ঢাকা ১২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

কুড়িগ্রাম খাদ্য গুদামে দুদকের অভিযান

৫২১ মেট্রিক টন ধান ও ৩৫ মেট্রিক টন চাউল উধাওয়ের অভিযোগ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৯৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুড়িগ্রামে জেলা খাদ্য গুদামে অভিযান চালিয়ে ধান ও চালের মজুদে বড় ধরনের গরমিল পেয়েছে দুনীর্তি দমন কমিশন (দুদক)।
গতকাল রোববার জেলা শহরের নতুন রেল স্টেশন এলাকায় দিনভর জেলা খাদ্যগুদামের ৮ টি গোডাউন পরিদর্শন করে ৫২১ মেট্রিক টন ধান ও ৩৫ মেট্রিক টন চাল না পাওয়ার অভিযোগ দুদক কর্মকর্তার।
দুদক সুত্র জানায়, কৃষকদের পরিবর্তে ব্যবসায়ীদের নিকট নিম্নমানের চাল সংগ্রহ, নতুন বস্তার পরিবর্তে পুরাতন বস্তা ব্যবহার এবং ধান চাউল অন্যত্র বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্ণীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে এ অভিযান পরিচারনা করে।
জেলা দুনীর্তি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক মো: সাবদারুর ইসলাম জানায়, ধান ও চাল ঘাটতি পাওয়া গোডাইন সিলগালা করা হয়েছে। ঘাটতি বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা কোন সদোত্তর দিতে না পারায় পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানায় দুদক কর্মকর্তা। এছাড়াও খাবার অনুপোযোগী চালও গাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
তবে এবিষয়ে জেলা খাদ্য মোহাম্মদ কাজী নিয়ন্ত্রক হামিদুল হককে একাধিকবার ফোন দিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কুড়িগ্রাম খাদ্য গুদামে দুদকের অভিযান

৫২১ মেট্রিক টন ধান ও ৩৫ মেট্রিক টন চাউল উধাওয়ের অভিযোগ

আপডেট সময় :

কুড়িগ্রামে জেলা খাদ্য গুদামে অভিযান চালিয়ে ধান ও চালের মজুদে বড় ধরনের গরমিল পেয়েছে দুনীর্তি দমন কমিশন (দুদক)।
গতকাল রোববার জেলা শহরের নতুন রেল স্টেশন এলাকায় দিনভর জেলা খাদ্যগুদামের ৮ টি গোডাউন পরিদর্শন করে ৫২১ মেট্রিক টন ধান ও ৩৫ মেট্রিক টন চাল না পাওয়ার অভিযোগ দুদক কর্মকর্তার।
দুদক সুত্র জানায়, কৃষকদের পরিবর্তে ব্যবসায়ীদের নিকট নিম্নমানের চাল সংগ্রহ, নতুন বস্তার পরিবর্তে পুরাতন বস্তা ব্যবহার এবং ধান চাউল অন্যত্র বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্ণীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে এ অভিযান পরিচারনা করে।
জেলা দুনীর্তি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক মো: সাবদারুর ইসলাম জানায়, ধান ও চাল ঘাটতি পাওয়া গোডাইন সিলগালা করা হয়েছে। ঘাটতি বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা কোন সদোত্তর দিতে না পারায় পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানায় দুদক কর্মকর্তা। এছাড়াও খাবার অনুপোযোগী চালও গাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
তবে এবিষয়ে জেলা খাদ্য মোহাম্মদ কাজী নিয়ন্ত্রক হামিদুল হককে একাধিকবার ফোন দিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়।