ঢাকা ০৬:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

ষাটগম্বুজ মসজিদ ও বাগেরহাট যাদুঘরের ই-টিকেটিং চালু

বাগেরহাট প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পর্যটকদের ভোগান্তি কমানো ও সময় সাশ্রয়ের জন্য বাগেরহাটের বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ ও বাগেরহাট যাদুঘরে প্রবেশের জন্য ই-টিকিটিং সেবা চালু করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ষাটগম্বুজ মসজিদের প্রধান ফটকে এই সেবার উদ্বোধন করেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব।
এসময়, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাবিনা আলম, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক লাভলী ইয়াসমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ শামীম হোসেন, বাগেরহাট জাদুঘরের কাস্টুডিয়ান মোঃ জাহেদসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা। ই-টিকিটিং সেবার মাধ্যমে আধুনিক ব্যবস্থাপনায় দর্শনার্থীদের প্রবেশ আরও সহজ হবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।
উদ্বোধন শেষে বিশেষ সরকারি ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, ই-টিকিটিং সেবা চালুর মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সময় বাঁচবে এবং ভোগান্তি কমবে। এটি পর্যটন ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বাগেরহাটের পযটন শিল্পের বিকাশে ষাটগম্বুজ মসজিদসহ প্রাচিন আমলের যেসব স্থাপনা রয়েছে, সেগুলো যে স্থাপত্যশৈলীর, বাগেরহাটের অন্যান্য স্থাপনাগুলোও সেই স্থাপত্য শৈলিতে নির্মান করা গেলে বাগেরহাটের পর্যটন শিল্পে অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
তিনি আরও বলেন, ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার পর্যটকদের আকৃষ্ট করবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যটনের ক্ষেত্রেও বাগেরহাট নতুনভাবে পরিচিতি পাবে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাবিনা আলম, বিশ্ব ঐতিহ্য এই স্থাপনাগুলোকে আরও দর্শনার্থীবান্ধব করতে সরকার কাজ করছে। ই-টিকিটিং সেবার মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও সেবার মান বাড়বে। আশা করি প্রতি বছর প্রতি বছর দেশ-বিদেশের হাজারো পর্যটক বাড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ষাটগম্বুজ মসজিদ ও বাগেরহাট যাদুঘরের ই-টিকেটিং চালু

আপডেট সময় :

পর্যটকদের ভোগান্তি কমানো ও সময় সাশ্রয়ের জন্য বাগেরহাটের বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ ও বাগেরহাট যাদুঘরে প্রবেশের জন্য ই-টিকিটিং সেবা চালু করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ষাটগম্বুজ মসজিদের প্রধান ফটকে এই সেবার উদ্বোধন করেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব।
এসময়, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাবিনা আলম, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক লাভলী ইয়াসমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ শামীম হোসেন, বাগেরহাট জাদুঘরের কাস্টুডিয়ান মোঃ জাহেদসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা। ই-টিকিটিং সেবার মাধ্যমে আধুনিক ব্যবস্থাপনায় দর্শনার্থীদের প্রবেশ আরও সহজ হবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।
উদ্বোধন শেষে বিশেষ সরকারি ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, ই-টিকিটিং সেবা চালুর মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সময় বাঁচবে এবং ভোগান্তি কমবে। এটি পর্যটন ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বাগেরহাটের পযটন শিল্পের বিকাশে ষাটগম্বুজ মসজিদসহ প্রাচিন আমলের যেসব স্থাপনা রয়েছে, সেগুলো যে স্থাপত্যশৈলীর, বাগেরহাটের অন্যান্য স্থাপনাগুলোও সেই স্থাপত্য শৈলিতে নির্মান করা গেলে বাগেরহাটের পর্যটন শিল্পে অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
তিনি আরও বলেন, ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার পর্যটকদের আকৃষ্ট করবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যটনের ক্ষেত্রেও বাগেরহাট নতুনভাবে পরিচিতি পাবে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাবিনা আলম, বিশ্ব ঐতিহ্য এই স্থাপনাগুলোকে আরও দর্শনার্থীবান্ধব করতে সরকার কাজ করছে। ই-টিকিটিং সেবার মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও সেবার মান বাড়বে। আশা করি প্রতি বছর প্রতি বছর দেশ-বিদেশের হাজারো পর্যটক বাড়বে।