ঢাকা ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

শাল্লায় টাকার বিনিময়ে প্রকল্প অনুমোদনের অভিযোগ জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৩৭২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে নানা অনিয়ম, দুর্নীতির এবং টাকার বিনিময়ে প্রকল্প দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা কাবিটা স্কীম প্রনয়ন কমিটির একজন সদস্যের বিরুদ্ধে । উপজেলা কমিটির সদস্য শাল্লা উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম ৯৮ নং প্রকল্পটি দেড় লক্ষ টাকার বিনিময়ে অনুমোদন দিয়েছে বলে একটি ভিডিও রেকর্ড এসেছে স্থানীয় সংবাদ কর্মীদের হাতে । ভিডিও রেকর্ডে দেখা যায় রাহুতলা গ্রামের ভুক্তভোগী মো. শান্তু মিয়া কয়েকজন লোকের সাথে কথোপকতনে বলেন, পিআইসি কমিটি অনুমোদনের আগে তিনি জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ১ লাখ টাকা দেন। পরে অনুমোদন শেষে আরো ৫০ হাজার টাকা দিয়েছেন বলে ভিডিওতে উল্লেখ করেন। শুধু এই প্রকল্প নয় আরো কয়েকটি প্রকল্প থেকে অনুমোদনের নামে এভাবেই টাকা নিয়েছেন এই কর্মকর্তা।
টাকা লেনদেনের বিষয়ে উপজেলা কাবিটা স্কীম প্রনয়ন কমিটির সদস্য ও উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান, টাকার বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।
তবে উপজেলা কাবিটা স্কীম প্রনয়ন কমিটির আরেক সদস্য গণমাধ্যম প্রতিনিধি পাবেল আহমেদ জানান, ৯৮ নং প্রকল্প টাকার বিনিময়ে অনুমোদন হয়েছে এটা সত্য যা একটি ভিডিও দেখেছি। এছাড়াও তিনি ৪৫ নং পিআইসি থেকেও দেড় লাখ টাকা নিয়েছেন বলে এই সদস্য জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস জানান, পিআইসি দেয়ার নামে কেউ টাকা নিলে এবং এর সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
শুধু তাই নয়, অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর সভাপতি ও সদস্য সচিবদের বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে। এসব অভিযোগগুলো যাচাই বাছাইয়ের জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
এদিকে ১৫ ডিসেম্ভর হাওর রক্ষা বাঁধের কাজ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও হাতেগোনা কয়েকটি প্রকল্প ছাড়া এখনো পর্যন্ত আর কোথাও প্রকল্প কাজের কোনো দৃশ্যমান চোখে পড়েনি। লোক দেখানো উদ্বোধন করা হলেও এসব প্রকল্পে কাজের কোনো অগ্রগতি নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। শুধু তাই নয়, নির্ধারিত সময়ের ২৪ দিন পেরিয়ে গেলেও কয়েকটি প্রকল্প এখনো কোনো অনুমোদন দেয়া হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শাল্লায় টাকার বিনিময়ে প্রকল্প অনুমোদনের অভিযোগ জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

আপডেট সময় :

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে নানা অনিয়ম, দুর্নীতির এবং টাকার বিনিময়ে প্রকল্প দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা কাবিটা স্কীম প্রনয়ন কমিটির একজন সদস্যের বিরুদ্ধে । উপজেলা কমিটির সদস্য শাল্লা উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম ৯৮ নং প্রকল্পটি দেড় লক্ষ টাকার বিনিময়ে অনুমোদন দিয়েছে বলে একটি ভিডিও রেকর্ড এসেছে স্থানীয় সংবাদ কর্মীদের হাতে । ভিডিও রেকর্ডে দেখা যায় রাহুতলা গ্রামের ভুক্তভোগী মো. শান্তু মিয়া কয়েকজন লোকের সাথে কথোপকতনে বলেন, পিআইসি কমিটি অনুমোদনের আগে তিনি জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ১ লাখ টাকা দেন। পরে অনুমোদন শেষে আরো ৫০ হাজার টাকা দিয়েছেন বলে ভিডিওতে উল্লেখ করেন। শুধু এই প্রকল্প নয় আরো কয়েকটি প্রকল্প থেকে অনুমোদনের নামে এভাবেই টাকা নিয়েছেন এই কর্মকর্তা।
টাকা লেনদেনের বিষয়ে উপজেলা কাবিটা স্কীম প্রনয়ন কমিটির সদস্য ও উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান, টাকার বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।
তবে উপজেলা কাবিটা স্কীম প্রনয়ন কমিটির আরেক সদস্য গণমাধ্যম প্রতিনিধি পাবেল আহমেদ জানান, ৯৮ নং প্রকল্প টাকার বিনিময়ে অনুমোদন হয়েছে এটা সত্য যা একটি ভিডিও দেখেছি। এছাড়াও তিনি ৪৫ নং পিআইসি থেকেও দেড় লাখ টাকা নিয়েছেন বলে এই সদস্য জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস জানান, পিআইসি দেয়ার নামে কেউ টাকা নিলে এবং এর সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
শুধু তাই নয়, অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর সভাপতি ও সদস্য সচিবদের বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে। এসব অভিযোগগুলো যাচাই বাছাইয়ের জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
এদিকে ১৫ ডিসেম্ভর হাওর রক্ষা বাঁধের কাজ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও হাতেগোনা কয়েকটি প্রকল্প ছাড়া এখনো পর্যন্ত আর কোথাও প্রকল্প কাজের কোনো দৃশ্যমান চোখে পড়েনি। লোক দেখানো উদ্বোধন করা হলেও এসব প্রকল্পে কাজের কোনো অগ্রগতি নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। শুধু তাই নয়, নির্ধারিত সময়ের ২৪ দিন পেরিয়ে গেলেও কয়েকটি প্রকল্প এখনো কোনো অনুমোদন দেয়া হয়নি।