কক্সবাজারের সাঁড়াশি অভিযানে ৩৬ গ্রেফতার
- আপডেট সময় : ২৩ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজার জেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার সদর মডেল থানা ও রামু থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে মোট ৩৬ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে পরোয়ানাভুক্ত আসামি, ডাকাতির প্রস্তুতিতে জড়িত চক্র, চোরচক্র এবং মাদক মামলার আসামিরা রয়েছে।
রামু থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত ৫ জনসহ মোট ১৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সুপার এ.এন.এম সাজেদুর রহমানের নির্দেশনায় এবং রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়ার নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
গ্রেফতারদের মধ্যে জিআর ও সিআর মামলার একাধিক পরোয়ানাভুক্ত আসামি রয়েছে। এছাড়া ডাকাতি, মাদক ও অন্যান্য অপরাধে জড়িত আরও ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।এদিকে
সদর মডেল থানায় ২১ গ্রেফতার
অন্যদিকে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মোঃ ছমি উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে ডাকাতির প্রস্তুতি মামলায় ৫ জন এবং চুরির মামলায় ৫ জনসহ মোট ১০ জন সরাসরি অপরাধ সংঘটনের সাথে জড়িত ছিল। এছাড়া বিভিন্ন মামলার ১১ জন পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামিকেও আটক করা হয়।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে অন্তর্ভুক্ত মামলাগুলোর ধরন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানের ফলে সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আসামি গ্রেফতার হওয়া ভবিষ্যৎ বড় ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
পুলিশের অবস্থান সদর মডেল থানার ওসি মোঃ ছমি উদ্দিন জানান, “অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। ছিনতাই, চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”
একইভাবে রামু থানা পুলিশও জানায়, নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে জোর দেওয়া হচ্ছে।
জনমনে প্রভাব স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, পুলিশের এমন সমন্বিত ও ধারাবাহিক অভিযানে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরছে। তবে এই অভিযান যেন সাময়িক না হয়ে নিয়মিত ও গোয়েন্দা তথ্যনির্ভর হয়—সেই দাবি জানিয়েছেন তারা।একই দিনে জেলার দুই গুরুত্বপূর্ণ থানায় ৩৬ জন আসামি গ্রেফতার হওয়া কক্সবাজারে পুলিশের সক্রিয়তা ও কঠোর অবস্থানের স্পষ্ট প্রমাণ। তবে অপরাধ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং জনসম্পৃক্ততা আরও জোরদার করা জরুরি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।



















