুধবার (১২ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক সৈয়দ আরাফাত হোসেন ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে তাদের অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। ড. ইউনূস আদালত থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

আদালতে বলা হয়েছিলো ড. ইউনূস ছাড়া অন্য আসামিদের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে। এসময় ড. ইউনূস নিজেই কাঠগড়ায় গিয়ে দাঁড়ান। মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বলেন, যারা আইনজ্ঞ আছেন, তারা বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবেন। সারা পৃথিবীতে যে সভ্য দেশগুলো আছে, আমরা তাদের মধ্যে পড়ি কি না এটাও বিবেচনা করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন ইউনূস।

এসময় ড. ইউনূস দাবি করেন, আমাকে নানা ধরনের কথা বলে হয়রানি করা হচ্ছে। এ বিষয়গুলো আমি বারবার বলেছি। আমাকে বলা হচ্ছে, সুদখোর, অর্থ আত্মসাৎকারী। আমি নাকি পদ্মা সেতুর টাকা আটকিয়ে দিয়েছি। এসব কথা বারবার বলা হচ্ছে। এভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। আমাকে ২০১১ সালেই বলা হয়েছিল রাজনৈতিক দল গঠনের বিষয়ে। আমি বারবার বলেছি এটা আমার বিষয় না। আমি রাজনৈতিক দল গঠন করবো না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সভ্য দেশে নাগরিককে পশুর মতো খাঁচায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়: মন্তব্য ইউনূসের

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪

 

নোবেলজয়ী অর্থনীবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস মন্তব্য করেছেন, সভ্য দেশের নাগরিককে কেন পশুর মতো খাঁচায় দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।

ড. ইউনূস বলেন, আজকে সারাক্ষণ খাঁচার ভেতর ছিলাম। আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত খাঁচার ভেতরে রাখা ন্যায্য হলো কি না? এটা আমার কাছে গর্হিত কাজ মনে হয়। এ বিষয়ে সবাই আওয়াজ তুলুন। আমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না বিষয়টা তা নয়। একটি সভ্য দেশের নাগরিককে কেন পশুর মতো দাঁড়িয়ে থাকতে হবে? যেখানে বিচার শুরু হয়নি।

বুধবার (১২ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক সৈয়দ আরাফাত হোসেন ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে তাদের অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। ড. ইউনূস আদালত থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

আদালতে বলা হয়েছিলো ড. ইউনূস ছাড়া অন্য আসামিদের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে। এসময় ড. ইউনূস নিজেই কাঠগড়ায় গিয়ে দাঁড়ান। মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বলেন, যারা আইনজ্ঞ আছেন, তারা বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবেন। সারা পৃথিবীতে যে সভ্য দেশগুলো আছে, আমরা তাদের মধ্যে পড়ি কি না এটাও বিবেচনা করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন ইউনূস।

এসময় ড. ইউনূস দাবি করেন, আমাকে নানা ধরনের কথা বলে হয়রানি করা হচ্ছে। এ বিষয়গুলো আমি বারবার বলেছি। আমাকে বলা হচ্ছে, সুদখোর, অর্থ আত্মসাৎকারী। আমি নাকি পদ্মা সেতুর টাকা আটকিয়ে দিয়েছি। এসব কথা বারবার বলা হচ্ছে। এভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। আমাকে ২০১১ সালেই বলা হয়েছিল রাজনৈতিক দল গঠনের বিষয়ে। আমি বারবার বলেছি এটা আমার বিষয় না। আমি রাজনৈতিক দল গঠন করবো না।