বড়লেখায় মারধর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ২৬ বার পড়া হয়েছে
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জসিম উদ্দিন বড়লেখা থানায় পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি উপজেলার আদিত্যের মহাল এলাকার মৃত আনফর আলীর ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রথম ঘটনাটি ঘটে গত ১৮ মার্চ ২০২৬ দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে জসিম উদ্দিনের নিজ বাড়িতে। ওই সময় তার বড় ভাই নাসির উদ্দিন বাড়ির পেছনে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করা এক ব্যক্তিকে আটক করেন। পরে তাকে চিনতে পেরে ছেড়ে দিলে ওই ব্যক্তি মোবাইল ফোনে সহযোগীদের খবর দেয়। কিছুক্ষণ পর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল লোক জসিম উদ্দিনের বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এতে জসিম উদ্দিন, তার বড় ভাই নাসির উদ্দিন ও স্ত্রী রুকিয়া বেগম আহত হন।
মারামারির ঘটনায় খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে আসে। আহত জসিম উদ্দিন জানান, তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। বর্তমানে তিনি মাথাব্যথা ও জ্বালাপোড়ার সমস্যায় ভুগছেন এবং সিটি স্ক্যান করিয়েছেন।
দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে গত ১০ মে ২০২৬ রাত ১১টার দিকে বড়লেখা উত্তর চৌমুহনী এলাকার ‘পাঁচভাই রেস্টুরেন্ট’-এর সামনে। অভিযোগে বলা হয়, জসিম উদ্দিনের কার ওয়াশ ব্যবসার পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে লোকমান নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে অভিযুক্তরা জসিম উদ্দিন ও তার ভাগ্নে সুমন আহমদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা জসিম উদ্দিনের পকেট থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আহতদের প্রথমে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হলেও পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জানা গেছে, হামলায় নাসির উদ্দিনের হাতে থাকা ধাতব বালা ভেঙে গিয়ে তার হাতে গুরুতর আঘাত লাগে।
বারবার হামলার শিকার হয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী জসিম উদ্দিন। তিনি প্রশাসনের কাছে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বড়লেখা থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ দুটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত















