ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ মে ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পাটকেলঘাটা কপোতাক্ষ নদের চর ভরাটের ১৫০ বিঘা জমি প্রভাবশালীদের দখলে Logo জামালপুরে বিচার বিভাগ কর্মচারিদের কর্ম বিরতি পালন Logo তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশ সফল করতে বাগেরহাটে যুবদলের প্রস্তুতি সভা Logo সিংড়ায় কৃষকদের প্রযুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লাইট হাউজের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত Logo বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন Logo জামালপুরে ৩৫ বিজিবি বাঘারচর বিওপি ক্যাম্পের অভিযানে ১ কোটি ৬৬ লক্ষ টাকার মালামাল সহ আটক-১ Logo দাগনভূঞা উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের ১ম ও ২য় দিনের কর্মবিরতি পালন Logo ফরিদপুরে বীজ উৎপাদন প্রদর্শনীর উপর ফিল্ড টেকনোলজি ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত  Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে সুইজারল্যান্ডের এম্বাসি কোরিন থেভজ নাগরিক প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম ভিজিট  Logo নোয়াখালী জেলা শহরের সংবাদপত্র বিপণনকর্মী বাহার আর নেই

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনীর নীতিগত অনুমোদন

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০১:৪০:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫ ৬২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

    • ধর্ষণের মামলা তদন্তের সময় ৩০ দিন থেকে কমিয়ে ১৫ দিন

    •  মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার সময় ১৮০ দিন থেকে কমিয়ে ৯০ দিন

    •  ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়াই মেডিকেল সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে মামলার বিচারকাজ ও তদন্তকাজ চালাতে পারবেন বিচারক

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনীর ব্যাপারে সরকার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বন ও পরিবেশবিষয়ক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, আজ (গতকাল) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এক বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গতকাল সোমবার রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন পরিবেশ উপদেষ্টা। এর আগে গত বুধবার আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ধর্ষণ মামলার তদন্ত ও বিচারের সময় কমিয়ে অর্ধেক করতে সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানান। সচিবালয়ে ধর্ষণবিরোধী মঞ্চের নেত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান উপদেষ্টা।
সেদিন দিন আইন উপদেষ্টা বলেন, আমরা গত পরশু (সোমবার) এবং গতকাল (মঙ্গলবার) সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে পরামর্শ সভা করেছি। আমরা একটা খসড়া (সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন) আইন করেছি, সেটি আজ আমরা সার্কুলেট করছি কিছু কিছু স্টেকহোল্ডারের কাছে। যতদ্রুত সম্ভব আমরা আইনটি কঠোর করার চেষ্টা করবো। ধর্ষণের মামলার বিচার যাতে শুধু দ্রুত নয়, বিচারটা যাতে নিশ্চিত হয় এবং যথাযথ হয়-আমি এগুলো তাদের বলেছি। খসড়া আইন অনুযায়ী, ধর্ষণের মামলা তদন্তের সময় ৩০ দিন থেকে কমিয়ে ১৫ দিন এবং মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার সময় ১৮০ দিন থেকে কমিয়ে ৯০ দিন করা হচ্ছে। বিচারক যদি মনে করেন তবে ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়াই মেডিকেল সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে মামলার বিচারকাজ ও তদন্তকাজ চালাতে পারবেন- অনলাইনে এমন বিধান রাখা হচ্ছে বলে জানান আইন উপদেষ্টা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনীর নীতিগত অনুমোদন

আপডেট সময় : ০১:৪০:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

 

    • ধর্ষণের মামলা তদন্তের সময় ৩০ দিন থেকে কমিয়ে ১৫ দিন

    •  মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার সময় ১৮০ দিন থেকে কমিয়ে ৯০ দিন

    •  ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়াই মেডিকেল সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে মামলার বিচারকাজ ও তদন্তকাজ চালাতে পারবেন বিচারক

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধনীর ব্যাপারে সরকার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বন ও পরিবেশবিষয়ক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, আজ (গতকাল) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এক বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গতকাল সোমবার রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন পরিবেশ উপদেষ্টা। এর আগে গত বুধবার আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ধর্ষণ মামলার তদন্ত ও বিচারের সময় কমিয়ে অর্ধেক করতে সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানান। সচিবালয়ে ধর্ষণবিরোধী মঞ্চের নেত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান উপদেষ্টা।
সেদিন দিন আইন উপদেষ্টা বলেন, আমরা গত পরশু (সোমবার) এবং গতকাল (মঙ্গলবার) সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে পরামর্শ সভা করেছি। আমরা একটা খসড়া (সংশোধিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন) আইন করেছি, সেটি আজ আমরা সার্কুলেট করছি কিছু কিছু স্টেকহোল্ডারের কাছে। যতদ্রুত সম্ভব আমরা আইনটি কঠোর করার চেষ্টা করবো। ধর্ষণের মামলার বিচার যাতে শুধু দ্রুত নয়, বিচারটা যাতে নিশ্চিত হয় এবং যথাযথ হয়-আমি এগুলো তাদের বলেছি। খসড়া আইন অনুযায়ী, ধর্ষণের মামলা তদন্তের সময় ৩০ দিন থেকে কমিয়ে ১৫ দিন এবং মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার সময় ১৮০ দিন থেকে কমিয়ে ৯০ দিন করা হচ্ছে। বিচারক যদি মনে করেন তবে ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়াই মেডিকেল সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে মামলার বিচারকাজ ও তদন্তকাজ চালাতে পারবেন- অনলাইনে এমন বিধান রাখা হচ্ছে বলে জানান আইন উপদেষ্টা।