ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপে ঘাটাইলের জয় Logo শাহপরীরদ্বীপে ১০০ পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দিল বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়ন Logo কাঁঠালিয়ার এক বিদ্যালয়ের শতভাগ বৃত্তি, সফল জমজ দুই ভাই Logo কুড়িগ্রামে এইচএসসি কেন্দ্রে অনুপস্থিত ট্যাগ কর্মকর্তা, ফোনে দায়িত্ব হস্তান্তর Logo ফুলগাজীতে বেড়িবাঁধ উপচে লোকালয়ে মুহুরীর পানি Logo হালুয়াঘাটে ডাকঘর কর্মচারীদের ধর্মঘট, স্মারকলিপি প্রদান Logo ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের অভিযানে ৩ কিলোমিটার চায়না দুয়ারি জাল জব্দ Logo উত্তরবঙ্গের সেরা মুগ্ধ বিউটি মেকওভার, সম্মাননা পেলেন সুমি Logo নেত্রকোনায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালে ভাঙচুর Logo টানা বর্ষণে নরসিংদীতে জলাবদ্ধতা, স্থবির জনজীবন

আশুলিয়া থানার নামে দোকানে চাঁদাবাজির অভিযোগ

সাঈম সরকার, আশুলিয়া
  • আপডেট সময় : ৮০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আশুলিয়ায় বিভিন্ন অলি-গলিতে-সহ আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের পাশে রয়েছে প্রায় শতাধিক ভাঙারির দোকান। সে সব দোকানগুলো থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন আশুলিয়া থানাকে প্রতিমাসে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা দিতে হয়। চাঁদা দিতে দেরি হলেই পোহাতে হয় পুলিশের বিভিন্ন ঝামেলা।
সরেজমিন দেখা গেছে, আব্দুল্লাপুর-বাইপাইল সড়কে প্রায় একশ ভাঙারি দোকান গড়ে উঠেছে।রয়েছে একাধিক ব্যাটারির দোকানও। আর এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে জীবিকা নির্বাহ করছেন কয়েক হাজার মানুষ।একাধিক ভাঙারি ব্যবসায়ীগণ আক্ষেপ করে বলেন আয়ের একটা অংশ মাসোহারা হিসেবে দিতে হয় আশুলিয়া থানা পুলিশকে।তারা জানান,আশুলিয়া থানার কেশিয়ার পরিচয়ে বাবুল নামে এক ব্যাক্তি প্রতিমাসে মাসিক চাঁদা আদায় করে থাকেন। প্রতিমাসে প্রায় এসব দোকান থেকে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেন ঐ বাবুল।ব্যবসায়ীরা আরো বলেন,বড় দোকান থেকে প্রতিমাসে ১০/১৫ হাজার মাঝারি দোকান থেকে ৭/৮ হাজার এবং, ছোট দোকান থেকে ৫ হাজার টাকা মাসিক চাঁদা আদায় করা হয়। আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের পাশে ভাঙ্গারী দোকানদার খলিল মিয়া ও মুজারমিল এলাকায় ভাঙ্গারী দোকানদার রুহুল আমিন নামে দুই ব্যাক্তির নেতৃত্বে দীর্ঘ ২০ বছর যাবৎ আদায় করা হচ্ছে এই চাঁদার টাকা। সমভার পাম্প-কাইচাবাড়ী রোডের ভাঙ্গারী ব্যাবসায়ী শফিকুল ইসলাম শফিকসহ একাধিক ব্যাবসায়ী বলেন, কোনও মাসে টাকা ঠিকমতো দিতে না পারলে পুলিশের ঝামেলা পোহাতে হয়।সেই সাথে বলেন,চাঁদা আদায়কারি ‘বাবুল নামের এক ব্যক্তি প্রতি মাসে আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে থানায় দিয়ে আসে।মাসের প্রথমেই থানার কেশিয়ারের লোক পরিচয়ে বাবুল এসে তার কাছ থেকে টাকা নিয়ে যায়।এছাড়া বগাবাড়ি বাজার এলাকায় ব্যাটারির পানি বিক্রি ও মেরামতকারী এক দোকানদার জানান, প্রতি মাসে তাদের ৩(তিন) শত টাকা করে থানায় দিতে হয়।অথচ,খোজ নিয়ে দেখাযায় বেশির ভাগ ভাঙারি দোকানে ভাঙারি ব্যবসা করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে।
প্রতি মাসে মাসিক মাসোহারা আদায়ের প্রসঙ্গে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং বিষটি তার জানা নেই বলে জানান।তিনি আরো বলেন,এ ধরনের কোনও কর্মকাণ্ড হয়ে থাকলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আশুলিয়া থানার নামে দোকানে চাঁদাবাজির অভিযোগ

