ঢাকা ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের নেতৃত্বে ইয়াছিন-মুন্না Logo চাঁদপুরে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড Logo বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে আউটসোর্সিং নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ Logo ১৪০ বছরের সোনাহাট সেতুর পাটাতন ভেঙে ভারী যান চলাচল বন্ধ Logo ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ হেক্টর ফসল, ৩৫ পয়েন্টে নদীভাঙন Logo সবুজ ক্যাম্পাস গড়তে প্লাস্টিক বর্জন ও বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে Logo নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মসজিদের খতিবের মৃত্যু Logo নোয়াখালীতে শিশু আসমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় তৃতীয় দফায় পেছালো Logo নোয়াখালীতে সড়কে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং Logo নেত্রকোনায় পৌরশহরের রাস্তায় যানজট, সীমাহীন দুর্ভোগ

পঞ্চগড়ে চাঞ্চল্যকর ডাকাতি, ৬ জন গ্রেফতার

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলায় চাঞ্চল্যকর দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় দেশীয় অস্ত্র সহ ৬ জন ডাকাত দলের চক্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানাগেছে জমি বর্গা না পেয়ে ক্ষোভে দলবদ্ধ হয়ে ডাকাতি করনে প্রতিবেশি আলম। গতকাল শুক্রবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যলয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানায় পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম। পুলিশের দেয়া তথ্য মতে জানাযায় গত ২৭/০২/২০২৬ তারিখে মধ্যরাতে পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার স হাফিজাবাদ ইউনিয়নের যুগিভিটা মফিজার রহমার কলেজের প্রিন্সিপাল মোঃ নুরুল্লাহর বাড়ীতে সশস্ত্র একটি ডাকাত দল পরিবারকে অস্ত্রের মুখে জি্ম্মি করে ডাকাতির কার্যক্রম পরিচালনা কেন সে সময় তাদের রক্ষিত ৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার আনুমানিক মুল্য ২০,০০,০০০/= (বিশ লক্ষ) টাকা, ও নগদ ২,২০,০০০/- (দুইলক্ষ বিশ হাজার) টাকা সহ মোবাইল ফোন লুন্ঠন করে। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় তাৎক্ষনিক ডিবি পুলিশের একটি চৌকস টিম ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তকালে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় রহস্য উদঘাটন করে এবং গত ০৪/০৩/২০২৬ ইং তারিখ রাত মধ্যরাতে পঞ্চগড়ের গাড়াতি ছিট মহল, পুকুরীডাঙ্গা সহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করেন।, গ্রেফতার কৃত আসামিরা হলেন একই ইউনিয়নের ১। মোঃ মজিবর রহমান (৩৫), পিতা-মিনহাজ আলী, ২। মোঃ রমজান আলী (৩০), পিতা-মৃত বছির উদ্দিন, ৩। মোঃ সাদ্দাম হোসেন (৩০), পিতা-মোঃ আবু আলম, ৪। মোঃ আশিক (১৯), পিতা-মোঃ হাবিব ৫। মোঃ জুবায়ের (১৯) পিতা-মোঃ আজিজ মিয়া। বাড়ী থেকে গ্রেফতার করে এবং তাদের দেওয়া তথ্যমতে লুন্ঠিত একটি স্মাট মোবাইল ফোন, একটি সিম কাড, ডাকাতি কাজে ব্যাবহৃত একটি সাবল, একটি ছোট চাকু, দুইটি বড় ছোরা উদ্ধার করে, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ও তাদের দেওয়া তথ্যমতে গত ০৫/০৩/২০২৬ তারিখ রাত্রী ০১.