জাজিরায় দিনভর গণসংযোগে সাঈদ আসলাম
আমি দায়িত্ব নিতে এসেছি, সুবিধা নিতে নয়
- আপডেট সময় : ২৬৮ বার পড়া হয়েছে
শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে শুক্রবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জাজিরা উপজেলার একাধিক এলাকায় গণসংযোগ করেন। তার আগমনে স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। পুরো দিনজুড়ে বিভিন্ন এলাকায় জনতার ঢল প্রার্থীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করার মাধ্যমে নির্বাচনী মাঠকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
সকালে নাওডোবা, বি.কে.নগর ও ক্লাবমোড় এলাকা পরিদর্শনের মাধ্যমে তার গণসংযোগ শুরু হয়। এরপর ক্রমান্বয়ে বঙ্গবাজার, গোপালপুর চৌরাস্তা, জয়নগর, গঙ্গানগর, লাউখোলা, বিলাশপুর, দুবাডাঙ্গা, নয়া বাজার, মাল কান্দি, দড়ি কান্দি, রুপবাবুর হাট ও কাজিরহাট বাজারে তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন, নানা সমস্যার কথা শোনেন এবং বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন।
গণসংযোগে উপস্থিত জনগণের উদ্দেশে সাঈদ আহমেদ আসলাম বলেন, আমি এখানে দায়িত্ব নিতে এসেছি, সুবিধা নিতে নয়। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না এবং কোন নেতা-কর্মীকেই প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়া যাবে না। সবাইকে নিয়ে, সবাইকে আপন করে জাজিরা ও পালংয়ের উন্নয়নে কাজ করতে চাই।
তিনি তার পরিবারের দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, আমার পরিবার প্রায় ৮৫ বছর ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। রাজনীতি করতে গিয়ে আমার পরিবারের সদস্য খুন হয়েছেন, তবুও আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করিনি। দায়িত্ব নেওয়াই আমাদের বিশ্বাস-হিংসা নয়।
বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, আগের সেই রাজনীতি এখন আর নেই। কাউকে ভয় দেখিয়ে আর ভোট আদায় করা যায় না। ভোটারদের ভালোবাসা, সম্মান ও আস্থার ওপরই নির্ভর করে ভোট পাওয়া। আমাদের প্রতিটি ভোটারই সম্মানিত-তাদের সাথে শালীন ও মানবিক আচরণ করা আমাদের দায়িত্ব।
দিনভর এই গণসংযোগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করেছে যে নির্বাচনী মাঠে ধানের শীষের প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন পাচ্ছেন। স্থানীয়দের অনেকে জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন পর তারা একজন প্রার্থীকে এত ঘনিষ্ঠভাবে মানুষের সঙ্গে দেখা করতে ও কথা বলতে দেখলেন।
সাঈদ আহমেদ আসলামের এই গণসংযোগ কার্যক্রম শরীয়তপুর-১ আসনে নির্বাচনী উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।




















