ঢাকা ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

আদমদীঘির রক্তদহ বিলে তলিয়ে গেছে ৬শ বিঘা জমির পাকা ধান

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কয়েক দিনের বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পনির ঢলে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার রক্তদহ বিল এলাকার পানি নিচে তলিয়ে গেছে প্রায় ৬’শ বিঘা জমির উঠতি পাকা ইরি-বোরো ধান এতে এলাকার কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এ সংক্রান্ত একটি স্বচিত্র সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশ হলে প্রশাসনে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি জানার পর গত রবিবার (১০ মে) বিকেলে বগুড়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার বিল এলাকায় পরিদর্শনে যান । এ সময় তার সাথে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা বেগম,সহকারী কমিশনার (ভ’মি) আশরাফুল ইসলাম, কৃষি অফিসার রবিউল ইসলামসহ এলাকার কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন ।
এলাকার কৃষকরা জানান, প্রতি বছর তারা রক্তদহ বিল এলাকায় বিপুল পরিমান জমিতে ইরি-বোরো ধান রোপন করেন। এ বছর ও বিলের ওই সকল জমিতে জিরাশাইল জাতের ধানসহ বিভিন্ন জাতের ধানের চাষ করা হয়েছিল। ধান পাকার আগ মুহুর্তে অসময়ের বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে বিল এলাকায় পানি ঢুকে অল্প সময়ের মধ্যে একে একে প্রায় ৬শ বিঘা জমির পাকা উঠতি ইরিবোরো ধান পানির নিছে ডুবে যায় । বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, রক্তদহ বিলে ৩৪০ একর জমিতে ইরি মৌসুমে ধান চাষ হয়ে থাকে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা জানায়, তারা অনেক টাকা ঋন নিয়ে ধান চাষ করেছিলাম, ধান ডুবে যাওয়ায় পথে বসতে হয়েছে। সরকারি ভাবে সহয়তা না পেলে অনেক পরিবার উঠতে পাবেনা। তারা সংসদ সদস্যের নিকট সহয়তা দাবি করেন। বিল পরিদর্শনে আসা সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার বলেন, সরজমিনে রক্তদহ বিলে যে পরিমান ধান পানিতে তলিয়ে গেছে তাতে করে বিপুল পরিমান কৃষকের অনেক ক্ষতি হয়েছে। সরকারি সহয়তার পাশাপশি বর্তমানে যে কাজ বেশি অগ্রধিকার দিতে হবে তা হলো বিল খনন ও বিলের পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা। রক্তদহ বিলে ২২টি শাখা খাল দিয়ে পানি প্রবেশ করে কিন্তু মাত্র একটি পথ দিয়ে পানি বের হয়। য কৃষকের মরণ ফাঁদে পরিনত হয়ে থাকে। এ কারনে প্রায় প্রতি বছর পানিতে ধান তলিয়ে যায় । বিলের সমস্য নিয়ে আমি ও নওগাঁ আসনের সংসদ সদস্য শেখ রেজাউল ইসলাম রেজু যোগাযোগ শুরু করেছি। রক্তদহ বিল আদমদীঘি ও নওগাঁর রানীনগর উপজেলার সীমানায় অবস্থিত। সংস্লিষ্ট মন্ত্রানালয়ে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা রনয়া হচ্ছে।উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা বেগম জানান, ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তালিকা তৈরী করে সংসদ সদস্য মহোদয়ের সহযোগীতায় সহয়তার ব্যবস্থা করা হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আদমদীঘির রক্তদহ বিলে তলিয়ে গেছে ৬শ বিঘা জমির পাকা ধান

আপডেট সময় :

কয়েক দিনের বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পনির ঢলে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার রক্তদহ বিল এলাকার পানি নিচে তলিয়ে গেছে প্রায় ৬’শ বিঘা জমির উঠতি পাকা ইরি-বোরো ধান এতে এলাকার কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এ সংক্রান্ত একটি স্বচিত্র সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশ হলে প্রশাসনে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি জানার পর গত রবিবার (১০ মে) বিকেলে বগুড়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার বিল এলাকায় পরিদর্শনে যান । এ সময় তার সাথে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা বেগম,সহকারী কমিশনার (ভ’মি) আশরাফুল ইসলাম, কৃষি অফিসার রবিউল ইসলামসহ এলাকার কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন ।
এলাকার কৃষকরা জানান, প্রতি বছর তারা রক্তদহ বিল এলাকায় বিপুল পরিমান জমিতে ইরি-বোরো ধান রোপন করেন। এ বছর ও বিলের ওই সকল জমিতে জিরাশাইল জাতের ধানসহ বিভিন্ন জাতের ধানের চাষ করা হয়েছিল। ধান পাকার আগ মুহুর্তে অসময়ের বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে বিল এলাকায় পানি ঢুকে অল্প সময়ের মধ্যে একে একে প্রায় ৬শ বিঘা জমির পাকা উঠতি ইরিবোরো ধান পানির নিছে ডুবে যায় । বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, রক্তদহ বিলে ৩৪০ একর জমিতে ইরি মৌসুমে ধান চাষ হয়ে থাকে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা জানায়, তারা অনেক টাকা ঋন নিয়ে ধান চাষ করেছিলাম, ধান ডুবে যাওয়ায় পথে বসতে হয়েছে। সরকারি ভাবে সহয়তা না পেলে অনেক পরিবার উঠতে পাবেনা। তারা সংসদ সদস্যের নিকট সহয়তা দাবি করেন। বিল পরিদর্শনে আসা সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার বলেন, সরজমিনে রক্তদহ বিলে যে পরিমান ধান পানিতে তলিয়ে গেছে তাতে করে বিপুল পরিমান কৃষকের অনেক ক্ষতি হয়েছে। সরকারি সহয়তার পাশাপশি বর্তমানে যে কাজ বেশি অগ্রধিকার দিতে হবে তা হলো বিল খনন ও বিলের পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা। রক্তদহ বিলে ২২টি শাখা খাল দিয়ে পানি প্রবেশ করে কিন্তু মাত্র একটি পথ দিয়ে পানি বের হয়। য কৃষকের মরণ ফাঁদে পরিনত হয়ে থাকে। এ কারনে প্রায় প্রতি বছর পানিতে ধান তলিয়ে যায় । বিলের সমস্য নিয়ে আমি ও নওগাঁ আসনের সংসদ সদস্য শেখ রেজাউল ইসলাম রেজু যোগাযোগ শুরু করেছি। রক্তদহ বিল আদমদীঘি ও নওগাঁর রানীনগর উপজেলার সীমানায় অবস্থিত। সংস্লিষ্ট মন্ত্রানালয়ে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা রনয়া হচ্ছে।উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা বেগম জানান, ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তালিকা তৈরী করে সংসদ সদস্য মহোদয়ের সহযোগীতায় সহয়তার ব্যবস্থা করা হবে।