ঈশ্বরদীতে ঈদে কোরবানির গরু চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ প্রস্তুত রয়েছে
- আপডেট সময় : ৩২ বার পড়া হয়েছে
পবিত্র ঈদুল আজহার কে সামনে রেখে পাবনার ঈশ্বরদীতে চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ কোরবানির পশু রয়েছে বলে জানা যায়। গত বছরের তুলনায় খামারিরা এ বছরে কোরবানির জন্য চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ এরও বেশি কোরবানির পশু প্রস্তুত করেছেন। বলে জানা গেছে, খামারিরা জানান, ভালো দামের আশায় তারা সারাবছর গরু লালন পালন করে আসছে, এবার বাজারদর মোটামুটি ভালো রয়েছে কোরবানির আগ পর্যন্ত এ বাজার দর থাকলে কিছু লাভের মুখ দেখবে খামারিরা, উপজেলার পূর্ব নূরমহল্লা বাসিন্দার মোঃ সোহেল হোসেন দৈনিক গণমুক্তি পত্রিকার প্রতিনিধিকে জানান স্থানীয় উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্মকর্তাদের সার্বিক সহযোগিতা পেলে আমাদের খামার হতে গরু ও দুধ দেশের চাহিদা মিটিয়ে আমরা অনেক লাভবান হতাম। ক্রেতারা হাট খামার ও গৃহস্থের থেকে নিজেদের পছন্দের কোরবানির পশু কিনছেন, অনেক খামারি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গরু বিক্রি করে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছেন, বর্তমান তিন থেকে সাড়ে তিন মন ওজনের গরুর ৯০ থেকে ৯৫ হাজার টাকা পাঁচ মন ওজনের গরু ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ৮ থেকে ১০ মন ওজনের গরুর চার লাখ থেকে সাড়ে চার লাখ টাকা বেচাকেনা হচ্ছে, কোরবানির গরুর প্রতি মনের বাজার দর ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। খামারিরা আরও জানান, ৩ থেকে ৪ মণ ওজনের একটি গরু সারাবছর লালন-পালন করেতে ৫০-৬০ হাজার টাকা খরচ হয়। এই ধরনের আকারের গরুকে প্রতিদিন খেসারি, ধান, ভুট্টা ও ভুসি মিশ্রিত দানাদার খাবার ৪ কেজি এবং কাঁচা ঘাস ও খড় ১৫-১৬ কেজি খাওয়াতে হয়, বড় গরুর ক্ষেত্রে খাবারের পরিমাণ আরও বেশি লাগে, এছাড়া খাবার চিকিৎসা বিদ্যুৎ বিল শ্রমিকের মজুরি ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক খরচ রয়েছে, তবে ঈদের আগে যদি ভারতীয় গরু দেশে ঢুকে পড়ে তাহলে লোকসানের আশঙ্কাও রয়েছে।

