আপডেট সময় :

আশুলিয়ায় বিভিন্ন অলি-গলিতে-সহ আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের পাশে রয়েছে প্রায় শতাধিক ভাঙারির দোকান। সে সব দোকানগুলো থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন আশুলিয়া থানাকে প্রতিমাসে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা দিতে হয়। চাঁদা দিতে দেরি হলেই পোহাতে হয় পুলিশের বিভিন্ন ঝামেলা।
সরেজমিন দেখা গেছে, আব্দুল্লাপুর-বাইপাইল সড়কে প্রায় একশ ভাঙারি দোকান গড়ে উঠেছে।রয়েছে একাধিক ব্যাটারির দোকানও। আর এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে জীবিকা নির্বাহ করছেন কয়েক হাজার মানুষ।একাধিক ভাঙারি ব্যবসায়ীগণ আক্ষেপ করে বলেন আয়ের একটা অংশ মাসোহারা হিসেবে দিতে হয় আশুলিয়া থানা পুলিশকে।তারা জানান,আশুলিয়া থানার কেশিয়ার পরিচয়ে বাবুল নামে এক ব্যাক্তি প্রতিমাসে মাসিক চাঁদা আদায় করে থাকেন। প্রতিমাসে প্রায় এসব দোকান থেকে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেন ঐ বাবুল।ব্যবসায়ীরা আরো বলেন,বড় দোকান থেকে প্রতিমাসে ১০/১৫ হাজার মাঝারি দোকান থেকে ৭/৮ হাজার এবং, ছোট দোকান থেকে ৫ হাজার টাকা মাসিক চাঁদা আদায় করা হয়। আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের পাশে ভাঙ্গারী দোকানদার খলিল মিয়া ও মুজারমিল এলাকায় ভাঙ্গারী দোকানদার রুহুল আমিন নামে দুই ব্যাক্তির নেতৃত্বে দীর্ঘ ২০ বছর যাবৎ আদায় করা হচ্ছে এই চাঁদার টাকা। সমভার পাম্প-কাইচাবাড়ী রোডের ভাঙ্গারী ব্যাবসায়ী শফিকুল ইসলাম শফিকসহ একাধিক ব্যাবসায়ী বলেন, কোনও মাসে টাকা ঠিকমতো দিতে না পারলে পুলিশের ঝামেলা পোহাতে হয়।সেই সাথে বলেন,চাঁদা আদায়কারি ‘বাবুল নামের এক ব্যক্তি প্রতি মাসে আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে থানায় দিয়ে আসে।মাসের প্রথমেই থানার কেশিয়ারের লোক পরিচয়ে বাবুল এসে তার কাছ থেকে টাকা নিয়ে যায়।এছাড়া বগাবাড়ি বাজার এলাকায় ব্যাটারির পানি বিক্রি ও মেরামতকারী এক দোকানদার জানান, প্রতি মাসে তাদের ৩(তিন) শত টাকা করে থানায় দিতে হয়।অথচ,খোজ নিয়ে দেখাযায় বেশির ভাগ ভাঙারি দোকানে ভাঙারি ব্যবসা করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে।
প্রতি মাসে মাসিক মাসোহারা আদায়ের প্রসঙ্গে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং বিষটি তার জানা নেই বলে জানান।তিনি আরো বলেন,এ ধরনের কোনও কর্মকাণ্ড হয়ে থাকলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’