ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

সীমান্তে করিডোর, উচ্চশিক্ষা ও কৃষকদের সমস্যা অগ্রাধিকার পাবে: গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়া বিএনপির যৌথ  আয়োজিত জনসভায়  কাজল।

এস.এম হুমায়ুন কবির, কক্সবাজার
  • আপডেট সময় : ২১০ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার–৩ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব লুৎফর রহমান কাজল বলেছেন, কক্সবাজার জেলার সবচেয়ে অবহেলিত এলাকা কচ্ছপিয়া, গর্জনিয়া ও ঈদগড় ইউনিয়ন। এসব এলাকায় শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান ও কৃষিখাতের মান দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে।
রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ফইজুল উলুম ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসা মাঠে স্মরণকালের বিশাল জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
লুৎফর রহমান কাজল বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দিয়ে জনগণ তাকে নির্বাচিত করলে অবহেলিত এই তিন ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবেন। সাধারণ মানুষের জন্য তার দরজা সব সময় খোলা থাকবে এবং যেকোনো সমস্যায় তিনি পাশে থাকবেন।
তিনি বিশেষভাবে বলেন, মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা এলাকায় অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে এবং বৈধ বাণিজ্য ও যোগাযোগ সহজ করতে সীমান্ত করিডোর বা বাণিজ্য সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করবেন। একই সঙ্গে কচ্ছপিয়া অঞ্চলে কলেজ নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাই সময়ের দাবি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠা গড়ে তুলতে তিনি আন্তরিকভাবে সার্বিক সহযোগিতা করবেন।
কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছৈয়দ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আক্তারুল আলম চৌধুরী, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা নেজাম উদ্দিনসহ স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন। সভা পরিচালনা করেন কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাইমুনুল হক মামুন।
সভায় আরও বক্তব্য দেন গর্জনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল আলীম, কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, রামু উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপি নেতা রেজাউল করিম টিপু, উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক সিকদার, গর্জনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মহিবুল্লাহ, সিনিয়র সহসভাপতি মাস্টার সামছুল আলম, গর্জনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির উপদেষ্টা হামিদুর রহমান, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন,রামু উপজেলা ছাত্র দলের যুগ্ম আহবায়ক আজিজুল হক আজিজ,  সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মালেক, ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি দিদারুল আলম, সিনিয়র সহসভাপতি শহিদুল্লাহ,কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবু হান্নান মেম্বার সাধারণ সম্পাদক সামছল  আলম শাহীন,গর্জনিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক লুৎফর রহমান।
 বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। জনসভা শেষে জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গসংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা কবির আহমদ সওদাগরের নেতৃত্বে একদল নেতা-কর্মী বিএনপিতে যোগদান করেন।
এদিকে সভা শেষে গ্রামীণ এলাকায় নেচে-গেয়ে মিছিল চলাকালে অতিরিক্ত ভিড় ও ক্লান্তিতে অন্তত শতাধিক সমর্থক অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, তারা সবাই আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।গর্জনিয়া ইউনিয়ন থেকে কয়েক হাজার নেতাকর্মী ও জনগণের বিশাল মিছিল সহকারে বিএনপি নেতারা জনসভাস্হলেে পৌঁছান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সীমান্তে করিডোর, উচ্চশিক্ষা ও কৃষকদের সমস্যা অগ্রাধিকার পাবে: গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়া বিএনপির যৌথ  আয়োজিত জনসভায়  কাজল।

আপডেট সময় :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার–৩ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব লুৎফর রহমান কাজল বলেছেন, কক্সবাজার জেলার সবচেয়ে অবহেলিত এলাকা কচ্ছপিয়া, গর্জনিয়া ও ঈদগড় ইউনিয়ন। এসব এলাকায় শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান ও কৃষিখাতের মান দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে।
রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ফইজুল উলুম ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসা মাঠে স্মরণকালের বিশাল জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
লুৎফর রহমান কাজল বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দিয়ে জনগণ তাকে নির্বাচিত করলে অবহেলিত এই তিন ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবেন। সাধারণ মানুষের জন্য তার দরজা সব সময় খোলা থাকবে এবং যেকোনো সমস্যায় তিনি পাশে থাকবেন।
তিনি বিশেষভাবে বলেন, মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা এলাকায় অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে এবং বৈধ বাণিজ্য ও যোগাযোগ সহজ করতে সীমান্ত করিডোর বা বাণিজ্য সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করবেন। একই সঙ্গে কচ্ছপিয়া অঞ্চলে কলেজ নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাই সময়ের দাবি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠা গড়ে তুলতে তিনি আন্তরিকভাবে সার্বিক সহযোগিতা করবেন।
কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছৈয়দ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আক্তারুল আলম চৌধুরী, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা নেজাম উদ্দিনসহ স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন। সভা পরিচালনা করেন কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাইমুনুল হক মামুন।
সভায় আরও বক্তব্য দেন গর্জনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল আলীম, কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, রামু উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপি নেতা রেজাউল করিম টিপু, উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক সিকদার, গর্জনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মহিবুল্লাহ, সিনিয়র সহসভাপতি মাস্টার সামছুল আলম, গর্জনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির উপদেষ্টা হামিদুর রহমান, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন,রামু উপজেলা ছাত্র দলের যুগ্ম আহবায়ক আজিজুল হক আজিজ,  সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মালেক, ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি দিদারুল আলম, সিনিয়র সহসভাপতি শহিদুল্লাহ,কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবু হান্নান মেম্বার সাধারণ সম্পাদক সামছল  আলম শাহীন,গর্জনিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক লুৎফর রহমান।
 বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। জনসভা শেষে জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গসংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা কবির আহমদ সওদাগরের নেতৃত্বে একদল নেতা-কর্মী বিএনপিতে যোগদান করেন।
এদিকে সভা শেষে গ্রামীণ এলাকায় নেচে-গেয়ে মিছিল চলাকালে অতিরিক্ত ভিড় ও ক্লান্তিতে অন্তত শতাধিক সমর্থক অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, তারা সবাই আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।গর্জনিয়া ইউনিয়ন থেকে কয়েক হাজার নেতাকর্মী ও জনগণের বিশাল মিছিল সহকারে বিএনপি নেতারা জনসভাস্হলেে পৌঁছান।