ঢাকা ০১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বগুড়ায় অবৈধ পিস্তল ও গুলি রাখার অপরাধে ৩১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

বগুড়া অফিস
  • আপডেট সময় : ২১২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বগুড়ায় অবৈধ পিস্তল ও গুলি রাখার অপরাধে নান্টু মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে পৃথক ধারায় ৩১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পিস্তল রাখায় ২১ বছর এবং গুলি রাখায় ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। তবে উভয় সাজা এক সঙ্গে চলবে।
বগুড়ার তৃতীয় বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক দ্বিতীয় অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আবু হানিফ দীর্ঘ ১০ বছর পর জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। গত সোমবার বিকালে আদালতের অতিরিক্ত পিপি এমএকে ফজলুল হক এ তথ্য জানান।
আদালত ও মামলা সূত্র জানায়, সাজাপ্রাপ্ত নান্টু বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ফুলতলা এলাকার মৃত শুকুর আলী খোকার ছেলে।
র‌্যাব-১২ বগুড়া কোম্পানির সদস্যরা গোপনে খবর পেয়ে গত ২০১৫ সালের ১ জুন সকালে তার বাড়িতে অভিযান চালান। এ সময় তার ঘর থেকে একটি পিস্তল ও ৩০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি নান্টুকেও গ্রেফতার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তিতে শয়নকক্ষে তল্লাশি করে আরো দুটি পিস্তল, ১১ রাউন্ড গুলি, তিনটি চাপাতি, একটি চায়নিজ কুড়াল, দুটি কিরিচ, তিনটি ছোড়া ও দুটি দা পাওয়া যায়। পরে তাকে জব্দ করা আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ শাজাহানপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। র‌্যাবের তৎকালীন নায়েক সুবেদার আকবার আলী বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বগুড়ায় অবৈধ পিস্তল ও গুলি রাখার অপরাধে ৩১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

আপডেট সময় :

বগুড়ায় অবৈধ পিস্তল ও গুলি রাখার অপরাধে নান্টু মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে পৃথক ধারায় ৩১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পিস্তল রাখায় ২১ বছর এবং গুলি রাখায় ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। তবে উভয় সাজা এক সঙ্গে চলবে।
বগুড়ার তৃতীয় বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক দ্বিতীয় অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আবু হানিফ দীর্ঘ ১০ বছর পর জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। গত সোমবার বিকালে আদালতের অতিরিক্ত পিপি এমএকে ফজলুল হক এ তথ্য জানান।
আদালত ও মামলা সূত্র জানায়, সাজাপ্রাপ্ত নান্টু বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ফুলতলা এলাকার মৃত শুকুর আলী খোকার ছেলে।
র‌্যাব-১২ বগুড়া কোম্পানির সদস্যরা গোপনে খবর পেয়ে গত ২০১৫ সালের ১ জুন সকালে তার বাড়িতে অভিযান চালান। এ সময় তার ঘর থেকে একটি পিস্তল ও ৩০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি নান্টুকেও গ্রেফতার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তিতে শয়নকক্ষে তল্লাশি করে আরো দুটি পিস্তল, ১১ রাউন্ড গুলি, তিনটি চাপাতি, একটি চায়নিজ কুড়াল, দুটি কিরিচ, তিনটি ছোড়া ও দুটি দা পাওয়া যায়। পরে তাকে জব্দ করা আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ শাজাহানপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। র‌্যাবের তৎকালীন নায়েক সুবেদার আকবার আলী বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা করেন।