সৎ বোনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১৭ বার পড়া হয়েছে
বাগেরহাটে সৎ বোন উম্মে হামীমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, জমি দখল ও নানাবিধ হয়রানির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মোহাম্মদ আরাফাত সিকদার (এস, এম আরাফাত রহমান)। আজ (৪ জুলাই, ২০২৬) সকাল ১১:০০ টায় বাগেরহাট প্রেস ক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোল্লাহাট উপজেলার গাড়ফা গ্রামের মৃত সিকদার বাদশা মিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত সিকদার বলেন, তাঁর পিতা সিকদার বাদশা মিয়া মোল্লাহাট উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বাবার জীবদ্দশায় সকল সম্পত্তি ভাইবোনদের মধ্যে সুষম বণ্টন করে দেওয়া হলেও, তাঁর সৎ বোন ও মোল্লাহাট উপজেলা মহিলা লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি উম্মে হামীমা ক্ষমতার অপব্যবহার করে অন্যান্য ভাইবোনদের ওপর নির্যাতন ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছেন।
লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, উম্মে হামীমা বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে জোর খাট্টিয়ে পৈতৃক জমির ওপর দিয়ে সাধারণের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে ব্যক্তিগত রাস্তা তৈরির চেষ্টা করেন। এর প্রতিবাদ করায় গত ২৪/০৩/২৬ তারিখে আরাফাত সিকদারের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। তার দুই মাকে নিয়ে ওমরাহ হজ পালন করে আসার পর মোল্লাহাট থানার তৎকালীন ওসির মাধ্যমে বিপুল অর্থের বিনিময়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করিয়ে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হয় বলেও তিনি দাবি করেন। এছাড়া তাঁর আরেক ভাই এস এম বুরহান উদ্দিনের বিরুদ্ধেও শ্লীলতাহানির মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, শহীদ হেমায়েত উদ্দিন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উম্মে হামীমা ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের ছেলে নাজমুস সাকিবকে অবৈধভাবে চাকুরি দিয়েছেন এবং বিদ্যালয়ের দুটি রুম বিশিষ্ট বিল্ডিং বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়া খুলনা, মোল্লাহাট ও ঢাকায় তাঁর নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ রয়েছে, যা দুদক বা সরকারি সংস্থার মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানান ভুক্তভোগী পরিবার।
আরাফাত সিকদার অভিযোগ করেন, উম্মে হামীমা পৈতৃক পুকুর পাড়ের সাধারণ রাস্তাটি আংশিক বন্ধ করে নিজের উঠান ও ফুলের বাগান তৈরি করেছেন, যার ফলে বাবার লাগানো ফলজ গাছ কেটে ফেলার উপক্রম হয়েছে। এই স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদ করায় পুরো পরিবার আজ চরম হয়রানির শিকার।
সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে আরাফাত সিকদার প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে এই অন্যায়ের সুষ্ঠু তদন্ত ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। এ সময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।













