ঢাকা ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাংবাদিক মাহাবুব আলম বাবুর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিপিজেএফের মানববন্ধন Logo বিশেষ সুবিধা ও চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলে কর্মবিরতির ঘোষণা Logo এয়ারফ্লো মেশিনেও পচছে পেঁয়াজ, ক্ষতির শঙ্কায় রাজবাড়ীর কৃষক Logo জলঢাকায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা কর্মশালা Logo বর্ষায় প্রবীণদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা: সচেতনতাই সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ Logo সুন্দরগঞ্জে ইয়াবাসহ এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার Logo কাঁঠালিয়ায় শুরু হয়েছে কৃষক স্মার্ট কার্ডের তথ্য সংগ্রহ Logo নবীনগরে প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিতের অভিযোগে সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত Logo গাজী কালুর দরগাহসংলগ্ন খাস জমি ব্যক্তি মালিকানায় রেকর্ডের অভিযোগ Logo শরীয়তপুরের জেলা পরিষদের প্রশাসক নাসির উদ্দীন কালুর জন্য পরিবারের দোয়া কামনা

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক-অভিভাবক সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, কেশবপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার কেশবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা মিলনায়তনের হলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রাথমিক শিক্ষার বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ এবং উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এ কে এম নাজমুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ শাহিনূর রহমান (শাহিন)। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম আজাদ,মোঃ আব্দুল হালিম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও মুখপাত্র, প্রধান শিক্ষক সমিতি, কেন্দ্রীয় কমিটি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা একটি শিশুর ভবিষ্যৎ গঠনের ভিত্তি। এই স্তরের শিক্ষা যত শক্তিশালী হবে, জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন ততই বেগবান হবে। বর্তমান সরকার প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। তবে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; শিক্ষার্থীদের পাঠদানে আধুনিক ও কার্যকর পদ্ধতি প্রয়োগ, নিয়মিত মূল্যায়ন এবং বিদ্যালয়ে আনন্দমুখর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের দায়িত্ব শুধু পাঠদান নয়, শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ, মানবিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রমে আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এ কে এম নাজমুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন ও শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি, পদোন্নতির সুযোগ সম্প্রসারণ, সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষাবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা বর্তমান সময়ের অন্যতম দাবি।
তিনি বলেন, শিক্ষকদের কল্যাণ নিশ্চিত না হলে কাঙ্ক্ষিত শিক্ষার মান অর্জন সম্ভব নয়। শিক্ষক সমাজকে আরও ঐক্যবদ্ধ ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে দক্ষ, মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে শুধু শিক্ষাদানের কেন্দ্র নয়, বরং শিশুর সামগ্রিক বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ শাহিনূর রহমান (শাহিন) বলেন, প্রাথমিক শিক্ষকরা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তরে দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু এখনও বিভিন্ন ক্ষেত্রে শিক্ষকরা নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন। এসব সমস্যা সমাধানে শিক্ষক সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে নিজেদের আরও দক্ষ ও দায়িত্বশীল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন, বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার মান আরও উন্নত করা সম্ভব। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সবসময় শিক্ষকদের স্বার্থ রক্ষা এবং শিক্ষার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করে যাবে।
আলোচনা সভায় বক্তারা প্রাথমিক শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, পাঠ্যবিষয়ের কার্যকর উপস্থাপন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং শিক্ষক-অভিভাবক সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পরে সংগঠনের বার্ষিক কার্যক্রম পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ এবং শিক্ষক সমাজের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক-অভিভাবক সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ

আপডেট সময় :

দেশের প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, কেশবপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার কেশবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা মিলনায়তনের হলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রাথমিক শিক্ষার বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ এবং উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এ কে এম নাজমুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ শাহিনূর রহমান (শাহিন)। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম আজাদ,মোঃ আব্দুল হালিম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও মুখপাত্র, প্রধান শিক্ষক সমিতি, কেন্দ্রীয় কমিটি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা একটি শিশুর ভবিষ্যৎ গঠনের ভিত্তি। এই স্তরের শিক্ষা যত শক্তিশালী হবে, জাতির সামগ্রিক উন্নয়ন ততই বেগবান হবে। বর্তমান সরকার প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। তবে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; শিক্ষার্থীদের পাঠদানে আধুনিক ও কার্যকর পদ্ধতি প্রয়োগ, নিয়মিত মূল্যায়ন এবং বিদ্যালয়ে আনন্দমুখর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের দায়িত্ব শুধু পাঠদান নয়, শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ, মানবিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক ও প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রমে আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এ কে এম নাজমুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন ও শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি, পদোন্নতির সুযোগ সম্প্রসারণ, সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষাবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা বর্তমান সময়ের অন্যতম দাবি।
তিনি বলেন, শিক্ষকদের কল্যাণ নিশ্চিত না হলে কাঙ্ক্ষিত শিক্ষার মান অর্জন সম্ভব নয়। শিক্ষক সমাজকে আরও ঐক্যবদ্ধ ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে দক্ষ, মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে শুধু শিক্ষাদানের কেন্দ্র নয়, বরং শিশুর সামগ্রিক বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ শাহিনূর রহমান (শাহিন) বলেন, প্রাথমিক শিক্ষকরা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তরে দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু এখনও বিভিন্ন ক্ষেত্রে শিক্ষকরা নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন। এসব সমস্যা সমাধানে শিক্ষক সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে নিজেদের আরও দক্ষ ও দায়িত্বশীল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন, বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার মান আরও উন্নত করা সম্ভব। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সবসময় শিক্ষকদের স্বার্থ রক্ষা এবং শিক্ষার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করে যাবে।
আলোচনা সভায় বক্তারা প্রাথমিক শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, পাঠ্যবিষয়ের কার্যকর উপস্থাপন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং শিক্ষক-অভিভাবক সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পরে সংগঠনের বার্ষিক কার্যক্রম পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ এবং শিক্ষক সমাজের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।