ঢাকা ১০:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ভান্ডারিয়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণ ও ভিডিও কাণ্ড, গ্রেফতার ২

ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৭৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে ধর্ষণ ও তার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ আগষ্ট) দুপুরে তাদের আটক করা হয় বলে জানান পিরোজপুরের পুলিশ সুপার খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের।
‎গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ভাণ্ডারিয়া উপজেলার দক্ষিণ শিয়ালকাঠি এলাকার মোজাহার হাওলাদারের ছেলে রিকশাচালক মো. জাহিদ (৪০) এবং একই এলাকার মৃত আশরাফ আলীর ছেলে মো. জিয়াউল ইসলাম জিহাদ (৩২)। জিহাদ একটি কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের, ভুয়া একটি ক্লিনিকের পরিচালক ও বরিশাল থেকে প্রকাশিত দৈনিক কীর্তনখোলা পত্রিকার ভাণ্ডারিয়া প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।
‎পুলিশ জানায়, সোমবার গভীর রাতে উপজেলার বাইপাশ সড়কে (মেডিক্যাল মোড় সংলগ্ন) ফারুকের দোকানের সামনে রাত ২টার দিকে বেঞ্চের ওপর ঐ নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে জাহিদ। এসময় সাংবাদিক জিয়াউল ইসলাম জিহাদ ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করেন। পরে তিনি জাহিদকে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে অর্থ দাবি করেন এবং শেষ পর্যন্ত নিজের ফেসবুক আইডিতে ভিডিওটি আপলোড করেন।
‎পুলিশ সুপার খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের আরো জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ হেডকোয়ার্টার ও বিটিআরসির সহযোগিতায় ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে অপসারণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের দ্রুত আদালতে পাঠানো হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ভান্ডারিয়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণ ও ভিডিও কাণ্ড, গ্রেফতার ২

আপডেট সময় :

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীকে ধর্ষণ ও তার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ আগষ্ট) দুপুরে তাদের আটক করা হয় বলে জানান পিরোজপুরের পুলিশ সুপার খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের।
‎গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ভাণ্ডারিয়া উপজেলার দক্ষিণ শিয়ালকাঠি এলাকার মোজাহার হাওলাদারের ছেলে রিকশাচালক মো. জাহিদ (৪০) এবং একই এলাকার মৃত আশরাফ আলীর ছেলে মো. জিয়াউল ইসলাম জিহাদ (৩২)। জিহাদ একটি কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের, ভুয়া একটি ক্লিনিকের পরিচালক ও বরিশাল থেকে প্রকাশিত দৈনিক কীর্তনখোলা পত্রিকার ভাণ্ডারিয়া প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।
‎পুলিশ জানায়, সোমবার গভীর রাতে উপজেলার বাইপাশ সড়কে (মেডিক্যাল মোড় সংলগ্ন) ফারুকের দোকানের সামনে রাত ২টার দিকে বেঞ্চের ওপর ঐ নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে জাহিদ। এসময় সাংবাদিক জিয়াউল ইসলাম জিহাদ ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করেন। পরে তিনি জাহিদকে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে অর্থ দাবি করেন এবং শেষ পর্যন্ত নিজের ফেসবুক আইডিতে ভিডিওটি আপলোড করেন।
‎পুলিশ সুপার খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের আরো জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ হেডকোয়ার্টার ও বিটিআরসির সহযোগিতায় ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে অপসারণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের দ্রুত আদালতে পাঠানো হবে।