ঢাকা ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের নেতৃত্বে ইয়াছিন-মুন্না Logo চাঁদপুরে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড Logo বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে আউটসোর্সিং নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ Logo ১৪০ বছরের সোনাহাট সেতুর পাটাতন ভেঙে ভারী যান চলাচল বন্ধ Logo ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ হেক্টর ফসল, ৩৫ পয়েন্টে নদীভাঙন Logo সবুজ ক্যাম্পাস গড়তে প্লাস্টিক বর্জন ও বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে Logo নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মসজিদের খতিবের মৃত্যু Logo নোয়াখালীতে শিশু আসমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় তৃতীয় দফায় পেছালো Logo নোয়াখালীতে সড়কে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং Logo নেত্রকোনায় পৌরশহরের রাস্তায় যানজট, সীমাহীন দুর্ভোগ

ধামরাইয়ে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ দম্পতি

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার ধামরাই পৌরসভার কিষাণনগর এলাকায় চুলার গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে সুমনা বাদশা (৪৫) ও বাদশা মিয়া (৫৫) নামে এক দম্পতি দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে স্ত্রী সুমনা বাদশার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
গতকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত ১০টার দিকে ধামরাই পৌরসভার কিষাণনগর এলাকায় একটি দোতলা ভবনের নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে চা তৈরির সময় চুলা জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চুলা চালু থাকার কারণে ঘরের ভেতরে জমে থাকা গ্যাস আগুনের সংস্পর্শে এসে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে কক্ষের জানালার কাচসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঘটনায় গৃহবধূ সুমনা বাদশা গুরুতর দগ্ধ হন। তার শরীরের প্রায় ৮৫ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে। এছাড়া তার স্বামী বাদশা মিয়ার দুই হাতসহ শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
দগ্ধদের উদ্ধার করে প্রথমে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিবেশী নুরুল ইসলাম বলেন, “রাতে হঠাৎ একটি বিকট শব্দ শুনে আমরা সবাই দৌড়ে বাইরে বের হয়ে আসি। পরে গিয়ে দেখি ঘরের জানালার কাচ ভেঙে গেছে এবং ভেতরে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। তখন আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।”
স্থানীয় বাসিন্দা অসীম ঘোষ বলেন, “প্রথমে মনে হয়েছিল গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়েছে। পরে জানা যায়, লাইনের গ্যাস থেকে লিকেজ হয়ে ঘরের ভেতরে গ্যাস জমেছিল। আগুন জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটে।”
ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ আল আমিন খান জানান, রাত প্রায় ১০টার দিকে বিস্ফোরণের খবর পেয়ে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। সেখানে গিয়ে গ্যাস লাইনের রাইজার বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভেতর ও বাইরের গ্যাস লাইনের লিকেজও বন্ধ করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ধামরাইয়ে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ দম্পতি

আপডেট সময় :

ঢাকার ধামরাই পৌরসভার কিষাণনগর এলাকায় চুলার গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে সুমনা বাদশা (৪৫) ও বাদশা মিয়া (৫৫) নামে এক দম্পতি দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে স্ত্রী সুমনা বাদশার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
গতকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত ১০টার দিকে ধামরাই পৌরসভার কিষাণনগর এলাকায় একটি দোতলা ভবনের নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে চা তৈরির সময় চুলা জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চুলা চালু থাকার কারণে ঘরের ভেতরে জমে থাকা গ্যাস আগুনের সংস্পর্শে এসে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে কক্ষের জানালার কাচসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঘটনায় গৃহবধূ সুমনা বাদশা গুরুতর দগ্ধ হন। তার শরীরের প্রায় ৮৫ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে। এছাড়া তার স্বামী বাদশা মিয়ার দুই হাতসহ শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
দগ্ধদের উদ্ধার করে প্রথমে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিবেশী নুরুল ইসলাম বলেন, “রাতে হঠাৎ একটি বিকট শব্দ শুনে আমরা সবাই দৌড়ে বাইরে বের হয়ে আসি। পরে গিয়ে দেখি ঘরের জানালার কাচ ভেঙে গেছে এবং ভেতরে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। তখন আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।”
স্থানীয় বাসিন্দা অসীম ঘোষ বলেন, “প্রথমে মনে হয়েছিল গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়েছে। পরে জানা যায়, লাইনের গ্যাস থেকে লিকেজ হয়ে ঘরের ভেতরে গ্যাস জমেছিল। আগুন জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটে।”
ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ আল আমিন খান জানান, রাত প্রায় ১০টার দিকে বিস্ফোরণের খবর পেয়ে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। সেখানে গিয়ে গ্যাস লাইনের রাইজার বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভেতর ও বাইরের গ্যাস লাইনের লিকেজও বন্ধ করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।