ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

শেরপুর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ভিপি বাবলুকে মনোনয়নের দাবি

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় আসন্ন উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। স্থানীয় রাজনীতি, পেশাজীবী সংগঠন, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের মানুষের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন শেরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি শহিদুল ইসলাম বাবলু।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ইতোমধ্যে তার পক্ষে পোস্টার, ব্যানার ও প্রচারণা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বিএনপি নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণের একটি বড় অংশ তাকে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ভিপি শহিদুল ইসলাম বাবলু দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। ১৯৮৭ সালে শেরপুর ডিগ্রি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং টানা ২৭ বছর শেরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।
দলের নেতাকর্মীদের দাবি, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি কখনো দলের সঙ্গে আপস বা বিশ্বাসঘাতকতা করেননি। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি একাধিকবার কারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে স্বৈরাচারী শাসনামলে তিনি সামনের সারিতে থেকে দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও কর্মসূচি সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় তিনি যেমন সাহসী ভূমিকা পালন করেন, তেমনি কর্মসূচি শেষে নেতাকর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখেন। এছাড়া সাধারণ মানুষের যেকোনো সমস্যায় দ্রুত সাড়া দেওয়ার কারণে এলাকায় তিনি একজন সহজপ্রাপ্য ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
উল্লেখ্য, শেরপুরে আলোচিত ‘চার খলিফা’ নামে পরিচিত নেতাদের অনেকেই ইতোমধ্যে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হলেও ভিপি শহিদুল ইসলাম বাবলু এখন পর্যন্ত কোনো জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে অংশ নেননি। ফলে এবারের উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
২০২২ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে তিনি বিপুল ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হন, যা তার জনপ্রিয়তারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের দাবি, আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে তাকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেওয়া হলে তিনি এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। এ বিষয়ে তারা বিএনপির কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকদের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, “জনগণের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে থাকা একজন পরীক্ষিত নেতা ভিপি শহিদুল ইসলাম বাবলু চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে শেরপুর উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শেরপুর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ভিপি বাবলুকে মনোনয়নের দাবি

আপডেট সময় :

বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় আসন্ন উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। স্থানীয় রাজনীতি, পেশাজীবী সংগঠন, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের মানুষের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন শেরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি শহিদুল ইসলাম বাবলু।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ইতোমধ্যে তার পক্ষে পোস্টার, ব্যানার ও প্রচারণা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বিএনপি নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণের একটি বড় অংশ তাকে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ভিপি শহিদুল ইসলাম বাবলু দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। ১৯৮৭ সালে শেরপুর ডিগ্রি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং টানা ২৭ বছর শেরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।
দলের নেতাকর্মীদের দাবি, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি কখনো দলের সঙ্গে আপস বা বিশ্বাসঘাতকতা করেননি। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি একাধিকবার কারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে স্বৈরাচারী শাসনামলে তিনি সামনের সারিতে থেকে দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও কর্মসূচি সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় তিনি যেমন সাহসী ভূমিকা পালন করেন, তেমনি কর্মসূচি শেষে নেতাকর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখেন। এছাড়া সাধারণ মানুষের যেকোনো সমস্যায় দ্রুত সাড়া দেওয়ার কারণে এলাকায় তিনি একজন সহজপ্রাপ্য ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
উল্লেখ্য, শেরপুরে আলোচিত ‘চার খলিফা’ নামে পরিচিত নেতাদের অনেকেই ইতোমধ্যে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হলেও ভিপি শহিদুল ইসলাম বাবলু এখন পর্যন্ত কোনো জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে অংশ নেননি। ফলে এবারের উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
২০২২ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে তিনি বিপুল ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হন, যা তার জনপ্রিয়তারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের দাবি, আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে তাকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেওয়া হলে তিনি এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন। এ বিষয়ে তারা বিএনপির কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকদের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, “জনগণের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে থাকা একজন পরীক্ষিত নেতা ভিপি শহিদুল ইসলাম বাবলু চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে শেরপুর উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।”