হোটেল বর্জ্যে গ্রামীণ সড়ক ধস, শেরপুরে দেড় ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ
- আপডেট সময় : ১৬ বার পড়া হয়েছে
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; hdrForward: 0; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 36;
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে হোটেলের পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত বর্জ্য পানি পাশের একটি ছোট পুকুরে ফেলা হচ্ছে। পুকুরটি বর্জ্য পানি ধারণ করতে না পারায় পানি উপচে সড়কের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে ধীরে ধীরে সড়কের মাটি ক্ষয় হয়ে বৃহস্পতিবার সকালে রাস্তার একটি অংশ ধসে পড়ে।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা নাবিল হাইওয়ে হোটেলে প্রবেশের সব ধরনের যানবাহন প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকে রেখে বিক্ষোভ করেন। এতে হোটেলের কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়।
ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আরিফুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে হোটেলের বর্জ্য ও মলমূত্র মিশ্রিত পানি ছোট একটি পুকুরে ফেলা হচ্ছে। পুকুরে আর পানি ধারণের সক্ষমতা নেই। দুর্গন্ধযুক্ত ওই পানি রাস্তায় এসে পড়ায় সড়ক ধসে গেছে। গ্রামবাসী আর এভাবে বর্জ্য পানি ফেলতে দেবে না।”
এ বিষয়ে নাবিল হাইওয়ে হোটেলের জেনারেল ম্যানেজার সাগর বলেন, “গ্রামবাসীর যৌক্তিক দাবি আমরা মেনে নেব এবং সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
শেরপুর উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ জানান, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, “গ্রামবাসীর অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সড়কটি সংস্কার এবং হোটেলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার স্থায়ী সমাধান না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ও জনদুর্ভোগের আশঙ্কা রয়েছে।














