ঢাকা ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬

রাজশাহীর মোহনপুরে ‘সোর্স’ পরিচয়ে আতঙ্ক

চাঁদাবাজি ও মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ

রাজশাহী ব্যুরো
  • আপডেট সময় : ৭১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় র‍্যাব ও পুলিশের সোর্স পরিচয়ে বেপরোয়া দাপট দেখাচ্ছে লিটন (৩৫) নামের এক ব্যক্তি, এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাম ভাঙিয়ে ভয়ভীতি দেখানোর একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
লিটনের বাড়ি পুঠিয়া উপজেলার নন্দনপুর গ্রামে হলেও বর্তমানে সে মোহনপুর উপজেলায় শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র বলছে , চাকরি না থাকলেও লিটন প্রায়ই মোটরসাইকেল বা প্রাইভেটকারে ঘুরে নিজেকে পুলিশের দারোগা পরিচয় দেয়। তাকে টাকা না দিলে মাদক বা অন্য মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। অনেক ক্ষেত্রে নিজেই পুলিশের মতো আচরণ করে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে অর্থ আদায় করেছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। আরও অভিযোগ রয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযানের গোপন তথ্য ফাঁস করায় একাধিক অভিযান ব্যর্থ হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বড় মাদক ব্যবসায়ীরা আগেই পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এমনকি লিটন নিজেও মাদক ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি জড়িত এবং মাসিক মাসোহারা নিয়ে ব্যবসা ‘ম্যানেজ’ করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুধু তাই নয়, বিগত সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর সাথে তার আতাত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সে যৌথ বাহিনীর অভিযান ‘ডেভল হান্ট’ এর থেকে বাঁচতে এই সোর্সের পথ বেছে নেয়।
থানা সূত্রে জানা যায়, গতকাল মোহনপুর থানার এক মাদকবিরোধী অভিযানের সময় পুলিশের কার্যক্রমের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে লিটনকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে বলেও জানা গেছে। বর্তমানে সে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ মানুষ আরও বিপদে পড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রাজশাহীর মোহনপুরে ‘সোর্স’ পরিচয়ে আতঙ্ক

চাঁদাবাজি ও মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ

আপডেট সময় :

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় র‍্যাব ও পুলিশের সোর্স পরিচয়ে বেপরোয়া দাপট দেখাচ্ছে লিটন (৩৫) নামের এক ব্যক্তি, এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাম ভাঙিয়ে ভয়ভীতি দেখানোর একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
লিটনের বাড়ি পুঠিয়া উপজেলার নন্দনপুর গ্রামে হলেও বর্তমানে সে মোহনপুর উপজেলায় শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র বলছে , চাকরি না থাকলেও লিটন প্রায়ই মোটরসাইকেল বা প্রাইভেটকারে ঘুরে নিজেকে পুলিশের দারোগা পরিচয় দেয়। তাকে টাকা না দিলে মাদক বা অন্য মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। অনেক ক্ষেত্রে নিজেই পুলিশের মতো আচরণ করে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে অর্থ আদায় করেছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। আরও অভিযোগ রয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযানের গোপন তথ্য ফাঁস করায় একাধিক অভিযান ব্যর্থ হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বড় মাদক ব্যবসায়ীরা আগেই পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এমনকি লিটন নিজেও মাদক ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি জড়িত এবং মাসিক মাসোহারা নিয়ে ব্যবসা ‘ম্যানেজ’ করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুধু তাই নয়, বিগত সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর সাথে তার আতাত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সে যৌথ বাহিনীর অভিযান ‘ডেভল হান্ট’ এর থেকে বাঁচতে এই সোর্সের পথ বেছে নেয়।
থানা সূত্রে জানা যায়, গতকাল মোহনপুর থানার এক মাদকবিরোধী অভিযানের সময় পুলিশের কার্যক্রমের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে লিটনকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে বলেও জানা গেছে। বর্তমানে সে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ মানুষ আরও বিপদে পড়বে।