ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শেরপুরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালটসহ ভোটের উপকরণ Logo সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর প্রস্তুতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানে আনসার-ভিডিপি Logo নির্বাচনী মাঠে তৎপর আনসার বাহিনীর ১,১৯১টি স্ট্রাইকিং টিম Logo কাঁঠালিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে, আহত-৭ Logo শাল্লায় জালিয়াতি করে জলমহাল দখল চেষ্টার অভিযোগ Logo বাগেরহাটে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী Logo মাগুরায় দুই আসনে ৭ দলের ১১ প্রার্থী Logo ২য় পদ্মা সেতু ও নদী শাসন ইসু প্রভাব ফেলবে গোয়ালন্দের ভোটের হিসেবে Logo ‘এবার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোনো সুযোগ নেই’ Logo পেঁয়াজের সাদা ফুলে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন গোয়ালন্দের চাষিরা

রুমার পর থানচিতে ফিল্মী কায়দায় ২ ব্যাংকে ডাকাতি

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ৩৬৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

রাতে রুমায় ব্যাংকের ডাকাতির পর দিনেদুপুরে থানচির সোনালী ব্যাংক ও কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির ঘটনা ঘটলো। বুধবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১টা নাগাদ থানচি বাজার ঘেরাও করে অস্ত্রধারীরা ব্যাংকে লুপতরাজ চালায়।

এসময় সোনালী ও পাশের কৃষি ব্যাংকে ঢুকে ফিল্মী কায়দায় সবাইকে জিম্মি করে এবং টাকা লুটের সঙ্গে বাজারের বেশ কয়েকজনের মোবাইল ফোন লুটে নিয়ে ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে চলে যায় তারা।

কৃষি ব্যাংকের থানচি উপজেলার শাখার ব্যবস্থাপক হ্লা সুই থোয়াই বলেন, তারা চোখের পলকে ব্যাংকে ঢুকে সবাইকে জিম্মি করে একটি কক্ষে নিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেয়। তারা ব্যাংকের কি পরিমাণ টাকা লুট হয়েছে তা সব দেখার পর বলা যাবে।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রাত ৯টা নাগাদ ৭০-৮০ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী রুমা উপজেলা পরিষদ এলাকা ঘেরাও করে সোনালী ব্যাংকে গিয়ে পাহারারত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের অস্ত্র কেড়ে নেয় এবং মারধর করে। ব্যাংকে ঢুকে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। সেই সঙ্গে ব্যাংকের ম্যানেজারকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার সৈকত শাহীন জানান, স্থানীয়দের ধারণা এ ঘটনা নব্য বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকিচিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) ঘটিয়ে থাকতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রুমার পর থানচিতে ফিল্মী কায়দায় ২ ব্যাংকে ডাকাতি

আপডেট সময় :

 

রাতে রুমায় ব্যাংকের ডাকাতির পর দিনেদুপুরে থানচির সোনালী ব্যাংক ও কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির ঘটনা ঘটলো। বুধবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১টা নাগাদ থানচি বাজার ঘেরাও করে অস্ত্রধারীরা ব্যাংকে লুপতরাজ চালায়।

এসময় সোনালী ও পাশের কৃষি ব্যাংকে ঢুকে ফিল্মী কায়দায় সবাইকে জিম্মি করে এবং টাকা লুটের সঙ্গে বাজারের বেশ কয়েকজনের মোবাইল ফোন লুটে নিয়ে ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে চলে যায় তারা।

কৃষি ব্যাংকের থানচি উপজেলার শাখার ব্যবস্থাপক হ্লা সুই থোয়াই বলেন, তারা চোখের পলকে ব্যাংকে ঢুকে সবাইকে জিম্মি করে একটি কক্ষে নিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেয়। তারা ব্যাংকের কি পরিমাণ টাকা লুট হয়েছে তা সব দেখার পর বলা যাবে।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রাত ৯টা নাগাদ ৭০-৮০ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী রুমা উপজেলা পরিষদ এলাকা ঘেরাও করে সোনালী ব্যাংকে গিয়ে পাহারারত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের অস্ত্র কেড়ে নেয় এবং মারধর করে। ব্যাংকে ঢুকে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। সেই সঙ্গে ব্যাংকের ম্যানেজারকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার সৈকত শাহীন জানান, স্থানীয়দের ধারণা এ ঘটনা নব্য বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকিচিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) ঘটিয়ে থাকতে পারে।