৩৫ ঘটিকার সময় ডাকাতের মুল পরিকল্পনাকারী ক্ষতিগ্রস্ত নুরুল্লাহ পরিবারের প্রতিবেশী মুল আসামী মোঃ আলম (৩৭), পিতা মৃত আব্দুল জলিল,যুগিভিটার জিয়াবাড়ী এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। পরিকল্পনাকারী আসামী মোঃ আলম বিজ্ঞ আদালতে স্বেচ্ছায় তার স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করেন। ধৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ, ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি এবং তথ্য প্রুযুক্তির সহায়তায় জানাযায় যে, উক্ত ডাকাতির মুল পরিকল্পনাকারী আসামী মোঃ আলম প্রিন্সিপাল নুরুল্লাহ এর প্রতিবেশী। সে খুব দরিদ্র ব্যাক্তি হওয়ায় তার সংসারে অভাব অনটন লেগে থাকত। ধৃত আলম নুরুল্লাহ সাহেব এবং তার ভাই এর নিকট এক বিঘা জমি বর্গা/আদি চেয়েছিলো। কিন্তু তারা তাকে জমি বর্গা না দিয়ে বলে যে, অন্য লোকেরা আধি করছে এখন যা পরে দিবো। নূরুল্লাহ সাহেব গত ১৮/০২/২০২৬ তারিখে হজ্বে যাওয়ায় তার বাড়িতে ডাকাতি করার কথা প্রতিবেশী আলমের মাথায় আসে। সে কামরুলের সাথে বিষয়টা শেয়ার করলে কামরুল বলে যে, আমার লোক আছে। কোন ব্যাপার না। আমরা কিছু দিন আগে জগদলে কয়েকটা ডাকাতি করেছি। সব অপারেশনে আমরা সফল। তারপর কামরুল আলমকে সাদ্দাম, মনির, জুবায়ের ওরফে জিদান এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় এবং ঘটনার দুইদিন আগে পরিকল্পনা করে। তারপর আলম, কামরুল, সাদ্দাম, মনির, জুবায়ের ওরফে জিদান একে একে সাদ্দামের বাড়ির পার্শ্বে রাতে এক গাছের নিচে একত্রিত হয় এবং পূ্র্ব পরিকল্পনা মতে ২৭/০২/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ০১:৩০ ঘটিকার সময় নুরুল্লাহ এর বাড়ির পশ্চিমে সুপারির রাগানের পার্শ্বে গ্রিল ছাড়া জানালা সাবল দিয়ে ভেঙ্গে এক এক করে তারা ঘরের ভিতর ঢুকে এবং ০৪ টি ঘরে কোন কিছু না পাওয়ায় ০৫ নম্বর ঘর যেখানে নূরুল্লাহ এর বৌ বাচ্চা শ্বাশুড়ি ঘুমিয়েছিলো সে ঘরে ঢুকে এবং নুরুল্লাহ এর বৌকে জাগ্রত করে । আলম মুখে মুখোশ পরে ছিলো। মনির নূরুল্লাহ এর বৌয়ের গলায় চাকু ধরে, সাদ্দাম নুরুল্লাহ এর শ্বাশুড়ীর গলায় ছুরি ধরে। বড় বাচ্চাটা ঘুম থেকে উঠে কান্না করলে জুবায়ের ওরফে জিদান তার গলায় চাকু ধরে নূরুল্লাহ সাহেবের বৌকে সবকিছু বের করে দিতে বলে না হলে বাচ্চাদেরকে মেরে ফেলবে। তখন তার বৌ ভয়ে তার ব্যাগে থাকা হাতের কানের গলার স্বর্ণা লঙ্কার দিয়ে দেয় এবং তারা আলমারি থেকে স্বর্ণালংকার বের করে নেয়। বড় বাচ্চাটার কান্না না থামলে আলম নুরু্ল্লাহ সাহেবের বৌ এর ব্যাগ থেকে কেক বের করে খাওয়ায় এরপর পানি খাওয়ায়। তারপর তারা ঘটনাস্থল থেকে বের হয়ে সাদ্দামের বাড়ির পার্শ্বে গাছের নিচে একত্রিত হয় এবং ওথান থেকে পাওয়া ৩০,০০০/-হাজার টাকা নগদ সমান ভাবে ভাগ করে নেয়। ০৭ টি ছোট ছোট স্বর্ণের জিনিস মনিরকে এবং ১২ টি বড় বড় স্বনের জিনিস কামরুলকে বিক্রি করার জন্য দেয়। ব্তমানে ধৃত আসামী সাদ্দাম, জুবায়ের ওরফে জিদান, রমজান, মজিবর এবং আশিক ০২ দিনের পুলিশী হেফাজতে রয়েছে এবং ধৃত আসামী আলম জেলহাজতে রয়েছে।
