ঢাকা ০৩:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চাঁদপুরে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড Logo বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে আউটসোর্সিং নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ Logo ১৪০ বছরের সোনাহাট সেতুর পাটাতন ভেঙে ভারী যান চলাচল বন্ধ Logo ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ হেক্টর ফসল, ৩৫ পয়েন্টে নদীভাঙন Logo সবুজ ক্যাম্পাস গড়তে প্লাস্টিক বর্জন ও বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে Logo নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মসজিদের খতিবের মৃত্যু Logo নোয়াখালীতে শিশু আসমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় তৃতীয় দফায় পেছালো Logo নোয়াখালীতে সড়কে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং Logo নেত্রকোনায় পৌরশহরের রাস্তায় যানজট, সীমাহীন দুর্ভোগ Logo আদমদীঘিতে কীটনাশক ঔষধের দোকানে দু:সাহসিক চুরি

শার্শায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকতার বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

শার্শা (যশোর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যশোরের শার্শা উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জুর বিরুদ্ধে ব্যাপক দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। তিনি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিজের লোক দিয়ে বাস্তবায়ন করে মোটা অংকের বানিজ্য করছেন দীর্ঘদিন ধরে। ইউনিয়নের পরিষদের বেশ ক’জন জনপ্রতিনিধি এই প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনেছেন।
শার্শা ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য রেহেনা খাতুন জানান, গত প্রায় এক বছর ধরে তাকে উপজেলা কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প সংক্রান্ত কাগজপত্রে শুধুমাত্র স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। তবে এসব প্রকল্পের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অভিযোগকারীর অভিযোগ ভিডিও আকারে এ প্রতিনিধির কাছে সংরক্ষিত আছে।
তিনি বলেন, আমি শুধু স্বাক্ষর করেছি। প্রকল্পের কাজ কীভাবে হয়েছে বা কারা বাস্তবায়ন করেছে এ বিষয়ে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি। ভবিষ্যতে এসব প্রকল্পে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে তার দায় আমার ওপর বর্তাবে না এটি আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার জানামতে শার্শা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জু এবং শার্শা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক নুরুজ্জামান পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে টেন্ডারের আড়ালে প্রকল্পগুলো অন্য ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করেছেন। এ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
প্রকল্প কর্মকর্তা টিআর, কাবিখা, কাবিটা প্রকল্প গুলো থেকে ভূয়া সদস্য বানিয়ে তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর করিয়ে নিচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। তার নিজের ত্বত্বাবধানে বেনাপোল পৌর গেট রং, ও সৌন্দর্য বর্ধন প্রকল্প, শার্শা উপজেলা পরিষদ পার্ক, সহ বেশ কছিু প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
প্রকল্প কর্মকর্তা একই স্থানে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করায় এ ধরনের অনিয়ম করা সম্ভব হচ্ছে। তিনি উপরিমহলে দেনদরবার করে এ ধরনের দূর্নীতি করছেন অবাধে। যার নিরপেক্ষ তদন্ত প্রযোজন। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
শার্শা উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জু জানান, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। আনেকই শত্রুতাবশত আমার বিরুদ্ধে সাংবাকিদদের কাছে ভূল তথ্য সরবরাহ করা করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শার্শায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকতার বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় :

যশোরের শার্শা উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জুর বিরুদ্ধে ব্যাপক দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠছে। তিনি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিজের লোক দিয়ে বাস্তবায়ন করে মোটা অংকের বানিজ্য করছেন দীর্ঘদিন ধরে। ইউনিয়নের পরিষদের বেশ ক’জন জনপ্রতিনিধি এই প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনেছেন।
শার্শা ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য রেহেনা খাতুন জানান, গত প্রায় এক বছর ধরে তাকে উপজেলা কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প সংক্রান্ত কাগজপত্রে শুধুমাত্র স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। তবে এসব প্রকল্পের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অভিযোগকারীর অভিযোগ ভিডিও আকারে এ প্রতিনিধির কাছে সংরক্ষিত আছে।
তিনি বলেন, আমি শুধু স্বাক্ষর করেছি। প্রকল্পের কাজ কীভাবে হয়েছে বা কারা বাস্তবায়ন করেছে এ বিষয়ে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি। ভবিষ্যতে এসব প্রকল্পে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে তার দায় আমার ওপর বর্তাবে না এটি আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার জানামতে শার্শা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জু এবং শার্শা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক নুরুজ্জামান পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে টেন্ডারের আড়ালে প্রকল্পগুলো অন্য ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করেছেন। এ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
প্রকল্প কর্মকর্তা টিআর, কাবিখা, কাবিটা প্রকল্প গুলো থেকে ভূয়া সদস্য বানিয়ে তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর করিয়ে নিচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। তার নিজের ত্বত্বাবধানে বেনাপোল পৌর গেট রং, ও সৌন্দর্য বর্ধন প্রকল্প, শার্শা উপজেলা পরিষদ পার্ক, সহ বেশ কছিু প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
প্রকল্প কর্মকর্তা একই স্থানে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করায় এ ধরনের অনিয়ম করা সম্ভব হচ্ছে। তিনি উপরিমহলে দেনদরবার করে এ ধরনের দূর্নীতি করছেন অবাধে। যার নিরপেক্ষ তদন্ত প্রযোজন। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
শার্শা উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জু জানান, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। আনেকই শত্রুতাবশত আমার বিরুদ্ধে সাংবাকিদদের কাছে ভূল তথ্য সরবরাহ করা করেছে।