ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগ

ঈদগড় সদর বনবিট ও তুলাতলি বিটে সুফল প্রকল্পের আত্মসাতের অভিযোগ

কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৪২৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টেকসই বন ও জীবিকা প্রকল্প (সুফল)–এর আওতায় বরাদ্দকৃত লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের অধীন ঈদগড় রেঞ্জের সদর ও তুলাতলী বন বিটের বিট কর্মকর্তা মংয়ু মার্মার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাৎ করে আসছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মংয়ু মার্মার অধীনে মোট পাঁচটি ফরেস্ট কনজারভেশন ভিলেজ (এফসিভি) ছিল। এগুলো হলো ছগিরাকাটা, বৈদ্যপাড়া, পানিস্যা ঘোনা, বউঘাটা ও মুহাম্মদ শরীফ পাড়া এফসিভি।
নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি এফসিভিতে একজন করে বুককিপার নিয়োগ ও নিয়মিত বেতন প্রদানের কথা থাকলেও বাস্তবে তা মানা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, পাঁচজন বুককিপারের মধ্যে মাত্র দুই থেকে তিনজনকে আংশিক বেতন দিয়ে প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এছাড়া ২০২৪ সালের পুরো বছরে পাঁচটি এফসিভির অফিস ভাড়া বাবদ অর্থ উত্তোলন করা হলেও সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোর ভাড়া পরিশোধ করা হয়নি। ওই অর্থও বিট কর্মকর্তা নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, পাঁচটি এফসিভির কোনো বন পাহারাদারকেই ভাতা দেওয়া হয়নি। বন পাহারাদারদের ভাতা বাবদ মোট প্রায় চার লাখ ৫০ হাজার টাকা এখনো বকেয়া রয়েছে।
সব মিলিয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর হিসাবে বিট কর্মকর্তা মংয়ু মার্মা প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে তার অধীনস্থ এফসিভিগুলো বর্তমানে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও সেগুলোর তদারকিতে কোনো উদ্যোগ নেই বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগ

ঈদগড় সদর বনবিট ও তুলাতলি বিটে সুফল প্রকল্পের আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় :

টেকসই বন ও জীবিকা প্রকল্প (সুফল)–এর আওতায় বরাদ্দকৃত লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের অধীন ঈদগড় রেঞ্জের সদর ও তুলাতলী বন বিটের বিট কর্মকর্তা মংয়ু মার্মার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাৎ করে আসছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মংয়ু মার্মার অধীনে মোট পাঁচটি ফরেস্ট কনজারভেশন ভিলেজ (এফসিভি) ছিল। এগুলো হলো ছগিরাকাটা, বৈদ্যপাড়া, পানিস্যা ঘোনা, বউঘাটা ও মুহাম্মদ শরীফ পাড়া এফসিভি।
নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি এফসিভিতে একজন করে বুককিপার নিয়োগ ও নিয়মিত বেতন প্রদানের কথা থাকলেও বাস্তবে তা মানা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, পাঁচজন বুককিপারের মধ্যে মাত্র দুই থেকে তিনজনকে আংশিক বেতন দিয়ে প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এছাড়া ২০২৪ সালের পুরো বছরে পাঁচটি এফসিভির অফিস ভাড়া বাবদ অর্থ উত্তোলন করা হলেও সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোর ভাড়া পরিশোধ করা হয়নি। ওই অর্থও বিট কর্মকর্তা নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, পাঁচটি এফসিভির কোনো বন পাহারাদারকেই ভাতা দেওয়া হয়নি। বন পাহারাদারদের ভাতা বাবদ মোট প্রায় চার লাখ ৫০ হাজার টাকা এখনো বকেয়া রয়েছে।
সব মিলিয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর হিসাবে বিট কর্মকর্তা মংয়ু মার্মা প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে তার অধীনস্থ এফসিভিগুলো বর্তমানে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও সেগুলোর তদারকিতে কোনো উদ্যোগ নেই বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।