ডাকাত দল সংঘবদ্ধ আন্তঃজেলা ডাকাত চক্র। তারা পঞ্চগড় এর বিভিন্ন এলাকা সহ জগদল এলাকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়। এ ঘটনার সাথে জড়িত পলাতক আরও দুই আসামি আসামী কামরুল এবং মনিরকে গ্রেফতারসহ অবশিষ্ঠ লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পঞ্চগড় জেলা পুলিশ সকল ধরনের অপরাধ নির্মূলে সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে এবং সামনে আরো এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে জানায় জেলা পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পঞ্চগড়ে চাঞ্চল্যকর ডাকাতি, ৬ জন গ্রেফতার

আপডেট সময় :

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলায় চাঞ্চল্যকর দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় দেশীয় অস্ত্র সহ ৬ জন ডাকাত দলের চক্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানাগেছে জমি বর্গা না পেয়ে ক্ষোভে দলবদ্ধ হয়ে ডাকাতি করনে প্রতিবেশি আলম। গতকাল শুক্রবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যলয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানায় পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম। পুলিশের দেয়া তথ্য মতে জানাযায় গত ২৭/০২/২০২৬ তারিখে মধ্যরাতে পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার স হাফিজাবাদ ইউনিয়নের যুগিভিটা মফিজার রহমার কলেজের প্রিন্সিপাল মোঃ নুরুল্লাহর বাড়ীতে সশস্ত্র একটি ডাকাত দল পরিবারকে অস্ত্রের মুখে জি্ম্মি করে ডাকাতির কার্যক্রম পরিচালনা কেন সে সময় তাদের রক্ষিত ৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার আনুমানিক মুল্য ২০,০০,০০০/= (বিশ লক্ষ) টাকা, ও নগদ ২,২০,০০০/- (দুইলক্ষ বিশ হাজার) টাকা সহ মোবাইল ফোন লুন্ঠন করে। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় তাৎক্ষনিক ডিবি পুলিশের একটি চৌকস টিম ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তকালে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় রহস্য উদঘাটন করে এবং গত ০৪/০৩/২০২৬ ইং তারিখ রাত মধ্যরাতে পঞ্চগড়ের গাড়াতি ছিট মহল, পুকুরীডাঙ্গা সহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করেন।, গ্রেফতার কৃত আসামিরা হলেন একই ইউনিয়নের ১। মোঃ মজিবর রহমান (৩৫), পিতা-মিনহাজ আলী, ২। মোঃ রমজান আলী (৩০), পিতা-মৃত বছির উদ্দিন, ৩। মোঃ সাদ্দাম হোসেন (৩০), পিতা-মোঃ আবু আলম, ৪। মোঃ আশিক (১৯), পিতা-মোঃ হাবিব ৫। মোঃ জুবায়ের (১৯) পিতা-মোঃ আজিজ মিয়া। বাড়ী থেকে গ্রেফতার করে এবং তাদের দেওয়া তথ্যমতে লুন্ঠিত একটি স্মাট মোবাইল ফোন, একটি সিম কাড, ডাকাতি কাজে ব্যাবহৃত একটি সাবল, একটি ছোট চাকু, দুইটি বড় ছোরা উদ্ধার করে, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ও তাদের দেওয়া তথ্যমতে গত ০৫/০৩/২০২৬ তারিখ রাত্রী ০১.