বগুড়া-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থী নুর এর গণজোয়ার
- আপডেট সময় : ৮৬ বার পড়া হয়েছে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বগুড়া-০৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘী) আসনে নতুন একটি রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। এলাকায় তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে পরিচিত আবু তাহের নুর মোহাম্মাদ সংসদ সদস্য হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মাঠে প্রাথমিক প্রচারণা শুরুর পর থেকেই ভোটারদের মধ্যে আলোচনা বাড়ছে।
উচ্চশিক্ষিত এই তরুণ প্রার্থী বিএ (সম্মান) এমএ এবং এল.এল.বি ডিগ্রিধারী। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট কাজের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নেও ব্যপক সক্রিয় । তিনি বিপুল ভোটেদুপচাঁচিয়া উপজেলার গুনাহার ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
তাঁর ব্যক্তি উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ, বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ, মাদক প্রতিরোধে অভিভাবক সমাবেশ, খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি-এসব কার্যক্রম স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগেও সক্রিয় এই তরুণ নেতা নিয়মিত জনগণের মতামত শুনছেন এবং এলাকার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করছেন।
নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগের সময় আবু তাহের নুর মোহাম্মাদ বলেন, তরুণদের বড় অংশ এবার ভোটের মাঠে সক্রিয়। জনগণ পরিবর্তন চায়। আমি বিশ্বাস করি-একটি নতুন রাজনীতি, একটি নতুন নেতৃত্বের ধারণা জনগণের সামনে তুলে ধরতে পারব। তার দাবি, এলাকার মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে এবং তাদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ যোগাযোগের কারণে তিনি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছেন। তিনি আরও বলেন, এবার ভোটাররা ফিরেছেন ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের অনুভূতি নিয়ে। এই উচ্ছ্বাসই প্রমাণ করে, জনগণ সৎ ও কাজ করতে পারে এমন নেতৃত্বকে সামনে আনতে চান।
বয়স্ক ভোটার মোজাম্মেল হক বলেন, নুরকে আমরা চিনি অনেকদিন। এলাকার প্রয়োজনে যেকোনো সেবামূলক কাজে তাকে দেখেছি। এবার তরুণ নেতাদের সুযোগ দিতে চাই। শিক্ষিত, ভদ্র এবং আধুনিক নেতৃত্ব চাই।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বড় দলের প্রভাব থাকলেও জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্তী হিসেবে নুর মোহাম্মাদ দ্রুত গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করছেন তার সেবামূলক কাজ ও শিক্ষিত পরিচয়ের কারণে। তরুণ ভোটারদের বড় অংশে তার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব দেখা যাচ্ছে।
প্রচারণায় আবু তাহের নুর মোহাম্মাদ বলেছেন, নির্বাচিত হতে পারলে তিনি বগুড়া-০৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘী) ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা হাতে নেবেন। তার অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে-আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়ন। যুবসমাজের কর্মসংস্থান। কৃষি খাতে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন।








