ফটোসাংবাদিক মামুনুর রশিদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
- আপডেট সময় : ২৩ বার পড়া হয়েছে
দেশের সমসাময়িক ফটোসাংবাদিকতার অঙ্গনে নিষ্ঠা, সৃজনশীলতা ও পেশাগত দক্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন আলোকচিত্রী মামুনুর রশিদ। ১৯৮৩ সালে জন্মগ্রহণকারী এই প্রতিভাবান ফটোসাংবাদিক বর্তমানে রাজধানী ঢাকাভিত্তিক একজন দক্ষ স্টাফ ফটোসাংবাদিক হিসেবে কাজ করছেন এবং দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে তাঁর কাজ নিয়মিতভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।
মামুনুর রশিদের শক্তিশালী শিক্ষাগত ভিত্তির মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার প্রখ্যাত আলোকচিত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট থেকে ফটোগ্রাফিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন। পাশাপাশি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-এর অধীনে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর (এম.এস.এস) সম্পন্ন করেন। এই দ্বৈত শিক্ষাগত অভিজ্ঞতা তাঁকে সমাজ, মানুষ ও সময়ের গল্পকে গভীরভাবে অনুধাবন করে ক্যামেরাবন্দী করতে বিশেষভাবে সক্ষম করেছে।
কর্মজীবনের শুরুতে বিভিন্ন সংবাদপত্রে কন্ট্রিবিউটর হিসেবে কাজের মাধ্যমে তিনি নিজের প্রতিভার পরিচয় দেন। পরবর্তীতে দেশের অন্যতম শীর্ষ জাতীয় দৈনিক দৈনিক সমকাল-এ ফটোসাংবাদিক হিসেবে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফটো এজেন্সি NurPhoto-এর ঢাকাভিত্তিক আলোকচিত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর তোলা ছবি বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম, সাময়িকী ও গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে।
পেশাগত উৎকর্ষ ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একাধিক মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করেছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) আয়োজিত ‘জুলাই অভ্যুত্থান’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় পেশাদার বিভাগে বিজয়ী হন। এছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণে আলোকচিত্রের ভূমিকার জন্য ‘ইকোজ অফ দ্য আর্থ: ফটোগ্রাফি ফর দ্য প্ল্যানেট’ পুরস্কারে ভূষিত হন।
তিনি দেশে-বিদেশে বিভিন্ন আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাঁর কাজকে শিল্পমানের উচ্চতায় নিয়ে গেছেন এবং নিয়মিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মশালায় অংশ নিয়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করছেন।
সম্মাননা প্রাপ্তি প্রসঙ্গে মামুনুর রশিদ জানান, “IHI Photojournalist Appreciation Award 2006-এ আমাকে মনোনীত করায় আমি গভীরভাবে আনন্দিত ও সম্মানিত বোধ করছি। ফটোসাংবাদিকদের জন্য এই পুরস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ। এই স্বীকৃতি আমার কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা আরও বাড়িয়ে দেবে এবং ভবিষ্যতে সত্য ও মানবিক গল্প তুলে ধরার অনুপ্রেরণা জোগাবে।”

