৩৫ ঘটিকার সময় ডাকাতের মুল পরিকল্পনাকারী ক্ষতিগ্রস্ত নুরুল্লাহ পরিবারের প্রতিবেশী মুল আসামী মোঃ আলম (৩৭), পিতা মৃত আব্দুল জলিল,যুগিভিটার জিয়াবাড়ী এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। পরিকল্পনাকারী আসামী মোঃ আলম বিজ্ঞ আদালতে স্বেচ্ছায় তার স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করেন। ধৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ, ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি এবং তথ্য প্রুযুক্তির সহায়তায় জানাযায় যে, উক্ত ডাকাতির মুল পরিকল্পনাকারী আসামী মোঃ আলম প্রিন্সিপাল নুরুল্লাহ এর প্রতিবেশী। সে খুব দরিদ্র ব্যাক্তি হওয়ায় তার সংসারে অভাব অনটন লেগে থাকত। ধৃত আলম নুরুল্লাহ সাহেব এবং তার ভাই এর নিকট এক বিঘা জমি বর্গা/আদি চেয়েছিলো। কিন্তু তারা তাকে জমি বর্গা না দিয়ে বলে যে, অন্য লোকেরা আধি করছে এখন যা পরে দিবো। নূরুল্লাহ সাহেব গত ১৮/০২/২০২৬ তারিখে হজ্বে যাওয়ায় তার বাড়িতে ডাকাতি করার কথা প্রতিবেশী আলমের মাথায় আসে। সে কামরুলের সাথে বিষয়টা শেয়ার করলে কামরুল বলে যে, আমার লোক আছে। কোন ব্যাপার না। আমরা কিছু দিন আগে জগদলে কয়েকটা ডাকাতি করেছি। সব অপারেশনে আমরা সফল। তারপর কামরুল আলমকে সাদ্দাম, মনির, জুবায়ের ওরফে জিদান এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় এবং ঘটনার দুইদিন আগে পরিকল্পনা করে। তারপর আলম, কামরুল, সাদ্দাম, মনির, জুবায়ের ওরফে জিদান একে একে সাদ্দামের বাড়ির পার্শ্বে রাতে এক গাছের নিচে একত্রিত হয় এবং পূ্র্ব পরিকল্পনা মতে ২৭/০২/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ০১:৩০ ঘটিকার সময় নুরুল্লাহ এর বাড়ির পশ্চিমে সুপারির রাগানের পার্শ্বে গ্রিল ছাড়া জানালা সাবল দিয়ে ভেঙ্গে এক এক করে তারা ঘরের ভিতর ঢুকে এবং ০৪ টি ঘরে কোন কিছু না পাওয়ায় ০৫ নম্বর ঘর যেখানে নূরুল্লাহ এর বৌ বাচ্চা শ্বাশুড়ি ঘুমিয়েছিলো সে ঘরে ঢুকে এবং নুরুল্লাহ এর বৌকে জাগ্রত করে । আলম মুখে মুখোশ পরে ছিলো। মনির নূরুল্লাহ এর বৌয়ের গলায় চাকু ধরে, সাদ্দাম নুরুল্লাহ এর শ্বাশুড়ীর গলায় ছুরি ধরে। বড় বাচ্চাটা ঘুম থেকে উঠে কান্না করলে জুবায়ের ওরফে জিদান তার গলায় চাকু ধরে নূরুল্লাহ সাহেবের বৌকে সবকিছু বের করে দিতে বলে না হলে বাচ্চাদেরকে মেরে ফেলবে। তখন তার বৌ ভয়ে তার ব্যাগে থাকা হাতের কানের গলার স্বর্ণা লঙ্কার দিয়ে দেয় এবং তারা আলমারি থেকে স্বর্ণালংকার বের করে নেয়। বড় বাচ্চাটার কান্না না থামলে আলম নুরু্ল্লাহ সাহেবের বৌ এর ব্যাগ থেকে কেক বের করে খাওয়ায় এরপর পানি খাওয়ায়। তারপর তারা ঘটনাস্থল থেকে বের হয়ে সাদ্দামের বাড়ির পার্শ্বে গাছের নিচে একত্রিত হয় এবং ওথান থেকে পাওয়া ৩০,০০০/-হাজার টাকা নগদ সমান ভাবে ভাগ করে নেয়। ০৭ টি ছোট ছোট স্বর্ণের জিনিস মনিরকে এবং ১২ টি বড় বড় স্বনের জিনিস কামরুলকে বিক্রি করার জন্য দেয়। ব্তমানে ধৃত আসামী সাদ্দাম, জুবায়ের ওরফে জিদান, রমজান, মজিবর এবং আশিক ০২ দিনের পুলিশী হেফাজতে রয়েছে এবং ধৃত আসামী আলম জেলহাজতে রয়েছে।
ডাকাত দল সংঘবদ্ধ আন্তঃজেলা ডাকাত চক্র। তারা পঞ্চগড় এর বিভিন্ন এলাকা সহ জগদল এলাকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়। এ ঘটনার সাথে জড়িত পলাতক আরও দুই আসামি আসামী কামরুল এবং মনিরকে গ্রেফতারসহ অবশিষ্ঠ লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পঞ্চগড় জেলা পুলিশ সকল ধরনের অপরাধ নির্মূলে সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে এবং সামনে আরো এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে জানায় জেলা পুলিশ।