টেকনাফ উপজেলা প্রেস ক্লাব
সাধারণ সম্পাদক ও অর্থ সম্পাদক এর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ৩৩ বার পড়া হয়েছে
টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ রহমান এবং অর্থ সম্পাদক মোজাম্মেল হক-এর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কথিত অপপ্রচারকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও মানহানিকর দাবি করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় সচেতন মহল।প্রতিবাদে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে ফরহাদ রহমান ও মোজাম্মেল হক টেকনাফে বস্তুনিষ্ঠ, দায়িত্বশীল ও জনস্বার্থভিত্তিক সাংবাদিকতা করে আসছেন। বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা, দুর্নীতি, মাদক, চাঁদাবাজি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়,কক্সবাজার – টেকনাফে দীর্ঘদিন ধরে কিছু কথিত সাংবাদিক সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে বলে বিভিন্ন সময় অভিযোগ উঠে এসেছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে একজন কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ, নিজেকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রভাবশালী সূত্র পরিচয় দেওয়া এবং প্রতারণার অভিযোগ ও মামলা থাকার বিষয়ও উঠে এসেছে। এসব অভিযোগ সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। প্রকৃত সাংবাদিকরা সবসময় এমন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও নেবেন।প্রতিবাদকারীরা দাবি করেন, বর্তমানে যারা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের উদ্দেশ্য সাংবাদিক সমাজকে বিভক্ত করা এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা। প্রকৃত তথ্য-প্রমাণ ছাড়া ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে সম্মানহানির উদ্দেশ্যে অপপ্রচার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধির পোস্টে যেসব অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, সেসব বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তবে তদন্তের আগেই মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সম্মানিত সাংবাদিকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা দায়িত্বশীল আচরণের পরিপন্থী।
টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্যরা বলেন, প্রেসক্লাব কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়; এটি সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা, নৈতিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠার একটি সংগঠন। তাই সংগঠনের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচারকে তারা সাংবাদিক সমাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন।তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রকৃত সাংবাদিক ও সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণাকারীদের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য নিরূপণ করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধেও দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।
বিবৃতির শেষে টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিকদের অবস্থান অতীতেও ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। কোনো অপপ্রচার, ভয়ভীতি বা ষড়যন্ত্রের কাছে তারা নতি স্বীকার করবেন না। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে জনস্বার্থে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয়ও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ রহমান এবং অর্থ সম্পাদক মোজাম্মেল হক-এর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কথিত অপপ্রচারকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও মানহানিকর দাবি করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় সচেতন মহল।প্রতিবাদে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে ফরহাদ রহমান ও মোজাম্মেল হক টেকনাফে বস্তুনিষ্ঠ, দায়িত্বশীল ও জনস্বার্থভিত্তিক সাংবাদিকতা করে আসছেন। বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা, দুর্নীতি, মাদক, চাঁদাবাজি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়,কক্সবাজার – টেকনাফে দীর্ঘদিন ধরে কিছু কথিত সাংবাদিক সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে বলে বিভিন্ন সময় অভিযোগ উঠে এসেছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে একজন কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ, নিজেকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রভাবশালী সূত্র পরিচয় দেওয়া এবং প্রতারণার অভিযোগ ও মামলা থাকার বিষয়ও উঠে এসেছে। এসব অভিযোগ সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। প্রকৃত সাংবাদিকরা সবসময় এমন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও নেবেন।প্রতিবাদকারীরা দাবি করেন, বর্তমানে যারা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের উদ্দেশ্য সাংবাদিক সমাজকে বিভক্ত করা এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা। প্রকৃত তথ্য-প্রমাণ ছাড়া ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে সম্মানহানির উদ্দেশ্যে অপপ্রচার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধির পোস্টে যেসব অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, সেসব বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তবে তদন্তের আগেই মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সম্মানিত সাংবাদিকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা দায়িত্বশীল আচরণের পরিপন্থী।
টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্যরা বলেন, প্রেসক্লাব কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়; এটি সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা, নৈতিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠার একটি সংগঠন। তাই সংগঠনের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচারকে তারা সাংবাদিক সমাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন।তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রকৃত সাংবাদিক ও সাংবাদিক পরিচয়ে প্রতারণাকারীদের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য নিরূপণ করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে, তাদের বিরুদ্ধেও দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।
বিবৃতির শেষে টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিকদের অবস্থান অতীতেও ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। কোনো অপপ্রচার, ভয়ভীতি বা ষড়যন্ত্রের কাছে তারা নতি স্বীকার করবেন না। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে জনস্বার্থে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয়ও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।







