শেরপুরে গভীর মাটি খনন ঘিরে কৌতূহল, পাউবোর মাটি পরীক্ষার কাজ বলে দাবি
- আপডেট সময় : ১৬ বার পড়া হয়েছে
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; hdrForward: 0; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 37;
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের কচুয়াপাড়া গ্রামে একটি পৈতৃক জমিতে গভীর মাটি খননকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল বুধবার (১ জুলাই) রাত ৯টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মো. আনিছুর রহমানের বসতবাড়ির পাশের পৈতৃক জমিতে প্রায় ৬০০ ফুট গভীর পর্যন্ত খননের কাজ চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম জানান, জমির মালিকদের পক্ষ থেকে এ ধরনের খননের কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। তবে স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) অনুমোদন দিয়েছেন কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।
এলাকার মসজিদের ইমাম বলেন, “কী উদ্দেশ্যে এখানে খনন করা হচ্ছে, তা আগে থেকেই গ্রামবাসীকে জানানো হলে মানুষের মধ্যে এত কৌতূহল বা নানা ধরনের গুঞ্জনের সৃষ্টি হতো না।”
খননকাজে নিয়োজিত শ্রমিক হেলাল উদ্দিন জানান, তারা খুলনা থেকে এসেছেন। প্রকৌশলী নাহিদের তত্ত্বাবধানে এই কাজ পরিচালিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে কচুয়াপাড়া গ্রামের ইউপি সদস্য আনিসুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা জানান, এখানে আমার কোনো খরচ হবে না এবং মাটি পরীক্ষার জন্য খনন করা হবে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমি অনুমতি দিয়েছি। তবে গ্রামবাসীকে আগে থেকে বিস্তারিত জানানো না হওয়ায় বিভিন্ন ধরনের কানাঘুষা চলছে।”
মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে প্রকৌশলী নাহিদ জানান, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাটি পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, “এটি একটি সরকারি প্রকল্পের অংশ। নির্ধারিত স্থানে গভীর মাটি পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমোদন নেওয়া হয়েছে।”
শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, “বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে একটি চিঠি পেয়েছি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মাটি পরীক্ষার কাজ পরিচালিত হচ্ছে।”
তবে খননের প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে শুরুতে স্থানীয়দের স্পষ্টভাবে অবহিত না করায় এলাকাজুড়ে নানা আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ভবিষ্যতে এ ধরনের সরকারি কার্যক্রম শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত জনগণকে প্রয়োজনীয় তথ্য জানিয়ে বিভ্রান্তির অবসান ঘটানো।













