ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এম-ট্যাবের স্মৃতিচারণ ও দোয়া মাহফিল Logo অবৈধ বালু উত্তোলনে সর্বনাশের পথে জনপদ Logo স্বতন্ত্র প্রার্থীতা থেকে সরে দাঁড়ালেন ব্যারিস্টার মওদুদ পত্নী Logo জয়পুরহাট সীমান্তে বেকারত্ব দূরিকরণে বিজিবির ফ্রিল্যান্সিং Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে মাঠে লোহাগাড়া উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ Logo মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় জগন্নাথকাঠী বন্দরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল Logo শাল্লায় টাকার বিনিময়ে প্রকল্প অনুমোদনের অভিযোগ জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে Logo ত্রিশালে করিম-বানু ফাউন্ডেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ Logo ডিমলায় বুড়ি তিস্তার ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি এলাকাবাসীর।। Logo বিশ্বনাথ পৌর শহরের প্রায় দুই শতাধিক অসহায়-গরীব-দুস্থ শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ

ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি বন্ধ

হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৩২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের কৃষকের স্বার্থ বিবেচনা করে ভারতীয় পেঁয়াজের আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) আমদানির অনুমতি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। তবে পূর্বের আমদানির অনুমতির বিপরীতে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। এদিকে আমদানি না হলে দেশের বাজারে পণ্যটির দাম বাড়বে বলে দাবি বন্দরের আমদানিকারকদের।
গত সোমবার নতুন করে ভারতীয় পেঁয়াজের আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) আমদানির অনুমতি দেয়নি সংশ্লিষ্ট দফতর। তবে পুরোনো আইপির বিপরীতে (আমদানির অনুমতি) হিলিসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ১২ ট্রাকে ৩৪৪ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারকরা জানান, দেশে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠলে দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়। এর ফলে ৩ মাস বন্ধের পর আবারও গত ৭ ডিসেম্বর থেকে হিলি স্থলবন্দরসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। প্রথম দিকে আমদানির অনুমতির পরিমাণ কম দেওয়ায় চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছিল না। পরে আমদানির অনুমতি দেওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে দেশের সব বন্দরগুলো দিয়ে আমদানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম কমতে শুরু করে। বর্তমানে পেঁয়াজের দাম কমতে কমতে অনেকটা স্থিতিশীল অবস্থায় চলে এসেছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫০ টাকায় নেমে এসেছে।
ব্যবসায়ীরা আরও বলেন, কিন্তু সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে সরকার আবারও পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি (আইপি) দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা সকাল থেকে আমদানির অনুমতি চেয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে আবেদন করেছি, কিন্তু কোনও আবেদন মঞ্জুর হয়নি। তবে এ সংক্রান্ত কোনও প্রজ্ঞাপন বা চিঠি ইস্যু করা হয়নি। আমরা সংশ্লিষ্ট দফতরসহ বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারছি, পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি আজ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যদি তাই হয় তাহলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ে আবারও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হওয়ার ফলে দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকায় নেমে এসেছে- তা আবারও ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় গিয়ে দাঁড়াতে পারে। ইতিমধ্যেই আমদানির অনুমতি দেওয়া বন্ধের খবরে কেজিতে বন্দরে ২ টাকার মতো বেড়েছে।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার পণ্যটি আমদানির অনুমতি দিলে বেশ কিছুদিন ধরেই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে এটি আমদানি হচ্ছে। সোমবারও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। তবে এসব পেঁয়াজ আগের আমদানির অনুমতির বিপরীতে আসছে। সোমবার সকাল থেকে নতুন করে কোনও পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়নি। আমি এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা সোমবার থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি প্রদান বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে আগের ইস্যু করা আমদানির অনুমতির বিপরীতে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পণ্যটি আমদানি করা যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি বন্ধ

আপডেট সময় :

দেশের কৃষকের স্বার্থ বিবেচনা করে ভারতীয় পেঁয়াজের আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) আমদানির অনুমতি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। তবে পূর্বের আমদানির অনুমতির বিপরীতে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। এদিকে আমদানি না হলে দেশের বাজারে পণ্যটির দাম বাড়বে বলে দাবি বন্দরের আমদানিকারকদের।
গত সোমবার নতুন করে ভারতীয় পেঁয়াজের আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) আমদানির অনুমতি দেয়নি সংশ্লিষ্ট দফতর। তবে পুরোনো আইপির বিপরীতে (আমদানির অনুমতি) হিলিসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ১২ ট্রাকে ৩৪৪ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারকরা জানান, দেশে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠলে দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়। এর ফলে ৩ মাস বন্ধের পর আবারও গত ৭ ডিসেম্বর থেকে হিলি স্থলবন্দরসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। প্রথম দিকে আমদানির অনুমতির পরিমাণ কম দেওয়ায় চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছিল না। পরে আমদানির অনুমতি দেওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে দেশের সব বন্দরগুলো দিয়ে আমদানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম কমতে শুরু করে। বর্তমানে পেঁয়াজের দাম কমতে কমতে অনেকটা স্থিতিশীল অবস্থায় চলে এসেছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫০ টাকায় নেমে এসেছে।
ব্যবসায়ীরা আরও বলেন, কিন্তু সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে সরকার আবারও পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি (আইপি) দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা সকাল থেকে আমদানির অনুমতি চেয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে আবেদন করেছি, কিন্তু কোনও আবেদন মঞ্জুর হয়নি। তবে এ সংক্রান্ত কোনও প্রজ্ঞাপন বা চিঠি ইস্যু করা হয়নি। আমরা সংশ্লিষ্ট দফতরসহ বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারছি, পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি আজ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যদি তাই হয় তাহলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ে আবারও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হওয়ার ফলে দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকায় নেমে এসেছে- তা আবারও ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় গিয়ে দাঁড়াতে পারে। ইতিমধ্যেই আমদানির অনুমতি দেওয়া বন্ধের খবরে কেজিতে বন্দরে ২ টাকার মতো বেড়েছে।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার পণ্যটি আমদানির অনুমতি দিলে বেশ কিছুদিন ধরেই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে এটি আমদানি হচ্ছে। সোমবারও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। তবে এসব পেঁয়াজ আগের আমদানির অনুমতির বিপরীতে আসছে। সোমবার সকাল থেকে নতুন করে কোনও পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়নি। আমি এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা সোমবার থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি প্রদান বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে আগের ইস্যু করা আমদানির অনুমতির বিপরীতে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পণ্যটি আমদানি করা যাবে।