ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

ভবানীপুরে শুরু ইরি ধানের রোপণ, কৃষকের কর্মচাঞ্চল্য

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১৫৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের আঁশগ্রাম, জামালপুর ও শিখর মৌজায় ইরি ধানের রোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা যায়, কৃষকেরা সারিবদ্ধভাবে ছেলে-মেয়ে জাতের ইরি ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছেলে-মেয়ে ইরি ধান মূলত একটি বীজজাত ধান হিসেবে পরিচিত। এই ধান তুলনামূলকভাবে ফলন ভালো হওয়ায় এবং বাজারে চাহিদা থাকায় কৃষকদের মধ্যে এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নারী-পুরুষ সবাই মিলে মাঠে নেমে চারা রোপণের কাজে অংশ নিচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার জানান, চলতি মৌসুমে শেরপুর উপজেলায় আনুমানিক ২০ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি ধান রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রোপণ সম্পন্ন করতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে ধান রোপণের আগে জমি চাষের সময় মাঠে দেখা গেছে এক মনোরম দৃশ্য। শত শত সাদা বক ও কানা বক জমিতে খাবার সংগ্রহে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। এই দৃশ্য একদিকে যেমন কৃষকের পরিশ্রমের সাক্ষী, অন্যদিকে প্রকৃতির সঙ্গে কৃষিকাজের সুন্দর সহাবস্থানের প্রতিচ্ছবিও তুলে ধরছে।
কৃষকেরা আশা প্রকাশ করেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং সেচ ও সার সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে এবছর ইরি ধানে ভালো ফলন পাওয়া যাবে, যা তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ভবানীপুরে শুরু ইরি ধানের রোপণ, কৃষকের কর্মচাঞ্চল্য

আপডেট সময় :

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের আঁশগ্রাম, জামালপুর ও শিখর মৌজায় ইরি ধানের রোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা যায়, কৃষকেরা সারিবদ্ধভাবে ছেলে-মেয়ে জাতের ইরি ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছেলে-মেয়ে ইরি ধান মূলত একটি বীজজাত ধান হিসেবে পরিচিত। এই ধান তুলনামূলকভাবে ফলন ভালো হওয়ায় এবং বাজারে চাহিদা থাকায় কৃষকদের মধ্যে এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নারী-পুরুষ সবাই মিলে মাঠে নেমে চারা রোপণের কাজে অংশ নিচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার জানান, চলতি মৌসুমে শেরপুর উপজেলায় আনুমানিক ২০ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি ধান রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রোপণ সম্পন্ন করতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে ধান রোপণের আগে জমি চাষের সময় মাঠে দেখা গেছে এক মনোরম দৃশ্য। শত শত সাদা বক ও কানা বক জমিতে খাবার সংগ্রহে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। এই দৃশ্য একদিকে যেমন কৃষকের পরিশ্রমের সাক্ষী, অন্যদিকে প্রকৃতির সঙ্গে কৃষিকাজের সুন্দর সহাবস্থানের প্রতিচ্ছবিও তুলে ধরছে।
কৃষকেরা আশা প্রকাশ করেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং সেচ ও সার সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে এবছর ইরি ধানে ভালো ফলন পাওয়া যাবে, যা তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।