ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ভারী বর্ষণে কুষ্টিয়া শহরের নীচু এলাকা প্লাবিত

শরিফ মাহমুদ, কুষ্টিয়া
  • আপডেট সময় : ৯০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারী বর্ষণে কুষ্টিয়া শহরের নীচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। শহরের চারপাশে বয়ে চলেছে গড়াই নদী, রয়েছে অসংখ্য খাল-বিল—তবুও শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা একেবারেই নাজুক। মাত্র আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতেই রাস্তা পানিতে ডুবে গেলে সেই পানি নামতে সময় লাগে ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা। দুঃখজনক হলেও সত্য, গড়াই নদী থেকে মাত্র ২০০–৩০০ মিটার দূরে অবস্থিত এন. এস. রোডের পানি নামতে লাগে তিন থেকে চার ঘণ্টা! এটি কেবল হতাশাজনক নয়, বরং নগর ব্যবস্থাপনার চরম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি।
এর জন্য যেমন দায়ী স্থানীয় সরকার ও প্রশাসনের উদাসীনতা, তেমনি সমানভাবে দায়ী দোকানদাররা। দিনের পর দিন তারা ড্রেনের ভেতর দুনিয়ার সব আবর্জনা, পণ্যের প্যাকেট, প্লাস্টিক ও নোংরা ফেলে ভরাট করে ফেলছে। এতে ড্রেনের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। শুধু এন. এস. রোড নয়, কুষ্টিয়ার প্রায় প্রতিটি বাজার ও সড়কের দৃশ্য একই রকম। একদিকে প্রশাসনের খামখেয়ালিপনা, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের অসচেতনতা। এই দুইয়ের মিশ্রণেই আজ শহরবাসীকে ভোগ করতে হচ্ছে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ভারী বর্ষণে কুষ্টিয়া শহরের নীচু এলাকা প্লাবিত

আপডেট সময় :

ভারী বর্ষণে কুষ্টিয়া শহরের নীচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। শহরের চারপাশে বয়ে চলেছে গড়াই নদী, রয়েছে অসংখ্য খাল-বিল—তবুও শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা একেবারেই নাজুক। মাত্র আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতেই রাস্তা পানিতে ডুবে গেলে সেই পানি নামতে সময় লাগে ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা। দুঃখজনক হলেও সত্য, গড়াই নদী থেকে মাত্র ২০০–৩০০ মিটার দূরে অবস্থিত এন. এস. রোডের পানি নামতে লাগে তিন থেকে চার ঘণ্টা! এটি কেবল হতাশাজনক নয়, বরং নগর ব্যবস্থাপনার চরম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি।
এর জন্য যেমন দায়ী স্থানীয় সরকার ও প্রশাসনের উদাসীনতা, তেমনি সমানভাবে দায়ী দোকানদাররা। দিনের পর দিন তারা ড্রেনের ভেতর দুনিয়ার সব আবর্জনা, পণ্যের প্যাকেট, প্লাস্টিক ও নোংরা ফেলে ভরাট করে ফেলছে। এতে ড্রেনের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। শুধু এন. এস. রোড নয়, কুষ্টিয়ার প্রায় প্রতিটি বাজার ও সড়কের দৃশ্য একই রকম। একদিকে প্রশাসনের খামখেয়ালিপনা, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের অসচেতনতা। এই দুইয়ের মিশ্রণেই আজ শহরবাসীকে ভোগ করতে হচ্ছে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ।