ঢাকা ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চাঁদপুরে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড Logo বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে আউটসোর্সিং নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ Logo ১৪০ বছরের সোনাহাট সেতুর পাটাতন ভেঙে ভারী যান চলাচল বন্ধ Logo ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ হেক্টর ফসল, ৩৫ পয়েন্টে নদীভাঙন Logo সবুজ ক্যাম্পাস গড়তে প্লাস্টিক বর্জন ও বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে Logo নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মসজিদের খতিবের মৃত্যু Logo নোয়াখালীতে শিশু আসমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় তৃতীয় দফায় পেছালো Logo নোয়াখালীতে সড়কে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং Logo নেত্রকোনায় পৌরশহরের রাস্তায় যানজট, সীমাহীন দুর্ভোগ Logo আদমদীঘিতে কীটনাশক ঔষধের দোকানে দু:সাহসিক চুরি

জয়পুরহাটে তেল সরবরাহে চালু হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতি

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৮২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জয়পুরহাটে জ্বালানি তেল সরবরাহে চালু হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতি । জ্বালানি তেল সরবরাহে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং জনভোগান্তি কমাতে এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন জয়পুরহাট জেলা প্রশাসন। এখন থেকে জেলার সব ফিলিং স্টেশনে ‘ফুয়েল ম্যানেজমেন্ট’ নামক একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তেল সরবরাহ করা হবে।
গত রোববার জেলা প্রশাসক মো: আল-মামুন মিয়া সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আজ থেকেই জেলার সব পাম্পে এই ডিজিটাল সিস্টেম চালু হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ফুয়েল ম্যানেজমেন্ট’ নামক অ্যাপটি নওগাঁ জেলা প্রশাসন চালু করেছে। তারা ইতোমধ্যে সুবিধা পেতে শুরু করেছে। পরবর্তীতে বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে আটটি জেলার ডিসিদের একটি মিটিং হয়। সেখানে এই অ্যাপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
জয়পুরহাটের পার্শ্ববর্তী জেলা নওগাঁ ও বগুড়া হয়েছে আমরাও এই অ্যাপটি ব্যবহার করব। সেক্ষেত্রে এ জেলার গ্রাহকরা ওই জেলাগুলোতে গিয়েও তেল নিতে পারবেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, একজন গ্রাহক এই অ্যাপ ইনস্টল করে রেজিস্ট্রশন করবেন। তাদের ছবি, এনআইডি লাগবে না। শুধু গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর হলেই হবে। তারা কোন পাম্পে গিয়ে তেল নিবেন, সেটাও উল্লেখ করতে হবে। একজন মোটরসাইকেলে আপতত কয়েকদিন ২শ-৩শ টাকার তেল এবং পরবর্তীতে ৫শ টাকা পর্যন্ত তেল দেওয়া হবে। আর মাইক্রোবাসে ১ হাজার টাকার তেল সরবরাহ করা হবে। তবে একবার তেল নেওয়ার পর পরবর্তীতে তিনি আবার তেল নিয়ে আসলে তার কি:মি: রিডিং দেখা হবে।
সভায় জেলা প্রশাসক আরও বলেন, এখানে শুধুমাত্র বৈধ কাগজপত্র যাদের আছে, তারাই তেল নিতে পারবেন। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। মানুষের যাতে বিড়ম্বনায় পড়তে না হয়, সেজন্য আমরা চেষ্টা করছি। এতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।
মতবিনিময় সভায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহাইমেনা শারমীন, জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: মাহবুবুল হকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্তরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, জয়পুরহাট জেলায় মোট ২০টি ফিলিং স্টেশন (তেল পাম্প) চালু রয়েছে। এর মধ্যে সদরে ৯টি, পাঁচবিবি, কালাই ও আক্কেলপুরে ৩টি করে এবং ক্ষেতলালে ২টি পাম্প রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জয়পুরহাটে তেল সরবরাহে চালু হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতি

আপডেট সময় :

জয়পুরহাটে জ্বালানি তেল সরবরাহে চালু হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতি । জ্বালানি তেল সরবরাহে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং জনভোগান্তি কমাতে এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন জয়পুরহাট জেলা প্রশাসন। এখন থেকে জেলার সব ফিলিং স্টেশনে ‘ফুয়েল ম্যানেজমেন্ট’ নামক একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তেল সরবরাহ করা হবে।
গত রোববার জেলা প্রশাসক মো: আল-মামুন মিয়া সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আজ থেকেই জেলার সব পাম্পে এই ডিজিটাল সিস্টেম চালু হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ফুয়েল ম্যানেজমেন্ট’ নামক অ্যাপটি নওগাঁ জেলা প্রশাসন চালু করেছে। তারা ইতোমধ্যে সুবিধা পেতে শুরু করেছে। পরবর্তীতে বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে আটটি জেলার ডিসিদের একটি মিটিং হয়। সেখানে এই অ্যাপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
জয়পুরহাটের পার্শ্ববর্তী জেলা নওগাঁ ও বগুড়া হয়েছে আমরাও এই অ্যাপটি ব্যবহার করব। সেক্ষেত্রে এ জেলার গ্রাহকরা ওই জেলাগুলোতে গিয়েও তেল নিতে পারবেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, একজন গ্রাহক এই অ্যাপ ইনস্টল করে রেজিস্ট্রশন করবেন। তাদের ছবি, এনআইডি লাগবে না। শুধু গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর হলেই হবে। তারা কোন পাম্পে গিয়ে তেল নিবেন, সেটাও উল্লেখ করতে হবে। একজন মোটরসাইকেলে আপতত কয়েকদিন ২শ-৩শ টাকার তেল এবং পরবর্তীতে ৫শ টাকা পর্যন্ত তেল দেওয়া হবে। আর মাইক্রোবাসে ১ হাজার টাকার তেল সরবরাহ করা হবে। তবে একবার তেল নেওয়ার পর পরবর্তীতে তিনি আবার তেল নিয়ে আসলে তার কি:মি: রিডিং দেখা হবে।
সভায় জেলা প্রশাসক আরও বলেন, এখানে শুধুমাত্র বৈধ কাগজপত্র যাদের আছে, তারাই তেল নিতে পারবেন। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। মানুষের যাতে বিড়ম্বনায় পড়তে না হয়, সেজন্য আমরা চেষ্টা করছি। এতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।
মতবিনিময় সভায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোহাইমেনা শারমীন, জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: মাহবুবুল হকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্তরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, জয়পুরহাট জেলায় মোট ২০টি ফিলিং স্টেশন (তেল পাম্প) চালু রয়েছে। এর মধ্যে সদরে ৯টি, পাঁচবিবি, কালাই ও আক্কেলপুরে ৩টি করে এবং ক্ষেতলালে ২টি পাম্প রয়েছে।