ঢাকা ১১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

তালমা রেলস্টেশন এলাকা অন্ধকারে মাদক আর ভাসমান পতিতালয়ের আখড়া

নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৩২০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনের বেলায় স্বাভাবিক যাতায়াত, ট্রেনের আসা-যাওয়া আর মানুষের ভিড়ে সরগরম থাকে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা রেলস্টেশন এলাকা। তবে সন্ধ্যা নামলেই পাল্টে যায় দৃশ্যপট। স্থানীয়দের অভিযোগ— অন্ধকার নামতেই সেখানে বসে যায় মাদকের হাট, আর এর আড়ালে চলে ভাসমান পতিতালয়।
অভিযোগ রয়েছে, এ অবৈধ সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ করছেন স্থানীয় স্বাধীন মোল্লা নামের এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। তার সহযোগী হিসেবে জড়িত আরও কয়েকজন। বেপরোয়া মাদক ব্যবসা আর দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। এদের ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না সাধারণ মানুষ।
স্থানীয়দের দাবি, শুধু তালমা রেলস্টেশন নয়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়ও মাদক সরবরাহ করছে এই সিন্ডিকেট। এতে ধ্বংসের পথে ধাবিত হচ্ছে তরুণ সমাজ। ফলে এলাকায় বাড়ছে চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধ।
এ বিষয়ে নগরকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে পুলিশ। তবে স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন— অভিযান চললেও দৃশ্যমান কোনো ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে না। বরং অপরাধের গ্রাফ দিন দিন ঊর্ধ্বমুখী।
সচেতন মহলের দাবি, অবিলম্বে তালমা রেলস্টেশন এলাকায় সক্রিয় এই সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে হবে। নইলে পুরো সমাজকে ঠেলে দেওয়া হবে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে।
তাদের মতে, তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করা এবং এলাকার সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

তালমা রেলস্টেশন এলাকা অন্ধকারে মাদক আর ভাসমান পতিতালয়ের আখড়া

আপডেট সময় :

দিনের বেলায় স্বাভাবিক যাতায়াত, ট্রেনের আসা-যাওয়া আর মানুষের ভিড়ে সরগরম থাকে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা রেলস্টেশন এলাকা। তবে সন্ধ্যা নামলেই পাল্টে যায় দৃশ্যপট। স্থানীয়দের অভিযোগ— অন্ধকার নামতেই সেখানে বসে যায় মাদকের হাট, আর এর আড়ালে চলে ভাসমান পতিতালয়।
অভিযোগ রয়েছে, এ অবৈধ সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ করছেন স্থানীয় স্বাধীন মোল্লা নামের এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। তার সহযোগী হিসেবে জড়িত আরও কয়েকজন। বেপরোয়া মাদক ব্যবসা আর দেহ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। এদের ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না সাধারণ মানুষ।
স্থানীয়দের দাবি, শুধু তালমা রেলস্টেশন নয়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়ও মাদক সরবরাহ করছে এই সিন্ডিকেট। এতে ধ্বংসের পথে ধাবিত হচ্ছে তরুণ সমাজ। ফলে এলাকায় বাড়ছে চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধ।
এ বিষয়ে নগরকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে পুলিশ। তবে স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন— অভিযান চললেও দৃশ্যমান কোনো ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে না। বরং অপরাধের গ্রাফ দিন দিন ঊর্ধ্বমুখী।
সচেতন মহলের দাবি, অবিলম্বে তালমা রেলস্টেশন এলাকায় সক্রিয় এই সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে হবে। নইলে পুরো সমাজকে ঠেলে দেওয়া হবে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে।
তাদের মতে, তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করা এবং এলাকার সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।