ঢাকা ০১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

সালথায় বোনের সার্টিফিকেট দিয়ে আনসার বিডিপিতে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ

ফরিদপুর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৮৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের ইউসুফ দিয়া লায়েক মাতুব্বরের মেয়ে তাছলিমা বেগম(৪৫) বিরুদ্ধে নকল ও জাল সার্টিফিকেট বানিয়ে আনসার বিডিপিতে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে।
সারেজমিন গিয়ে দেখা যায়,লায়েক মাতুব্বরের ৪ ছেলে ৩ মেয়ে। তাছলিমা মেয়েদের মধ্যে দ্বিতীয়।সে তার আপন ছোট বোনের কাগজপত্র জাল ও নকল করে আনসার ভিডিপি বল্লভদী ইউনিয়ন পরিষদের দলনেত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন চাকরি করে আসছেন। তার পিতার ভিডিও ও এলাকাবাসীর সাক্ষাৎকারে প্রতিবেদক এ তথ্য নিশ্চিত হন।
জাল ও নকল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়াটা, জাতির সাথে প্রতারণা হয় কিনা এমন প্রশ্নে এলাকাবাসীর মধ্যে বিরাজ করছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
বল্লভদী ইউনিয়নের বিষ্ণুদী গ্রামের বাসিন্দা মুন্নু শেখ বলেন, তার নাম হলো তাসলিমা,চাকরি করে তানজিলা সার্টিফিকেট দিয়ে ,তার বোনের সার্টিফিকেট, তার নামইতো ভিন্ন, অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ছে, কিন্তু আয়ে পাশের সার্টিফিকেট দিয়ে কিভাবে চাকরি করে,জাল সার্টিফিকেট দিয়ে কিভাবে চাকরি করে, সার্টিফিকেট হলো আর একজনের ,নিজের নামও ঠিক নাই, সার্টিফিকেট ও ঠিক নাই। গত সোমবার ২৫ (আগষ্ট )উপজেলা প্রশাসনের বরাবর এ বিষয়ে একটি অভিযোগ জমা দেন তিনি।
নকল ও জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি করার বিষয়ে তাসলিমা ওরফে তানজিলা মুঠোফোনে জানান আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
সালথা উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা রহিমা খাতুন,অভিযোগ স্বীকার করে তিনি বলেন, অভিযোগটি এর আগেও পেয়েছি সঠিক তথ্য পেলে পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সালথায় বোনের সার্টিফিকেট দিয়ে আনসার বিডিপিতে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় :

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের ইউসুফ দিয়া লায়েক মাতুব্বরের মেয়ে তাছলিমা বেগম(৪৫) বিরুদ্ধে নকল ও জাল সার্টিফিকেট বানিয়ে আনসার বিডিপিতে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে।
সারেজমিন গিয়ে দেখা যায়,লায়েক মাতুব্বরের ৪ ছেলে ৩ মেয়ে। তাছলিমা মেয়েদের মধ্যে দ্বিতীয়।সে তার আপন ছোট বোনের কাগজপত্র জাল ও নকল করে আনসার ভিডিপি বল্লভদী ইউনিয়ন পরিষদের দলনেত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন চাকরি করে আসছেন। তার পিতার ভিডিও ও এলাকাবাসীর সাক্ষাৎকারে প্রতিবেদক এ তথ্য নিশ্চিত হন।
জাল ও নকল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়াটা, জাতির সাথে প্রতারণা হয় কিনা এমন প্রশ্নে এলাকাবাসীর মধ্যে বিরাজ করছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
বল্লভদী ইউনিয়নের বিষ্ণুদী গ্রামের বাসিন্দা মুন্নু শেখ বলেন, তার নাম হলো তাসলিমা,চাকরি করে তানজিলা সার্টিফিকেট দিয়ে ,তার বোনের সার্টিফিকেট, তার নামইতো ভিন্ন, অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ছে, কিন্তু আয়ে পাশের সার্টিফিকেট দিয়ে কিভাবে চাকরি করে,জাল সার্টিফিকেট দিয়ে কিভাবে চাকরি করে, সার্টিফিকেট হলো আর একজনের ,নিজের নামও ঠিক নাই, সার্টিফিকেট ও ঠিক নাই। গত সোমবার ২৫ (আগষ্ট )উপজেলা প্রশাসনের বরাবর এ বিষয়ে একটি অভিযোগ জমা দেন তিনি।
নকল ও জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি করার বিষয়ে তাসলিমা ওরফে তানজিলা মুঠোফোনে জানান আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
সালথা উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা রহিমা খাতুন,অভিযোগ স্বীকার করে তিনি বলেন, অভিযোগটি এর আগেও পেয়েছি সঠিক তথ্য পেলে পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।