নোয়াখালীতে স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ
পরীক্ষা বাতিল ও সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবি
- আপডেট সময় : ১২৯ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালী জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় লিখিত পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং নোয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. মরিয়ম সিমির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীরা।
গতকাল সোমবার নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন পরীক্ষার্থীরা। মানববন্ধন শেষে তারা জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের কাছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব বরাবর একটি লিখিত স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে নোয়াখালী সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য সহকারী পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এমসিকিউ পদ্ধতির পরিবর্তে প্রশ্নপত্রের সঙ্গে উত্তরপত্র সরবরাহ করে লিখিতভাবে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়, যেখানে প্রায় ৮ হাজার পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। তবে পরীক্ষা শেষ হওয়ার মাত্র ১১ থেকে ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে একই দিন রাতে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ফলাফল প্রকাশ করা হয়, যা একটি লিখিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক ও প্রশ্নবিদ্ধ বলে দাবি করেন পরীক্ষার্থীরা।
এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্যে দেখা যায়, পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও কয়েকজন প্রার্থীর রোল নম্বর চূড়ান্ত ফলাফলে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, সিভিল সার্জন ডা. মরিয়ম সিমির সঙ্গে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এক জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠতার সুযোগে নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী প্রার্থীকে নির্বাচিত করা হয়েছে। এমনকি বিপুল অর্থের বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার অভিযোগও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
এমতাবস্থায় পরীক্ষার্থীরা ১০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় নিয়মতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ, অভিযুক্ত সিভিল সার্জনকে অন্যত্র বদলি এবং তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সোমবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে নোয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. মরিয়ম সিমির মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এছাড়া তার কার্যালয়ে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।









