ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

পত্নীতলায় ৩৫ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে মাল্টার চাষ

মৌসুমে সাফল্যের মুখ দেখছে চাষিরা

হাসান শাহরিয়ার পল্লব, নওগাঁ ব্যুরো
  • আপডেট সময় : ১৬৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নওগাঁর বরেন্দ্র জনপদ পত্নীতলা উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে মাল্টা।
এক সময় বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে চাষ হতো মাল্টা কিন্তু বর্তমানে ফলটি আর পাহাড়ি অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নেই,দেশের সমতল ভূমিতেও মাল্টার চাষ করে সফলতা পেয়েছেন পত্নীতলার চাষিরা।
উৎপাদন খরচ কিছুটা কম এবং স্বাদ ও ঘ্রাণে অতুলনীয় হওয়ায় উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে এ ফলটি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন,এ উপজেলার উৎপাদিত মাল্টার পুষ্টি ও গুণগত মান আমদানিকৃত মাল্টার চেয়েও বেশি।এছাড়া আবহাওয়া ও মাটির গুণাগুণ অনুকূলে থাকায় কৃষি নির্ভর এ উপজেলায় রয়েছে মাল্টা চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা।
‎উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়,চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ৩৫ হেক্টর জমিতে মাল্টার চাষ হয়েছে। এখানে চাষ করা হয় বারি মাল্টা-১ ‎নজিপুর ইউনিয়নের ফয়েমপুর গ্রামের মালটা চাষি মো.শামিম হোসেন এর সাথে প্রতিবেদকের আলাপকালে তিনি জানান ,আমি ২৪ শতক জমিতে মালটা চাষ করেছি।খরচ একটু কম,বাজারে চাহিদাও বেশি।এখন প্রতি মৌসুমে ভালো লাভ করতে পারছি। পত্নীতলা সহ আশেপাশের থানা গুলোতে এখন অনেক উদ্যোক্তা মালটা চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পত্নীতলায় ৩৫ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে মাল্টার চাষ

মৌসুমে সাফল্যের মুখ দেখছে চাষিরা

আপডেট সময় :

নওগাঁর বরেন্দ্র জনপদ পত্নীতলা উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে মাল্টা।
এক সময় বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে চাষ হতো মাল্টা কিন্তু বর্তমানে ফলটি আর পাহাড়ি অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নেই,দেশের সমতল ভূমিতেও মাল্টার চাষ করে সফলতা পেয়েছেন পত্নীতলার চাষিরা।
উৎপাদন খরচ কিছুটা কম এবং স্বাদ ও ঘ্রাণে অতুলনীয় হওয়ায় উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে এ ফলটি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন,এ উপজেলার উৎপাদিত মাল্টার পুষ্টি ও গুণগত মান আমদানিকৃত মাল্টার চেয়েও বেশি।এছাড়া আবহাওয়া ও মাটির গুণাগুণ অনুকূলে থাকায় কৃষি নির্ভর এ উপজেলায় রয়েছে মাল্টা চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা।
‎উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়,চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ৩৫ হেক্টর জমিতে মাল্টার চাষ হয়েছে। এখানে চাষ করা হয় বারি মাল্টা-১ ‎নজিপুর ইউনিয়নের ফয়েমপুর গ্রামের মালটা চাষি মো.শামিম হোসেন এর সাথে প্রতিবেদকের আলাপকালে তিনি জানান ,আমি ২৪ শতক জমিতে মালটা চাষ করেছি।খরচ একটু কম,বাজারে চাহিদাও বেশি।এখন প্রতি মৌসুমে ভালো লাভ করতে পারছি। পত্নীতলা সহ আশেপাশের থানা গুলোতে এখন অনেক উদ্যোক্তা মালটা চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।